ঢাকা ০৭:৫০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ফিলিস্তিনিদের সোমালিল্যান্ডে স্থানান্তরের পরিকল্পনা করছে ইসরায়েল

আন্তার্জাতিক ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৬:৫২:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 25

সোমালিয়া: সোমালিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী আহমেদ মোয়ালিম ফিকি অভিযোগ করেছেন, গাজার ফিলিস্তিনিদের সোমালিল্যান্ডে উৎখাতের পরিকল্পনা করছে ইসরায়েল। তিনি বলেন, সোমালিয়ার কাছে এ বিষয়ে “নিশ্চিত তথ্য” রয়েছে। পরিকল্পনাটি বাস্তবায়িত হলে এটি আন্তর্জাতিক আইনের গুরুতর লঙ্ঘন হবে।

আলজাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ফিকি বলেন, ইসরায়েলের এই পরিকল্পনার বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরেই আশঙ্কা করা হচ্ছিল, যদিও তেল আবিব বারবার তা অস্বীকার করেছে।

১৯৯১ সালে সোমালিয়া থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দেয় সোমালিল্যান্ড। তারা এখনও জাতিসংঘের স্বীকৃতি পায়নি। তবে গত ডিসেম্বরে প্রথম দেশ হিসেবে তাদের স্বীকৃতি দেয় ইসরায়েল। ইসরায়েলের চ্যানেল ফোরটিনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদিওন সার বলেছেন, সোমালিল্যান্ডকে স্বীকৃতি দেওয়ার সঙ্গে ফিলিস্তিনিদের জোরপূর্বক স্থানান্তরের কোনো সম্পর্ক নেই।

সোমালিল্যান্ডের কর্তৃপক্ষও বিষয়টি অস্বীকার করেছে। সম্প্রতি সোমালিয়ার প্রেসিডেন্ট হাসান শেখ মোহামুদ আলজাজিরাকে বলেছেন, সোমালিল্যান্ড ইসরায়েলের তিনটি শর্ত মেনে নিয়েছে। সেগুলো হলো:

  1. ফিলিস্তিনিদের পুনর্বাসন

  2. এডেন উপসাগরের উপকূলে একটি সামরিক ঘাঁটি স্থাপন

  3. ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে আব্রাহাম চুক্তিতে যোগ দেওয়া

আহমেদ মোয়ালিম ফিকি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু-কে আহ্বান জানিয়েছেন সোমালিল্যান্ডের কূটনৈতিক স্বীকৃতি প্রত্যাহার করার জন্য। তিনি উল্লেখ করেন, অঞ্চলটি সোমালিয়ার একটি অংশ, তাই স্বীকৃতি দেওয়া সোমালিয়ার সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত হিসেবে ধরা হয়।

প্রতিরক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, ইসরায়েল দীর্ঘদিন ধরে দেশগুলোকে বিভক্ত করার লক্ষ্যে এই ধরনের পরিকল্পনা করছে। মধ্যপ্রাচ্যের মানচিত্র ভাগ করে দেশগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করার উদ্দেশ্যেই তারা উত্তর-পশ্চিম সোমালিয়ায় বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী সোমালিল্যান্ডকে খুঁজে নিয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ফিলিস্তিনিদের সোমালিল্যান্ডে স্থানান্তরের পরিকল্পনা করছে ইসরায়েল

সর্বশেষ আপডেট ০৬:৫২:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬

সোমালিয়া: সোমালিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী আহমেদ মোয়ালিম ফিকি অভিযোগ করেছেন, গাজার ফিলিস্তিনিদের সোমালিল্যান্ডে উৎখাতের পরিকল্পনা করছে ইসরায়েল। তিনি বলেন, সোমালিয়ার কাছে এ বিষয়ে “নিশ্চিত তথ্য” রয়েছে। পরিকল্পনাটি বাস্তবায়িত হলে এটি আন্তর্জাতিক আইনের গুরুতর লঙ্ঘন হবে।

আলজাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ফিকি বলেন, ইসরায়েলের এই পরিকল্পনার বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরেই আশঙ্কা করা হচ্ছিল, যদিও তেল আবিব বারবার তা অস্বীকার করেছে।

১৯৯১ সালে সোমালিয়া থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দেয় সোমালিল্যান্ড। তারা এখনও জাতিসংঘের স্বীকৃতি পায়নি। তবে গত ডিসেম্বরে প্রথম দেশ হিসেবে তাদের স্বীকৃতি দেয় ইসরায়েল। ইসরায়েলের চ্যানেল ফোরটিনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদিওন সার বলেছেন, সোমালিল্যান্ডকে স্বীকৃতি দেওয়ার সঙ্গে ফিলিস্তিনিদের জোরপূর্বক স্থানান্তরের কোনো সম্পর্ক নেই।

সোমালিল্যান্ডের কর্তৃপক্ষও বিষয়টি অস্বীকার করেছে। সম্প্রতি সোমালিয়ার প্রেসিডেন্ট হাসান শেখ মোহামুদ আলজাজিরাকে বলেছেন, সোমালিল্যান্ড ইসরায়েলের তিনটি শর্ত মেনে নিয়েছে। সেগুলো হলো:

  1. ফিলিস্তিনিদের পুনর্বাসন

  2. এডেন উপসাগরের উপকূলে একটি সামরিক ঘাঁটি স্থাপন

  3. ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে আব্রাহাম চুক্তিতে যোগ দেওয়া

আহমেদ মোয়ালিম ফিকি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু-কে আহ্বান জানিয়েছেন সোমালিল্যান্ডের কূটনৈতিক স্বীকৃতি প্রত্যাহার করার জন্য। তিনি উল্লেখ করেন, অঞ্চলটি সোমালিয়ার একটি অংশ, তাই স্বীকৃতি দেওয়া সোমালিয়ার সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত হিসেবে ধরা হয়।

প্রতিরক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, ইসরায়েল দীর্ঘদিন ধরে দেশগুলোকে বিভক্ত করার লক্ষ্যে এই ধরনের পরিকল্পনা করছে। মধ্যপ্রাচ্যের মানচিত্র ভাগ করে দেশগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করার উদ্দেশ্যেই তারা উত্তর-পশ্চিম সোমালিয়ায় বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী সোমালিল্যান্ডকে খুঁজে নিয়েছে।