ঢাকা ০৬:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ফ্ল্যাট বাসায় স্ত্রীর গলাকাটা মরদেহ, গুরুতর আহত স্বামী

নিজস্ব প্রতিবদেক, গাজীপুর
  • সর্বশেষ আপডেট ১১:১৫:৪৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ নভেম্বর ২০২৫
  • / 77

মোহাম্মদপুরে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ, পাওয়া গেল চিরকুট

গাজীপুর মহানগরের কোনাবাড়ী নওয়াব আলী মার্কেট এলাকার একটি ফ্ল্যাট বাসা থেকে স্বামী–স্ত্রীকে গলা কাটা অবস্থায় উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (১৫ নভেম্বর) সকালে তাদের উদ্ধার করা হয়।

এ সময় স্ত্রী রহিমা খাতুন (৩৫) নিহত অবস্থায় থাকলেও স্বামী এমরান হোসেন (৪০)-এর পালস পাওয়া গেলে দ্রুত তাকে হাসপাতালে পাঠানো হয়। নিহত ও আহত দম্পতি ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট থানার আমতলা গ্রামের সুরুজ আলীর ছেলে এমরান হোসেন এবং তার স্ত্রী রহিমা খাতুন।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, এমরান ও রহিমা তাদের ১৬ বছরের সন্তান শারমিনকে নিয়ে কোনাবাড়ি নওয়াব আলী মার্কেট এলাকার একতা ভিলার ৫ তলায় একটি বাসায় ভাড়া থাকতেন। তাদের মধ্যে কোনো এক বিষয় নিয়ে মতবিরোধের সৃষ্টি হয়। এর জেরে এমরান ধারালো দা দিয়ে প্রথমে স্ত্রী রহিমাকে জবাই করে। পরে নিজেও ওই দা নিয়ে নিজের গলা কেটে ফেলে। পরে খবর পেয়ে পুলিশ এসে তাদের মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

এ বিষয়ে কোনাবাড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালাউদ্দিন জানান, মরদেহ উদ্ধারের কিছুক্ষণ পর আমরা তল্লাশি চালালে স্বামী এমরান হোসেনের পালস পাওয়া যায়। পরে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। নিহত রহিমার মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হচ্ছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ফ্ল্যাট বাসায় স্ত্রীর গলাকাটা মরদেহ, গুরুতর আহত স্বামী

সর্বশেষ আপডেট ১১:১৫:৪৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ নভেম্বর ২০২৫

গাজীপুর মহানগরের কোনাবাড়ী নওয়াব আলী মার্কেট এলাকার একটি ফ্ল্যাট বাসা থেকে স্বামী–স্ত্রীকে গলা কাটা অবস্থায় উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (১৫ নভেম্বর) সকালে তাদের উদ্ধার করা হয়।

এ সময় স্ত্রী রহিমা খাতুন (৩৫) নিহত অবস্থায় থাকলেও স্বামী এমরান হোসেন (৪০)-এর পালস পাওয়া গেলে দ্রুত তাকে হাসপাতালে পাঠানো হয়। নিহত ও আহত দম্পতি ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট থানার আমতলা গ্রামের সুরুজ আলীর ছেলে এমরান হোসেন এবং তার স্ত্রী রহিমা খাতুন।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, এমরান ও রহিমা তাদের ১৬ বছরের সন্তান শারমিনকে নিয়ে কোনাবাড়ি নওয়াব আলী মার্কেট এলাকার একতা ভিলার ৫ তলায় একটি বাসায় ভাড়া থাকতেন। তাদের মধ্যে কোনো এক বিষয় নিয়ে মতবিরোধের সৃষ্টি হয়। এর জেরে এমরান ধারালো দা দিয়ে প্রথমে স্ত্রী রহিমাকে জবাই করে। পরে নিজেও ওই দা নিয়ে নিজের গলা কেটে ফেলে। পরে খবর পেয়ে পুলিশ এসে তাদের মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

এ বিষয়ে কোনাবাড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালাউদ্দিন জানান, মরদেহ উদ্ধারের কিছুক্ষণ পর আমরা তল্লাশি চালালে স্বামী এমরান হোসেনের পালস পাওয়া যায়। পরে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। নিহত রহিমার মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হচ্ছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।