বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বাগেরহাটে এক নির্বাচনি জনসভায় ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জামায়াত ধর্ম বা পারিবারিক পরিচয়ের ভিত্তিতে নয়, বরং কাজের দক্ষতা ও সক্ষমতার ওপর নেতৃত্ব বাছাই করে। তাঁর ভাষায়, “প্রজার ছেলেও রাজা হবে কর্মগুণে”, অর্থাৎ সাধারণ মানুষও যোগ্য হলে রাষ্ট্র পরিচালনায় ভূমিকা রাখতে পারে।
তিনি বলেন, জনগণ যদি আস্থা রাখে, তাহলে জামায়াত দায়িত্বশীলতা ও ত্যাগের মাধ্যমে সেই আস্থার মূল্য দেবে। দেশের তরুণ সমাজ, বিশেষ করে পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আধিপত্যবাদবিরোধী শক্তিকে সমর্থন দিয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদবিরোধী চেতনার কারণেই এই সমর্থন তৈরি হয়েছে।
ডা. শফিকুর রহমান দাবি করেন, ২০২৪ সালের পর জাতি আর ঘুমিয়ে পড়েনি। প্রয়োজনে জনগণ আবারও রাস্তায় নামবে। ভোট লুটের চেষ্টা হলে তা প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, যেকোনো অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিতে হবে।
দলটির শাসনক্ষমতা নিয়ে সমালোচনার জবাবে তিনি বলেন, জামায়াতের দুই মন্ত্রী অতীতে দুটি মন্ত্রণালয় পরিচালনা করেছেন এবং সেখানে এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ ওঠেনি। এর মাধ্যমে দলটির প্রশাসনিক সক্ষমতার প্রমাণ মিলেছে বলে তিনি দাবি করেন।
আসন্ন নির্বাচনে জনগণের রায় পেলে জামায়াতে ইসলামী একটি নিরাপদ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলবে বলে ঘোষণা দেন তিনি। তাঁর বক্তব্যে বংশানুক্রমিক রাজনীতির বিরোধিতা, তরুণদের ভূমিকার স্বীকৃতি এবং ভবিষ্যৎ শাসন নিয়ে আত্মবিশ্বাস স্পষ্টভাবে উঠে আসে।































