ফেসবুকে ‘হ্যাঁ’ ও ‘না’ পোস্টের প্রতিযোগিতা
- সর্বশেষ আপডেট ১১:২১:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৫
- / 188
হঠাৎ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক সরগরম হয়ে উঠেছে ‘হ্যাঁ’ ও ‘না’ পোস্টে। মূলত গণভোটের পক্ষে–বিপক্ষে নতুন প্রচারণা শুরু হয়েছে। নিউজফিডজুড়ে এখন ভেসে বেড়াচ্ছে এই দুই শব্দের পোস্টের প্রতিযোগিতা।
বুধবার দিবাগত রাত ১২টার পর থেকে ফেসবুকের পাতায় পাতায় দেখা যাচ্ছে এমন পোস্ট। যদিও বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই কোনো কারণ উল্লেখ করা হয়নি। স্বাভাবিকভাবে অনেকেই অবাক হচ্ছেন এই ট্রেন্ড নিয়ে—কারা ‘হ্যাঁ’, কারা ‘না’ বলছেন এবং কেনই বা বলছেন, তা নিয়েই চলছে নানা আলোচনা। সবমিলিয়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে গণভোট বিষয়টি।
মূলত গণভোটের প্রশ্নে একদিকে রয়েছে বিএনপি, অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। এই অবস্থানের প্রতিফলনই দেখা যাচ্ছে ফেসবুকে ‘হ্যাঁ’ ও ‘না’ পোস্টে।
জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন বিষয়ে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন সরকারের কাছে যে সুপারিশ দিয়েছে, তা নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে তৈরি হয়েছে ভিন্নমত। বিএনপি জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট একই দিনে আয়োজনের পক্ষে অনড় অবস্থানে রয়েছে। তবে জামায়াতে ইসলামী চায় নভেম্বরে গণভোট অনুষ্ঠিত হোক।
অন্যদিকে এনসিপি নির্দিষ্ট সময় না জানালেও সংসদ নির্বাচনের আগেই গণভোট আয়োজনের দাবি জানিয়েছে। ফলে জামায়াত ও এনসিপির অবস্থান কিছুটা কাছাকাছি হলেও বিএনপি সেই প্রস্তাবে সমর্থন দেয়নি। বরং তারা সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একই দিনে চায়। এ অবস্থানগত পার্থক্যই ফেসবুকে ‘হ্যাঁ’ ও ‘না’ ক্যাম্পেইনের জন্ম দিয়েছে।
ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির নিজের প্রোফাইলে ‘না’ পোস্ট দিয়েছেন। অন্যদিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ‘হ্যাঁ’ লিখে পোস্ট করা হয়েছে।
এদিকে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের সুপারিশমালা হস্তান্তর করেছে কমিশন। সহ–সভাপতি ড. আলী রীয়াজ জানিয়েছেন, জাতীয় নির্বাচনের আগে অথবা নির্বাচনের দিন গণভোট আয়োজনের সুপারিশ করা হয়েছে এবং এ বিষয়ে দ্রুত নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আলোচনা শুরু করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।































