ঢাকা ০৯:৫৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

প্রাথমিকে সংগীত ও শারীরিক শিক্ষক পদ পুনর্বহালের দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক, জবি
  • সর্বশেষ আপডেট ০৩:১০:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর ২০২৫
  • / 72

প্রাথমিকে সংগীত ও শারীরিক শিক্ষক পদ পুনর্বহালের দাবি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংগীত ও শারীরিক শিক্ষা শিক্ষকের পদ পুনর্বহালের দাবি জানিয়েছেন। বৃহস্পতিবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাস্কর্য চত্বরে এই পদ বাতিলের প্রতিবাদে একটি কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

সংগীত বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী নুসরাত চৌধুরী জাফরিন বলেন, “আমরা চাই প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সুর বাজুক। আজকের আন্দোলন কোনো ব্যক্তিগত উদ্দেশ্যে নয়। আমরা আমাদের কণ্ঠ জারি রেখেছি এবং সামনেও এটি অব্যাহত থাকবে।”

ছাত্র ফ্রন্টের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক শামসুল আলম মারুফ সমাবেশে বলেন, “এ ধরনের পদ বাতিলের মাধ্যমে ‘কালচারাল ফ্যাসিজম’ কায়েম করা হচ্ছে। সংগীত ও শারীরিক শিক্ষা শিক্ষকের পদ বাতিল করা হাস্যকর। বর্তমান সরকার ও সমাজ বাজারকেন্দ্রিক হচ্ছে, যেখানে মননের বিকাশের কোনো অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে না।”

প্রিন্টমেকিং বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক বজলুর রশীদ খান বলেন, “সুস্থ মন ও সুস্থ শরীর উভয়ই শিক্ষার জন্য অপরিহার্য। সুস্থ মনের জন্য সংগীত এবং সুস্থ শরীরের জন্য শারীরিক শিক্ষা প্রয়োজন। ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ সংগীতের মধ্যেই ইশ্বরকে খুঁজতেন।”

সংগীত বিভাগের চেয়ারম্যান অণিমা রায় বলেন, “প্রাথমিক পর্যায়ের শিশুদের সুর থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। আমরা চাই না, শিশুরা এই অধিকার থেকে বঞ্চিত হোক। আমাদের মুক্তিযুদ্ধ সংস্কৃতির জন্য হয়েছিল, ধর্মের জন্য নয়।”

অণিমা রায় আরও জানান, সংগীত ও শারীরিক শিক্ষা শিক্ষকের পদ পুনর্বহাল না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

প্রাথমিকে সংগীত ও শারীরিক শিক্ষক পদ পুনর্বহালের দাবি

সর্বশেষ আপডেট ০৩:১০:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর ২০২৫

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংগীত ও শারীরিক শিক্ষা শিক্ষকের পদ পুনর্বহালের দাবি জানিয়েছেন। বৃহস্পতিবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাস্কর্য চত্বরে এই পদ বাতিলের প্রতিবাদে একটি কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

সংগীত বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী নুসরাত চৌধুরী জাফরিন বলেন, “আমরা চাই প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সুর বাজুক। আজকের আন্দোলন কোনো ব্যক্তিগত উদ্দেশ্যে নয়। আমরা আমাদের কণ্ঠ জারি রেখেছি এবং সামনেও এটি অব্যাহত থাকবে।”

ছাত্র ফ্রন্টের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক শামসুল আলম মারুফ সমাবেশে বলেন, “এ ধরনের পদ বাতিলের মাধ্যমে ‘কালচারাল ফ্যাসিজম’ কায়েম করা হচ্ছে। সংগীত ও শারীরিক শিক্ষা শিক্ষকের পদ বাতিল করা হাস্যকর। বর্তমান সরকার ও সমাজ বাজারকেন্দ্রিক হচ্ছে, যেখানে মননের বিকাশের কোনো অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে না।”

প্রিন্টমেকিং বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক বজলুর রশীদ খান বলেন, “সুস্থ মন ও সুস্থ শরীর উভয়ই শিক্ষার জন্য অপরিহার্য। সুস্থ মনের জন্য সংগীত এবং সুস্থ শরীরের জন্য শারীরিক শিক্ষা প্রয়োজন। ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ সংগীতের মধ্যেই ইশ্বরকে খুঁজতেন।”

সংগীত বিভাগের চেয়ারম্যান অণিমা রায় বলেন, “প্রাথমিক পর্যায়ের শিশুদের সুর থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। আমরা চাই না, শিশুরা এই অধিকার থেকে বঞ্চিত হোক। আমাদের মুক্তিযুদ্ধ সংস্কৃতির জন্য হয়েছিল, ধর্মের জন্য নয়।”

অণিমা রায় আরও জানান, সংগীত ও শারীরিক শিক্ষা শিক্ষকের পদ পুনর্বহাল না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।