পুনঃতফসিল চান তামিম প্যানেলের প্রার্থীরা
- সর্বশেষ আপডেট ০৭:৩৪:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ অক্টোবর ২০২৫
- / 63
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচনকে ঘিরে নাটকীয়তার শেষ নেই। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের পর এবার নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানো প্রার্থীরা পুরো নির্বাচনী প্রক্রিয়া পুনঃতফসিল বা নতুন সূচি ঘোষণার দাবি তুলেছেন। তাদের মতে, এটি কোনো ভুল সিদ্ধান্ত নয়, বরং নির্বাচনী প্রক্রিয়ার অস্বচ্ছতার বিরুদ্ধে একটি প্রতিবাদ। দেশের ক্রিকেটের বৃহত্তর স্বার্থে একটি গ্রহণযোগ্য বোর্ড গঠনে ক্রীড়া উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ প্রয়োজন বলেও তারা মনে করেন।
বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে এই প্রস্তাব তুলে ধরেন সংগঠক রফিকুল ইসলাম বাবু, ইয়াসির আব্বাসসহ নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানো অন্যান্য প্রার্থীরা।
মনোনয়ন প্রত্যাহার নিয়ে প্রশ্ন করা হলে রফিকুল ইসলাম বাবু বলেন, “এটা ভুল সিদ্ধান্ত নয়। আমরা প্রতিবাদের অংশ হিসেবেই এটা করেছি। তবে এর সমাধানও আছে। চাই পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়া নতুন করে সাজানো হোক, যেন নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ না হয় এবং সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হয়।” তিনি আরও বলেন, “দেশ-বিদেশের নজর এখন এই নির্বাচনের দিকে। তাই সময় বাড়িয়ে রি-শিডিউল করা দরকার।”
তামিম ইকবালের অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন করা হলে সরাসরি উত্তর না দিয়ে বাবু বলেন, “আমি সবার পক্ষ থেকেই বলছি। এখানে কেউ আলাদা ইস্যু নয়, তামিমও না। ক্রিকেটের স্বার্থেই আমরা সবাই একই অবস্থানে আছি।”
সংগঠকদের দাবি, বর্তমান নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অনেক যোগ্য সংগঠক বাদ পড়েছেন। ইয়াসির আব্বাস বলেন, “নির্বাচনের আগেই এটি প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে গেছে। এমন অবস্থায় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এই নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হবে না।”
তারা মনে করেন, পুনঃতফসিলের মাধ্যমে একটি স্বচ্ছ ও অংশগ্রহণমূলক পরিবেশ তৈরি হলে দেশের ক্রিকেট একটি সুন্দর ও গ্রহণযোগ্য বোর্ড পাবে।
তামিম ইকবালের সাম্প্রতিক মন্তব্য—“ক্রিকেটে ফিক্সিং বন্ধের আগে নির্বাচনে ফিক্সিং বন্ধ করুন”—নিয়ে সাংবাদিকরা প্রশ্ন তুললে রফিকুল ইসলাম বাবু বলেন, “ক্রীড়া উপদেষ্টা দেশের ক্রিকেটের অভিভাবক। তিনি কোনো পক্ষ নন। আমরা চাই সমস্যার সমাধান তার মাধ্যমেই হোক।”
গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ৭ অক্টোবরের পর বর্তমান বোর্ডের মেয়াদ শেষ হলেও দায়িত্ব হস্তান্তরের জন্য আরও সময় পাওয়া যায় বলে জানান বাবু। তার মতে, ইচ্ছা করলে বর্তমান পরিচালকরা অতিরিক্ত সময় পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করতে পারেন।
সংগঠকরা জানান, তারা সংঘাত চান না; বরং একটি সম্মানজনক সমাধান খুঁজছেন। ক্রীড়া উপদেষ্টা আলোচনার আহ্বান জানালে তারা আলোচনায় বসতে প্রস্তুত, যেন দেশের ক্রিকেট স্থিতিশীল পথে এগিয়ে যায়।
































