ঢাকা ০৩:০৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিলো যুক্তরাজ্য, কানাডা ও অস্ট্রেলিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৮:১৩:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 124

ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিলো যুক্তরাজ্য, কানাডা ও অস্ট্রেলিয়া

যুক্তরাজ্য, কানাডা ও অস্ট্রেলিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার এক বিবৃতিতে জানান, দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানের মাধ্যমে আশা ও শান্তি পুনরুজ্জীবনের লক্ষ্যে তিনি স্পষ্টভাবে ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিচ্ছেন।

স্টারমার বলেন, গাজায় হামাসের হাতে আটক ব্রিটিশ নাগরিকদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেছি। তারা দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছে এবং তাদের দ্রুত মুক্তি দেওয়া জরুরি। তিনি জিম্মিদের নিরাপদে বাড়ি ফেরানোর জন্য লড়াই চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। এছাড়া তিনি উল্লেখ করেন, হামাসের অপরাধের প্রতিক্রিয়ায় দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানকে কার্যকর মনে করা হচ্ছে, যা হামাসকে পুরস্কৃত করে না।

কানাডা ও অস্ট্রেলিয়াও পৃথকভাবে ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ জানান, কানাডার পথ অনুসরণ করেই ফিলিস্তিনকে সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, এটি মূলত যুক্তরাজ্য ও কানাডার যৌথ উদ্যোগের অংশ এবং আন্তর্জাতিক ফোরামের মাধ্যমে দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানকে এগিয়ে নেয়া হবে।

কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নিও এক বিবৃতিতে বলেন, ফিলিস্তিন ও ইসরায়েলের শান্তিপূর্ণ ভবিষ্যতের প্রতিশ্রুতি হিসেবে তারা ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিয়েছে। চলতি সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ অধিবেশনে ফ্রান্সসহ আরও কয়েকটি দেশ ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেবে।

গত জুলাইয়ে মার্ক কার্নি জানিয়েছিলেন যে কানাডা জাতিসংঘে ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিতে চায়। তখন ইসরায়েলি কর্মকর্তারা এই পরিকল্পনাকে ‘হামাসকে পুরস্কৃত করা’ হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিলো যুক্তরাজ্য, কানাডা ও অস্ট্রেলিয়া

সর্বশেষ আপডেট ০৮:১৩:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

যুক্তরাজ্য, কানাডা ও অস্ট্রেলিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার এক বিবৃতিতে জানান, দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানের মাধ্যমে আশা ও শান্তি পুনরুজ্জীবনের লক্ষ্যে তিনি স্পষ্টভাবে ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিচ্ছেন।

স্টারমার বলেন, গাজায় হামাসের হাতে আটক ব্রিটিশ নাগরিকদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেছি। তারা দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছে এবং তাদের দ্রুত মুক্তি দেওয়া জরুরি। তিনি জিম্মিদের নিরাপদে বাড়ি ফেরানোর জন্য লড়াই চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। এছাড়া তিনি উল্লেখ করেন, হামাসের অপরাধের প্রতিক্রিয়ায় দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানকে কার্যকর মনে করা হচ্ছে, যা হামাসকে পুরস্কৃত করে না।

কানাডা ও অস্ট্রেলিয়াও পৃথকভাবে ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ জানান, কানাডার পথ অনুসরণ করেই ফিলিস্তিনকে সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, এটি মূলত যুক্তরাজ্য ও কানাডার যৌথ উদ্যোগের অংশ এবং আন্তর্জাতিক ফোরামের মাধ্যমে দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানকে এগিয়ে নেয়া হবে।

কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নিও এক বিবৃতিতে বলেন, ফিলিস্তিন ও ইসরায়েলের শান্তিপূর্ণ ভবিষ্যতের প্রতিশ্রুতি হিসেবে তারা ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিয়েছে। চলতি সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ অধিবেশনে ফ্রান্সসহ আরও কয়েকটি দেশ ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেবে।

গত জুলাইয়ে মার্ক কার্নি জানিয়েছিলেন যে কানাডা জাতিসংঘে ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিতে চায়। তখন ইসরায়েলি কর্মকর্তারা এই পরিকল্পনাকে ‘হামাসকে পুরস্কৃত করা’ হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন।