প্রফেসর কলিমউল্লাহসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা
- সর্বশেষ আপডেট ০৫:০০:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ জুন ২০২৫
- / 151
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি উন্নয়ন প্রকল্পে নকশা পরিবর্তন, অর্থ আত্মসাৎ, এবং ঠিকাদারকে অগ্রিম বিল প্রদানের মতো গুরুতর অভিযোগে সাবেক দুই উপাচার্যসহ মোট পাঁচজনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) মামলা করেছে।
বুধবার, ১৮ জুন ২০২৫, গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন দুদকের মহাপরিচালক আক্তার হোসেন।
মামলার আসামিরা হলেন: সাবেক উপাচার্য ও প্রকল্প পরিচালক এ কে এম নূর-উন-নবী, সাবেক উপাচার্য নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ, সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর আলম, ঠিকাদার আ. সালাম বাচ্চু এবং ঠিকাদার এম এম হাবিবুর রহমান।
দুদকের অভিযোগ অনুযায়ী, আসামিরা পরস্পরের যোগসাজশে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন প্রকল্পে অনুমোদিত নকশা উপেক্ষা করে পরিবর্তন এনেছেন। তারা প্রায় ৩০ কোটি টাকার চুক্তি সম্পাদন করেছেন মন্ত্রণালয় বা বিভাগের অনুমোদন ছাড়াই।
এছাড়া অভিযোগ রয়েছে, ঠিকাদারের রানিং বিল থেকে কর্তন করা নিরাপত্তা জামানতের অর্থ এফডিআর আকারে ব্যাংকে জমা রেখে তা গ্যারান্টি হিসেবে ব্যবহার করে লোন নিতে সহায়তা করা হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয় তথা সরকার প্রায় ৪ কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়।
আরও অভিযোগ রয়েছে, কোনো অগ্রিম অর্থ প্রদানের অনুমোদন না থাকলেও ব্যাংক গ্যারান্টির মাধ্যমে ঠিকাদারকে অগ্রিম বিল দেওয়া হয়। এমনকি সেই বিলের বিপরীতে দেওয়া গ্যারান্টি সমন্বয়ের আগেই তা অবমুক্ত করা হয়।
ড্রইং বা ডিজাইন সংক্রান্ত বিষয়ে প্রথম পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের সুপারিশ এড়িয়ে দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠানকে নিয়োগ দেওয়া হয় নিয়মবহির্ভূতভাবে। পাশাপাশি পিপিআর ২০০৮-এর নিয়ম অনুসরণ না করে ফ্রন্ট লোডিংসহ অস্বাভাবিক মূল্য দাখিল হলেও দরপত্র মূল্যায়ন করা হয়নি।
এই কর্মকাণ্ড দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭ এর ৫(২) ধারা এবং দণ্ডবিধির ৪০৯ ও ১০৯ ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়েছে বলে জানিয়েছে দুদক।
































