ঢাকা ০৭:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

প্রয়োজন হলে কেয়ামত পর্যন্ত অডিট বন্ধ থাকবে

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৬:১১:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৫
  • / 158

এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান জানিয়েছেন, ডিজিটাল অডিট ব্যবস্থা না থাকলে ম্যানুয়াল অডিট স্থায়ীভাবে বন্ধ রাখা হতে পারে।

মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) রাজধানীর একটি হোটেলে ‘করপোরেট কর এবং ভ্যাটে সংস্কার: এনবিআরের জন্য একটি বিচারমূলক দৃষ্টিভঙ্গি’ শীর্ষক ডায়ালগে তিনি বলেন, “বর্তমান ম্যানুয়াল অডিটে কোয়ালিটি নিয়ে বড় প্রশ্ন আছে। একই ব্যক্তি বারবার একই ধরনের অডিটের আওতায় পড়েন। তাই আমরা ঝুঁকিভিত্তিক অডিট সিস্টেমে যেতে চাই। যতদিন পর্যন্ত ডিজিটাল সিস্টেম প্রবর্তন করা যাবে না, ততদিন ম্যানুয়াল ভ্যাট অডিট বন্ধ থাকবে। প্রয়োজন হলে কেয়ামত পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।”

তিনি আরও বলেন, অটোমেটেড সিস্টেম ছাড়া অডিট কার্যকর করা সম্ভব নয়।

চলতি আলোচনায় এনবিআর চেয়ারম্যান ন্যূনতম করকে ‘কালাকানুন’ হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “বিজনেসে কর মূলত মুনাফার ওপর নির্ভর করা উচিত। কিন্তু ন্যূনতম কর ধার্য করা হয়েছে, যা আদায় কমিয়ে দিতে পারে। আমাদের কর জিডিপি অনুপাত ক্রমশ কমছে, যা দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য উদ্বেগের বিষয়।”

মো. আবদুর রহমান জানান, পাকিস্তানের কর জিডিপি অনুপাত ১২.২% হলেও বাংলাদেশ গত বছর ছিল ৭.৪%, এবং এ বছর কমে ৬.৬% হয়েছে। কর আহরণ ও ঋণ পরিশোধের জন্য এটি একটি বড় চ্যালেঞ্জ।

তিনি বলেন, “আমরা অনেক ছাড় দিয়েছি, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের উৎসাহিত করতে কর অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এর ফলে কর জিডিপি অনুপাত বাড়ানো সম্ভব হচ্ছে না। ব্যবসায়ীরা কর ছাড়ের সময়সীমা শেষ হলেও পুনরায় সুবিধা চাচ্ছেন, যা সঠিক নয়।”

চূড়ান্তভাবে এনবিআর চেয়ারম্যান উল্লেখ করেন, “আমরা স্বচ্ছ ট্যাক্স অ্যাডমিনিস্ট্রেশন প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছি এবং সব সমস্যার সমাধান করতে হবে।”

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

প্রয়োজন হলে কেয়ামত পর্যন্ত অডিট বন্ধ থাকবে

সর্বশেষ আপডেট ০৬:১১:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৫

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান জানিয়েছেন, ডিজিটাল অডিট ব্যবস্থা না থাকলে ম্যানুয়াল অডিট স্থায়ীভাবে বন্ধ রাখা হতে পারে।

মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) রাজধানীর একটি হোটেলে ‘করপোরেট কর এবং ভ্যাটে সংস্কার: এনবিআরের জন্য একটি বিচারমূলক দৃষ্টিভঙ্গি’ শীর্ষক ডায়ালগে তিনি বলেন, “বর্তমান ম্যানুয়াল অডিটে কোয়ালিটি নিয়ে বড় প্রশ্ন আছে। একই ব্যক্তি বারবার একই ধরনের অডিটের আওতায় পড়েন। তাই আমরা ঝুঁকিভিত্তিক অডিট সিস্টেমে যেতে চাই। যতদিন পর্যন্ত ডিজিটাল সিস্টেম প্রবর্তন করা যাবে না, ততদিন ম্যানুয়াল ভ্যাট অডিট বন্ধ থাকবে। প্রয়োজন হলে কেয়ামত পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।”

তিনি আরও বলেন, অটোমেটেড সিস্টেম ছাড়া অডিট কার্যকর করা সম্ভব নয়।

চলতি আলোচনায় এনবিআর চেয়ারম্যান ন্যূনতম করকে ‘কালাকানুন’ হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “বিজনেসে কর মূলত মুনাফার ওপর নির্ভর করা উচিত। কিন্তু ন্যূনতম কর ধার্য করা হয়েছে, যা আদায় কমিয়ে দিতে পারে। আমাদের কর জিডিপি অনুপাত ক্রমশ কমছে, যা দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য উদ্বেগের বিষয়।”

মো. আবদুর রহমান জানান, পাকিস্তানের কর জিডিপি অনুপাত ১২.২% হলেও বাংলাদেশ গত বছর ছিল ৭.৪%, এবং এ বছর কমে ৬.৬% হয়েছে। কর আহরণ ও ঋণ পরিশোধের জন্য এটি একটি বড় চ্যালেঞ্জ।

তিনি বলেন, “আমরা অনেক ছাড় দিয়েছি, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের উৎসাহিত করতে কর অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এর ফলে কর জিডিপি অনুপাত বাড়ানো সম্ভব হচ্ছে না। ব্যবসায়ীরা কর ছাড়ের সময়সীমা শেষ হলেও পুনরায় সুবিধা চাচ্ছেন, যা সঠিক নয়।”

চূড়ান্তভাবে এনবিআর চেয়ারম্যান উল্লেখ করেন, “আমরা স্বচ্ছ ট্যাক্স অ্যাডমিনিস্ট্রেশন প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছি এবং সব সমস্যার সমাধান করতে হবে।”