ঢাকা ০৬:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
স্বাধীন তদন্ত কমিশন

পিলখানা হত্যাকাণ্ডে রাজনৈতিক নেতাদের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ১২:৩১:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ জুন ২০২৫
  • / 290

মেজর জেনারেল (অব.) আ ল ম ফজলুর রহমান

পিলখানা হত্যাকাণ্ডে তৎকালীন রাজনৈতিক নেতাদের জড়িত থাকার তথ্য পেয়েছে জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশন। বুধবার (২৫ জুন) রাজধানীর সায়েন্স ল্যাবরেটরির বিআরআইসিএম ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান কমিশনের সভাপতি অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল আ ল ম ফজলুর রহমান।

তিনি বলেন, “তৎকালীন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সংশ্লিষ্টতা আমরা তদন্তে পেয়েছি। তবে তদন্তের স্বার্থে এখনই কারও নাম প্রকাশ করছি না।”

কমিশন জানায়, হত্যাকাণ্ডের পর গঠিত পূর্বের সরকারি তদন্ত কমিটি দায়িত্ব পালনে চরম অবহেলা করেছে এবং অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উপেক্ষা করা হয়েছে। এছাড়া গণমাধ্যমের একাংশকে ইচ্ছাকৃতভাবে ঘটনাটি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করারও অভিযোগ করা হয়।

কমিশনের ভাষ্য অনুযায়ী, “যদি সেসময় সঠিক সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হতো, তবে হতাহতের সংখ্যা অনেক কম হতে পারত।”

এ পর্যন্ত পিলখানা ট্র্যাজেডি নিয়ে ১৫৮ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। আরও ৫০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ বাকি রয়েছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, এ ঘটনায় বর্তমানে পলাতক আওয়ামী লীগ নেতারা মির্জা আজম ও জাহাঙ্গীর কবীর নানক লিখিত সাক্ষ্য দিয়েছেন।

এ তদন্ত কমিশন বলছে, তারা পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন প্রকাশের প্রস্তুতির শেষ পর্যায়ে রয়েছে এবং এতে ঘটনার মূল নেপথ্য ও দায়ীদের সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করা হবে।

 

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

স্বাধীন তদন্ত কমিশন

পিলখানা হত্যাকাণ্ডে রাজনৈতিক নেতাদের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে

সর্বশেষ আপডেট ১২:৩১:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ জুন ২০২৫

পিলখানা হত্যাকাণ্ডে তৎকালীন রাজনৈতিক নেতাদের জড়িত থাকার তথ্য পেয়েছে জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশন। বুধবার (২৫ জুন) রাজধানীর সায়েন্স ল্যাবরেটরির বিআরআইসিএম ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান কমিশনের সভাপতি অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল আ ল ম ফজলুর রহমান।

তিনি বলেন, “তৎকালীন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সংশ্লিষ্টতা আমরা তদন্তে পেয়েছি। তবে তদন্তের স্বার্থে এখনই কারও নাম প্রকাশ করছি না।”

কমিশন জানায়, হত্যাকাণ্ডের পর গঠিত পূর্বের সরকারি তদন্ত কমিটি দায়িত্ব পালনে চরম অবহেলা করেছে এবং অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উপেক্ষা করা হয়েছে। এছাড়া গণমাধ্যমের একাংশকে ইচ্ছাকৃতভাবে ঘটনাটি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করারও অভিযোগ করা হয়।

কমিশনের ভাষ্য অনুযায়ী, “যদি সেসময় সঠিক সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হতো, তবে হতাহতের সংখ্যা অনেক কম হতে পারত।”

এ পর্যন্ত পিলখানা ট্র্যাজেডি নিয়ে ১৫৮ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। আরও ৫০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ বাকি রয়েছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, এ ঘটনায় বর্তমানে পলাতক আওয়ামী লীগ নেতারা মির্জা আজম ও জাহাঙ্গীর কবীর নানক লিখিত সাক্ষ্য দিয়েছেন।

এ তদন্ত কমিশন বলছে, তারা পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন প্রকাশের প্রস্তুতির শেষ পর্যায়ে রয়েছে এবং এতে ঘটনার মূল নেপথ্য ও দায়ীদের সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করা হবে।