ঢাকা ০৯:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পৃথক করা হলো বিচার বিভাগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৮:২৬:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫
  • / 85

আইন মন্ত্রণালয়

বিচার বিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সরকার ‘সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ, ২০২৫’ জারি করেছে। এই অধ্যাদেশ কার্যকর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিচার বিভাগ আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাহী বিভাগ থেকে সম্পূর্ণ পৃথক হলো।

রোববার রাষ্ট্রপতির অনুমোদন নিয়ে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত অধ্যাদেশ প্রকাশ করা হয়। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আদালত প্রশাসনকে স্বতন্ত্র কাঠামোর আওতায় আনাই এই সিদ্ধান্তের প্রধান উদ্দেশ্য। এর আগে ২০ নভেম্বর অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ অধ্যাদেশটির খসড়া অনুমোদন দেয়।

২০২৪ সালের ২৭ অক্টোবর প্রধান বিচারপতির উদ্যোগে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট একটি পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব সরকারকে পাঠায়। সেখানে সংবিধানের ১০৯ অনুচ্ছেদ বাস্তবায়ন এবং অধস্তন আদালত ও ট্রাইব্যুনালের ওপর হাইকোর্ট বিভাগের তত্ত্বাবধানকে আরও কার্যকর করতে প্রয়োজনীয় কাঠামো, অর্গানোগ্রাম ও রুলস অব বিজনেস সংশোধনের সুপারিশ করা হয়েছিল।

অধ্যাদেশ জারির ফলে সুপ্রিম কোর্টের জন্য বহুদিনের প্রত্যাশিত পৃথক সচিবালয় এখন বাস্তবে রূপ নিল।

এর আগে ২ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টের এক রায়ে বিচারকদের নিয়ন্ত্রণ, পদায়ন, পদোন্নতি, ছুটি ও শৃঙ্খলাজনিত ক্ষমতা সুপ্রিম কোর্টের অধীনে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদের পরবর্তীকালের সংশোধনী অবৈধ ঘোষণা করে আদালত বাহাত্তরের সংবিধানের মূল অবস্থান পুনর্বহাল করেন। একই রায়ে তিন মাসের মধ্যে পৃথক সচিবালয় গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

এই নির্দেশনার ধারাবাহিকতায় নতুন অধ্যাদেশ জারি করে বিচার বিভাগকে সম্পূর্ণ স্বাধীন প্রশাসনিক কাঠামোর আওতায় নিয়ে আসা হলো।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

পৃথক করা হলো বিচার বিভাগ

সর্বশেষ আপডেট ০৮:২৬:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫

বিচার বিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সরকার ‘সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ, ২০২৫’ জারি করেছে। এই অধ্যাদেশ কার্যকর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিচার বিভাগ আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাহী বিভাগ থেকে সম্পূর্ণ পৃথক হলো।

রোববার রাষ্ট্রপতির অনুমোদন নিয়ে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত অধ্যাদেশ প্রকাশ করা হয়। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আদালত প্রশাসনকে স্বতন্ত্র কাঠামোর আওতায় আনাই এই সিদ্ধান্তের প্রধান উদ্দেশ্য। এর আগে ২০ নভেম্বর অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ অধ্যাদেশটির খসড়া অনুমোদন দেয়।

২০২৪ সালের ২৭ অক্টোবর প্রধান বিচারপতির উদ্যোগে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট একটি পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব সরকারকে পাঠায়। সেখানে সংবিধানের ১০৯ অনুচ্ছেদ বাস্তবায়ন এবং অধস্তন আদালত ও ট্রাইব্যুনালের ওপর হাইকোর্ট বিভাগের তত্ত্বাবধানকে আরও কার্যকর করতে প্রয়োজনীয় কাঠামো, অর্গানোগ্রাম ও রুলস অব বিজনেস সংশোধনের সুপারিশ করা হয়েছিল।

অধ্যাদেশ জারির ফলে সুপ্রিম কোর্টের জন্য বহুদিনের প্রত্যাশিত পৃথক সচিবালয় এখন বাস্তবে রূপ নিল।

এর আগে ২ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টের এক রায়ে বিচারকদের নিয়ন্ত্রণ, পদায়ন, পদোন্নতি, ছুটি ও শৃঙ্খলাজনিত ক্ষমতা সুপ্রিম কোর্টের অধীনে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদের পরবর্তীকালের সংশোধনী অবৈধ ঘোষণা করে আদালত বাহাত্তরের সংবিধানের মূল অবস্থান পুনর্বহাল করেন। একই রায়ে তিন মাসের মধ্যে পৃথক সচিবালয় গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

এই নির্দেশনার ধারাবাহিকতায় নতুন অধ্যাদেশ জারি করে বিচার বিভাগকে সম্পূর্ণ স্বাধীন প্রশাসনিক কাঠামোর আওতায় নিয়ে আসা হলো।