পুলিশ হেফাজতে ইমরান খানের ৩ বোন
- সর্বশেষ আপডেট ০২:৪২:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫
- / 115
পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডি পুলিশ পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খানের তিন বোনকে মঙ্গলবার গ্রেপ্তার করে। স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, নির্ধারিত দিনে আদিয়ালা কারাগারে ইমরান খান ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করার অনুমতি না দেওয়ায় বোনেরা অবস্থান ধর্মঘট শুরু করেন। ফ্যাক্টরি চেকপয়েন্টের কাছে এই অবস্থান ধর্মঘট শুরু হয়।
পাকিস্তানভিত্তিক সংবাদমাধ্যম এক্সপ্রেস ট্রিবিউন জানিয়েছে, পুলিশ আলোচনা করলেও ইমরান খানের বোন আলিমা ধর্মঘট শেষ করতে অস্বীকৃতি জানান।
তিনি বরং ইমরান খানের সঙ্গে দেখা করার সময় নির্ধারণের দাবিতে জোর দেন। এরপর কর্তৃপক্ষ প্রথমে পুরুষ কর্মীদের সরিয়ে দেয় এবং মধ্যরাতে নারী পুলিশ ইউনিট এসে ইমরান খানের বোনদের হেফাজতে নিয়ে একটি পুলিশ ভ্যানে করে নিয়ে যায়।
এই পদক্ষেপের পর ১০ ঘণ্টাব্যাপী অবস্থান কর্মসূচি শেষ হয় এবং বাকি কর্মীরা শান্তিপূর্ণভাবে ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়।
সামাজিক মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে পিটিআই অভিযোগ করে, ইমরান খানের বোনরা শান্তিপূর্ণভাবে আদিয়ালা কারাগারের বাইরে বসে থাকাকালে পুলিশ জোর করে তাদের আটক করেছে।
বিবৃতিতে আরও অভিযোগ করা হয়, খাইবার পাখতুনখোয়ার প্রাদেশিক মন্ত্রী মীনা খান আফরিদি, এমপি শাহিদ খাটকসহ দলের আরও বেশ কিছু নেতা-কর্মী—এমনকি নারী কর্মীরাও—সহিংসতার শিকার হয়ে আটক হয়েছেন।
বিরোধী জোট তেহরিক তাহাফফুজ-এ-আইন-এ-পাকিস্তান (টিটিএএপি)–এর নেতা আল্লামা রাজা নাসির আব্বাস ইমরান খানের বোন এবং অন্যান্য নারী কর্মীদের ওপর পুলিশের কথিত আচরণের তীব্র নিন্দা জানান। আব্বাস প্রশ্ন তোলেন, এ ধরনের ঘটনার নৈতিক বা ধর্মীয় কোনো যুক্তি থাকতে পারে কি না।
তিনি বলেন, এটি মানবতা, বিশ্বাস ও নৈতিকতার সব নীতি লঙ্ঘন করে। নারীদের সঙ্গে এমন আচরণ গ্রহণযোগ্য নয় এবং এটি ‘রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার গুরুতর অপব্যবহার’ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
টিটিএএপি নেতা আরও অভিযোগ করেন, পাঞ্জাব পুলিশ প্রাদেশিক সরকারের নির্দেশে এই হামলা চালিয়েছে। তিনি ঘটনাটিকে ‘মানবতার মুখে চপেটাঘাত’ এবং ‘বিপজ্জনক ও দমনমূলক মানসিকতার প্রতিফলন’ হিসেবে উল্লেখ করেন।
পাঞ্জাব সরকার কিংবা পুলিশ এ অভিযোগগুলো নিয়ে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।
সূত্র : এক্সপ্রেস ট্রিবিউন




































