ঢাকা ০৩:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

‘ফজু পাগলা’ উপাধি পেয়ে উচ্ছ্বসিত ফজলুর রহমান

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৩:৩০:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ নভেম্বর ২০২৫
  • / 88

ফজলুর রহমান

বাংলাদেশের রাজনীতিতে অনেক নেতাকে বিভিন্ন উপাধি দেওয়া হয়েছে—কেউ ‘শের-ই-বাংলা’, কেউ ‘বঙ্গবীর’, আবার কেউ ‘বঙ্গবন্ধু’ নামে পরিচিত। সাম্প্রতিক সময়ে আলোচনায় এসেছে এক ভিন্নধর্মী নাম—‘ফজু পাগলা’, যার নেপথ্যে আছেন বিএনপির কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের প্রার্থী এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান

৫ আগস্টের অভ্যুত্থানের পর রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে ওঠেন ফজলুর রহমান। বিভিন্ন টেলিভিশন সাক্ষাৎকার ও জনসভায় সরল ও কখনো আক্রমণাত্মক বক্তব্য দিয়ে তিনি আলোড়ন সৃষ্টি করেন। এক পর্যায়ে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ ও কিছু ব্যক্তিরা তাকে ব্যঙ্গ করে ‘ফজু পাগলা’ নামে ডাকতে শুরু করেন। তবে ফজলুর রহমান এই উপাধিকে হাসিমুখে গ্রহণ করেছেন।

সাম্প্রতিক একটি সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “‘ফজু পাগলা! আমি দেখলাম, কথা তো ঠিকই বলেছে। তাদের ধন্যবাদ দেই। মুফতি আমির হামজা, মাওলানা আজহারী—তাদেরকেও ধন্যবাদ, আমাকে ফজু পাগলা বলার জন্য।”

তিনি উপাধিটির ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন, “পাগলা তো সাংঘাতিক একটি নাম। আমি ভেবে দেখেছি, কেন মাওলানা নামধারী লোকগুলো আমাকে এ নামে ডাকলো। এটা একধরনের প্রশংসা—যেমন মসজিদ যত সম্পদ পায়, মানুষ আমাকেও সব কিছু দিয়ে দেয়। এটা খুব ভালো।”

ফজলুর রহমান দলীয় পদে স্থগিত থাকলেও মাঠে-ময়দানে সক্রিয়তা বজায় রেখেছেন। তিনি বর্তমানে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে কিশোরগঞ্জ-৪ আসনে ভোটযুদ্ধে নামছেন। তিনি বলেন, “আমি সব সময় মানুষের পাশে থেকেছি। হাস্যরসের মধ্য দিয়েও মানুষকে সত্য কথা বলতে শিখেছি।”

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

‘ফজু পাগলা’ উপাধি পেয়ে উচ্ছ্বসিত ফজলুর রহমান

সর্বশেষ আপডেট ০৩:৩০:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ নভেম্বর ২০২৫

বাংলাদেশের রাজনীতিতে অনেক নেতাকে বিভিন্ন উপাধি দেওয়া হয়েছে—কেউ ‘শের-ই-বাংলা’, কেউ ‘বঙ্গবীর’, আবার কেউ ‘বঙ্গবন্ধু’ নামে পরিচিত। সাম্প্রতিক সময়ে আলোচনায় এসেছে এক ভিন্নধর্মী নাম—‘ফজু পাগলা’, যার নেপথ্যে আছেন বিএনপির কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের প্রার্থী এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান

৫ আগস্টের অভ্যুত্থানের পর রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে ওঠেন ফজলুর রহমান। বিভিন্ন টেলিভিশন সাক্ষাৎকার ও জনসভায় সরল ও কখনো আক্রমণাত্মক বক্তব্য দিয়ে তিনি আলোড়ন সৃষ্টি করেন। এক পর্যায়ে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ ও কিছু ব্যক্তিরা তাকে ব্যঙ্গ করে ‘ফজু পাগলা’ নামে ডাকতে শুরু করেন। তবে ফজলুর রহমান এই উপাধিকে হাসিমুখে গ্রহণ করেছেন।

সাম্প্রতিক একটি সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “‘ফজু পাগলা! আমি দেখলাম, কথা তো ঠিকই বলেছে। তাদের ধন্যবাদ দেই। মুফতি আমির হামজা, মাওলানা আজহারী—তাদেরকেও ধন্যবাদ, আমাকে ফজু পাগলা বলার জন্য।”

তিনি উপাধিটির ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন, “পাগলা তো সাংঘাতিক একটি নাম। আমি ভেবে দেখেছি, কেন মাওলানা নামধারী লোকগুলো আমাকে এ নামে ডাকলো। এটা একধরনের প্রশংসা—যেমন মসজিদ যত সম্পদ পায়, মানুষ আমাকেও সব কিছু দিয়ে দেয়। এটা খুব ভালো।”

ফজলুর রহমান দলীয় পদে স্থগিত থাকলেও মাঠে-ময়দানে সক্রিয়তা বজায় রেখেছেন। তিনি বর্তমানে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে কিশোরগঞ্জ-৪ আসনে ভোটযুদ্ধে নামছেন। তিনি বলেন, “আমি সব সময় মানুষের পাশে থেকেছি। হাস্যরসের মধ্য দিয়েও মানুষকে সত্য কথা বলতে শিখেছি।”