ঢাকা ১২:১৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বন্দিদশা থেকে মুক্তি পেয়েছেন শহিদুল আলম

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৫:৪৬:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ অক্টোবর ২০২৫
  • / 102

বন্দিদশা থেকে মুক্তি পেয়েছেন শহিদুল আলম

আলোকচিত্রী ও লেখক ড. শহিদুল আলমসহ ফ্রিডম ফ্লোটিলার ‘কনশানস’ জাহাজের সব সাংবাদিক, স্বাস্থ্যকর্মী ও ক্রু সদস্যকে বুধবার (৮ অক্টোবর) ভোরে ইসরায়েলি দখলদার বাহিনী আটক করে। তবে সে বন্দিদশা থেকে অবশেষে মুক্তি পেয়েছেন শহিদুল আলম। বিষয়টি জানানো হয়েছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের একটি ফেসবুক পোস্টে।

সেখানে বলা হয়, “ইসরায়েল থেকে আজ বিকেলে একটি ফ্লাইট ছেড়েছে, যাত্রীর তালিকায় আছেন বাংলাদেশের খ্যাতনামা আলোকচিত্রী ও মানবাধিকারকর্মী শহিদুল আলম। তুরস্কের সূত্রে জানা গেছে, ফ্লাইটটি টিকে ৬৯২১ স্থানীয় সময় দুপুর আড়াইটার দিকে ইস্তাম্বুলে অবতরণ করার কথা।”

এই প্রক্রিয়ায় সহায়তা করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান। শহিদুল আলমের মুক্তি ও তাকে দেশে ফেরাতে সহযোগিতার জন্য প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

এর আগে গত বুধবার (৮ অক্টোবর) ইসরায়েলি সেনারা গাজামুখী ওই নৌবহরে হামলা চালিয়ে সব অধিকারকর্মী ও নাবিককে আটক করে। বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে দৃক জানিয়েছিল, “ফ্রিডম ফ্লোটিলা কোয়ালিশন এবং আদালাহ—দ্য লিগ্যাল সেন্টার ফর আরব মাইনরিটি রাইটস ইন ইসরায়েল (যারা অপহৃত ফ্রিডম ফ্লোটিলা কর্মীদের হয়ে আইনি লড়াই চালাচ্ছে) তাদের মাধ্যমে আমরা জেনেছি, আলোকচিত্রী শহিদুল আলমসহ ফ্রিডম ফ্লোটিলা নৌবহরের সব সাংবাদিক, স্বাস্থ্যসেবাকর্মী, মানবাধিকারকর্মী ও নাবিকদের আশদোদ বন্দরে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের ইসরায়েলের কেৎজিয়েত কারাগারে পাঠানো হয়েছে।”

ইসরায়েলের সবচেয়ে বড় আটককেন্দ্র কেৎজিয়েত কারাগার নেগেভ মরুভূমিতে অবস্থিত। এখানে ফিলিস্তিনি বন্দীদের ওপর ব্যাপক নির্যাতন চালানো হয় বলে রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

অবশেষে সেই বন্দিদশা থেকে মুক্তি পেয়েছেন শহিদুল আলম। শিগগিরই তিনি দেশে ফিরে আসবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

বন্দিদশা থেকে মুক্তি পেয়েছেন শহিদুল আলম

সর্বশেষ আপডেট ০৫:৪৬:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ অক্টোবর ২০২৫

আলোকচিত্রী ও লেখক ড. শহিদুল আলমসহ ফ্রিডম ফ্লোটিলার ‘কনশানস’ জাহাজের সব সাংবাদিক, স্বাস্থ্যকর্মী ও ক্রু সদস্যকে বুধবার (৮ অক্টোবর) ভোরে ইসরায়েলি দখলদার বাহিনী আটক করে। তবে সে বন্দিদশা থেকে অবশেষে মুক্তি পেয়েছেন শহিদুল আলম। বিষয়টি জানানো হয়েছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের একটি ফেসবুক পোস্টে।

সেখানে বলা হয়, “ইসরায়েল থেকে আজ বিকেলে একটি ফ্লাইট ছেড়েছে, যাত্রীর তালিকায় আছেন বাংলাদেশের খ্যাতনামা আলোকচিত্রী ও মানবাধিকারকর্মী শহিদুল আলম। তুরস্কের সূত্রে জানা গেছে, ফ্লাইটটি টিকে ৬৯২১ স্থানীয় সময় দুপুর আড়াইটার দিকে ইস্তাম্বুলে অবতরণ করার কথা।”

এই প্রক্রিয়ায় সহায়তা করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান। শহিদুল আলমের মুক্তি ও তাকে দেশে ফেরাতে সহযোগিতার জন্য প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

এর আগে গত বুধবার (৮ অক্টোবর) ইসরায়েলি সেনারা গাজামুখী ওই নৌবহরে হামলা চালিয়ে সব অধিকারকর্মী ও নাবিককে আটক করে। বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে দৃক জানিয়েছিল, “ফ্রিডম ফ্লোটিলা কোয়ালিশন এবং আদালাহ—দ্য লিগ্যাল সেন্টার ফর আরব মাইনরিটি রাইটস ইন ইসরায়েল (যারা অপহৃত ফ্রিডম ফ্লোটিলা কর্মীদের হয়ে আইনি লড়াই চালাচ্ছে) তাদের মাধ্যমে আমরা জেনেছি, আলোকচিত্রী শহিদুল আলমসহ ফ্রিডম ফ্লোটিলা নৌবহরের সব সাংবাদিক, স্বাস্থ্যসেবাকর্মী, মানবাধিকারকর্মী ও নাবিকদের আশদোদ বন্দরে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের ইসরায়েলের কেৎজিয়েত কারাগারে পাঠানো হয়েছে।”

ইসরায়েলের সবচেয়ে বড় আটককেন্দ্র কেৎজিয়েত কারাগার নেগেভ মরুভূমিতে অবস্থিত। এখানে ফিলিস্তিনি বন্দীদের ওপর ব্যাপক নির্যাতন চালানো হয় বলে রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

অবশেষে সেই বন্দিদশা থেকে মুক্তি পেয়েছেন শহিদুল আলম। শিগগিরই তিনি দেশে ফিরে আসবেন বলে আশা করা হচ্ছে।