ঢাকা ০৬:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ফেনীতে স্বামীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে স্ত্রী আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফেনী
  • সর্বশেষ আপডেট ০৪:৫৬:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 147

ফেনীতে স্বামীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে স্ত্রী আটক

ফেনীতে পারিবারিক কলহের জেরে স্বামীকে কুপিয়ে হত্যা করার অভিযোগে পুলিশ তার স্ত্রীকে আটক করেছে। মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে দাগনভূঞা উপজেলার জগতপুর গফুর ভান্ডারির বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে। পুলিশ ঘাতক স্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিনকে (৪২) গ্রেপ্তার করেছে।

স্থানীয়রা জানান, নিহত আলমগীর হোসেনের দুইটি বিয়ে ছিল। তাঁর প্রথম স্ত্রী ছিলেন সাবিনা ইয়াসমিন, এবং তাদের এক ছেলে সন্তান রয়েছে। পরে তিনি দ্বিতীয় বিয়ে করেন। মঙ্গলবার ভোরে দ্বিতীয় স্ত্রীর বাড়ি থেকে বিতাড়িত হয়ে প্রথম স্ত্রীর বাড়িতে আসেন আলমগীর। সেখানে প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়।

বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে সাবিনা ইয়াসমিন ঘরে থাকা দা দিয়ে আলমগীরকে কুপিয়ে জখম করেন। গুরুতর অবস্থায় ঘটনাস্থলেই আলমগীর মারা যান। হত্যাকাণ্ডের পর স্থানীয়রা পুলিশকে বিষয়টি জানালে, ইয়াসমিন স্বীকার করেন তিনি নিজের স্বামীকে কুপিয়ে হত্যা করেছেন।

দাগনভূঞা থানার ওসি ওয়াহিদ পারভেজ জানান, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছে। অভিযুক্ত স্ত্রীর বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ফেনীতে স্বামীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে স্ত্রী আটক

সর্বশেষ আপডেট ০৪:৫৬:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ফেনীতে পারিবারিক কলহের জেরে স্বামীকে কুপিয়ে হত্যা করার অভিযোগে পুলিশ তার স্ত্রীকে আটক করেছে। মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে দাগনভূঞা উপজেলার জগতপুর গফুর ভান্ডারির বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে। পুলিশ ঘাতক স্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিনকে (৪২) গ্রেপ্তার করেছে।

স্থানীয়রা জানান, নিহত আলমগীর হোসেনের দুইটি বিয়ে ছিল। তাঁর প্রথম স্ত্রী ছিলেন সাবিনা ইয়াসমিন, এবং তাদের এক ছেলে সন্তান রয়েছে। পরে তিনি দ্বিতীয় বিয়ে করেন। মঙ্গলবার ভোরে দ্বিতীয় স্ত্রীর বাড়ি থেকে বিতাড়িত হয়ে প্রথম স্ত্রীর বাড়িতে আসেন আলমগীর। সেখানে প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়।

বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে সাবিনা ইয়াসমিন ঘরে থাকা দা দিয়ে আলমগীরকে কুপিয়ে জখম করেন। গুরুতর অবস্থায় ঘটনাস্থলেই আলমগীর মারা যান। হত্যাকাণ্ডের পর স্থানীয়রা পুলিশকে বিষয়টি জানালে, ইয়াসমিন স্বীকার করেন তিনি নিজের স্বামীকে কুপিয়ে হত্যা করেছেন।

দাগনভূঞা থানার ওসি ওয়াহিদ পারভেজ জানান, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছে। অভিযুক্ত স্ত্রীর বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।