পেঁয়াজের দাম কমেনি, সবজিও কিছুটা বাড়তি
- সর্বশেষ আপডেট ১০:১৭:৫৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ নভেম্বর ২০২৫
- / 81
রাজধানীর বাজারে এখনো চড়া দরেই বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ। গত দুই সপ্তাহ ধরে নিত্যপ্রয়োজনীয় এ পণ্যটির দাম বাড়তি। এছাড়া হঠাত্ করেই দাম বেড়েছে প্রায় সব ধরনের সবজি।
ব্যবসায়ীরা বলেছেন, বাজারে চাহিদা অনুযায়ী পেঁয়াজের সরবরাহ কমায় দাম বেড়েছে। ডিসেম্বর মাসে নতুন মুড়িকাটা পেঁয়াজ বাজারে আসবে। তার আগে দাম কমার সুযোগ নেই। তবে সরকার যদি পেঁয়াজ আমদানির সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে দাম কমতে পারে।
শুক্রবার রাজধানীর শান্তিনগর ও কাওরানবাজারসহ কয়েকটি বাজারে খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, প্রতি কেজি পেঁয়াজ ১০০ থেকে ১২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। যা দুই সপ্তাহ আগে ৭০ থেকে ৮০ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়েছে। অর্থাত্, দুই সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজি পেঁয়াজে দাম বেড়েছে ৩০ থেকে ৪০ টাকা। সরকারের বিপণন সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশও (টিসিবি) তাদের বাজারদরের প্রতিবেদনে পেঁয়াজের দাম বাড়ার এ তথ্য জানিয়েছে।
কাওরানবাজারের পেঁয়াজ ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম বলেন, দেশি পেঁয়াজের মৌসুম অনেক আগেই শেষ হয়ে গেছে। মজুতকৃত পেঁয়াজও এখন শেষের দিকে। ফলে প্রতি বছরই এ সময় বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহে একটু ঘাটতি থাকে। সরকার যদি পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেয়, তাহলে দাম কমে আসবে। উল্লেখ্য, গত সপ্তাহের শুরুতে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন সচিবালয়ে সাংবাদিকদের বলেছিলেন, চলতি সপ্তাহের মধ্যে (গত সপ্তাহ) পেঁয়াজের দাম না কমলে আমদানির সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। কিন্তু গতকাল পর্যন্ত পেঁয়াজ আমদানির বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।
বাজারে বিভিন্ন ধরনের সবজির মধ্যে প্রতি কেজি করলা ৮০ টাকা, পটল ৬০ টাকা, কাঁকরোল, ঝিঙে ৬০ থেকে ৮০ টাকার মধ্যে বিক্রি হতে দেখা গেছে। এছাড়া, ঢ্যাঁড়স, চিচিঙ্গা, ধুন্দুল ৫০ থেকে ৬০ টাকা, দেশি শশা ৫০ থেকে ৬০ টাকা, মুলা ৩০ থেকে ৪০ টাকা, আলু ২০ থেকে ২৫ টাকা, বেগুন ৮০ থেকে ১৪০ টাকায়, টম্যাটো ১২০ থেকে ১৪০ টাকায় বিক্রি হয়। এছাড়া শিম প্রতি কেজি ৮০ থেকে ১০০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। যা গত সপ্তাহের তুলনায় কেজিতে ২০ টাকা বেশি। আর প্রতি পিস ফুলকপি ৩০ থেকে ৪০ টাকা, বাঁধাকপি ৪০ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
কাওরানবাজারের সবজি বিক্রেতা ষাটোর্ধ আমিনুল বলেন, বাজারে শীতকালীন সবজির সরবরাহ বাড়ায় দাম অনেকটাই কমেছিল। কিন্তু রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে সবজি নিয়ে ঢাকায় ট্রাক আসতে চাচ্ছে না। ফলে রাজধানীর বাজারগুলোতে চাহিদা অনুযায়ী সবজির সরবরাহ কমেছে। তবে এটা সাময়িক। আগামী সপ্তাহেই হয়তো এটা ঠিক হয়ে যাবে।































