ঢাকা ০১:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় ‘শক্তি’র সৃষ্টি

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৩:৫০:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ অক্টোবর ২০২৫
  • / 131

বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় ‘শক্তি’র সৃষ্টি

বঙ্গোপসাগরে নতুন ঘূর্ণিঝড়ের জন্ম হয়েছে, যার নামকরণ করা হয়েছে ‘শক্তি’। বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) সকালে মার্কিন নৌবাহিনীর পরিচালিত জয়েন্ট টাইফুন ওয়ার্নিং সেন্টার জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড়টি বর্তমানে দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।

সকাল ৯টার তথ্যানুসারে, ঘূর্ণিঝড়টির অবস্থান ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলের পূর্বদিকে এবং কলকাতা থেকে প্রায় ৭০০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে। কেন্দ্রীয় অঞ্চলে বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় প্রায় ৬৫ কিলোমিটার, যা দমকা হাওয়ায় ঘণ্টায় ৮৩ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাচ্ছে।

সংস্থাটির পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আজ রাতেই ‘শক্তি’ ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ ও ওড়িশার মধ্যবর্তী উপকূলে আছড়ে পড়তে পারে। যদিও বাংলাদেশ ও ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তর এখনো একে ‘গভীর নিম্নচাপ’ হিসেবে বিবেচনা করছে।

ঘূর্ণিঝড়টি সরাসরি বাংলাদেশ অতিক্রম করবে না। তবে এর প্রভাবে বাংলাদেশসহ ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, ত্রিপুরা ও মেঘালয়ে ৫ অক্টোবর পর্যন্ত মাঝারি থেকে ভারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।

কানাডার সাসকাচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া ও জলবায়ু বিষয়ক গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ জানিয়েছেন, বর্ষা মৌসুম শেষ না হওয়া পর্যন্ত বঙ্গোপসাগরে পূর্ণাঙ্গ ঘূর্ণিঝড় তৈরি সাধারণত বিরল ঘটনা। তাই মৌসুম শেষ হওয়ার আগেই ঘূর্ণিঝড় ‘শক্তি’র সৃষ্টি একটি ব্যতিক্রম ধরা হচ্ছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, এ বছর বর্ষা মৌসুমে বঙ্গোপসাগরে একের পর এক রেকর্ড সংখ্যক লঘুচাপ, নিম্নচাপ ও গভীর নিম্নচাপ সৃষ্টি হয়েছে, যা নজিরবিহীন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় ‘শক্তি’র সৃষ্টি

সর্বশেষ আপডেট ০৩:৫০:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ অক্টোবর ২০২৫

বঙ্গোপসাগরে নতুন ঘূর্ণিঝড়ের জন্ম হয়েছে, যার নামকরণ করা হয়েছে ‘শক্তি’। বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) সকালে মার্কিন নৌবাহিনীর পরিচালিত জয়েন্ট টাইফুন ওয়ার্নিং সেন্টার জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড়টি বর্তমানে দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।

সকাল ৯টার তথ্যানুসারে, ঘূর্ণিঝড়টির অবস্থান ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলের পূর্বদিকে এবং কলকাতা থেকে প্রায় ৭০০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে। কেন্দ্রীয় অঞ্চলে বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় প্রায় ৬৫ কিলোমিটার, যা দমকা হাওয়ায় ঘণ্টায় ৮৩ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাচ্ছে।

সংস্থাটির পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আজ রাতেই ‘শক্তি’ ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ ও ওড়িশার মধ্যবর্তী উপকূলে আছড়ে পড়তে পারে। যদিও বাংলাদেশ ও ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তর এখনো একে ‘গভীর নিম্নচাপ’ হিসেবে বিবেচনা করছে।

ঘূর্ণিঝড়টি সরাসরি বাংলাদেশ অতিক্রম করবে না। তবে এর প্রভাবে বাংলাদেশসহ ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, ত্রিপুরা ও মেঘালয়ে ৫ অক্টোবর পর্যন্ত মাঝারি থেকে ভারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।

কানাডার সাসকাচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া ও জলবায়ু বিষয়ক গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ জানিয়েছেন, বর্ষা মৌসুম শেষ না হওয়া পর্যন্ত বঙ্গোপসাগরে পূর্ণাঙ্গ ঘূর্ণিঝড় তৈরি সাধারণত বিরল ঘটনা। তাই মৌসুম শেষ হওয়ার আগেই ঘূর্ণিঝড় ‘শক্তি’র সৃষ্টি একটি ব্যতিক্রম ধরা হচ্ছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, এ বছর বর্ষা মৌসুমে বঙ্গোপসাগরে একের পর এক রেকর্ড সংখ্যক লঘুচাপ, নিম্নচাপ ও গভীর নিম্নচাপ সৃষ্টি হয়েছে, যা নজিরবিহীন।