ঢাকা ০৬:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
আরএসএফের বর্বরতা

পালানো পথেই ধর্ষণের শিকার ৩২ কিশোরী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১০:২২:০৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৫
  • / 122

সুদানের পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর এল-ফাশের থেকে পালিয়ে আসা কিশোরীদের ওপর মাত্র এক সপ্তাহে ৩২টি ধর্ষণের ঘটনা নথিভুক্ত করেছে দেশটির একটি চিকিৎসক সংগঠন। সুদান ডক্টরস নেটওয়ার্ক নামের সংগঠনটি রোববার (১৬ নভেম্বর) এক বিবৃতিতে জানায়, এসব ধর্ষণ ঘটেছে শহরটির ভেতরেই।

র‍্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ) শহরটি দখলের পর কিছু কিশোরীকে ধর্ষণ করা হয়, আর বাকিগুলো ঘটে পালিয়ে পাশের তাওইলা শহরে যাওয়ার পথে। এ জন্য আরএসএফকে দায়ী করে জরুরি ও স্বাধীন আন্তর্জাতিক তদন্তের আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।

পাশাপাশি তারা বেঁচে যাওয়া নারী ও সাক্ষীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং চিকিৎসা, মনোসামাজিক ও আইনি সহায়তা প্রদানের জন্য মানবিক সংস্থাগুলোর বাধাহীন প্রবেশের দাবি জানিয়েছে।

সুদান ডক্টরস নেটওয়ার্ক বিবৃতিতে বলেছে, এসব ধর্ষণ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন লঙ্ঘন এবং স্পষ্টতই যুদ্ধাপরাধ ও মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়।

তাদের মতে, আরএসএফ নিয়ন্ত্রিত এলাকাগুলোতে নারীরা যে ভয়াবহ নির্যাতন, বিশৃঙ্খলা ও শাস্তিহীনতার মুখোমুখি হচ্ছেন, এই ঘটনাগুলো তারই প্রমাণ।

২০২৩ সালের এপ্রিলে সুদানি সেনাবাহিনী ও আরএসএফের মধ্যে সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে দেশজুড়ে ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয় নেমে আসে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসেবে এখন পর্যন্ত অন্তত ৪০ হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন। বাস্তুচ্যুত হয়েছেন ১ কোটি ২০ লাখ। খবর আনাদোলু’র।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

আরএসএফের বর্বরতা

পালানো পথেই ধর্ষণের শিকার ৩২ কিশোরী

সর্বশেষ আপডেট ১০:২২:০৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৫

সুদানের পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর এল-ফাশের থেকে পালিয়ে আসা কিশোরীদের ওপর মাত্র এক সপ্তাহে ৩২টি ধর্ষণের ঘটনা নথিভুক্ত করেছে দেশটির একটি চিকিৎসক সংগঠন। সুদান ডক্টরস নেটওয়ার্ক নামের সংগঠনটি রোববার (১৬ নভেম্বর) এক বিবৃতিতে জানায়, এসব ধর্ষণ ঘটেছে শহরটির ভেতরেই।

র‍্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ) শহরটি দখলের পর কিছু কিশোরীকে ধর্ষণ করা হয়, আর বাকিগুলো ঘটে পালিয়ে পাশের তাওইলা শহরে যাওয়ার পথে। এ জন্য আরএসএফকে দায়ী করে জরুরি ও স্বাধীন আন্তর্জাতিক তদন্তের আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।

পাশাপাশি তারা বেঁচে যাওয়া নারী ও সাক্ষীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং চিকিৎসা, মনোসামাজিক ও আইনি সহায়তা প্রদানের জন্য মানবিক সংস্থাগুলোর বাধাহীন প্রবেশের দাবি জানিয়েছে।

সুদান ডক্টরস নেটওয়ার্ক বিবৃতিতে বলেছে, এসব ধর্ষণ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন লঙ্ঘন এবং স্পষ্টতই যুদ্ধাপরাধ ও মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়।

তাদের মতে, আরএসএফ নিয়ন্ত্রিত এলাকাগুলোতে নারীরা যে ভয়াবহ নির্যাতন, বিশৃঙ্খলা ও শাস্তিহীনতার মুখোমুখি হচ্ছেন, এই ঘটনাগুলো তারই প্রমাণ।

২০২৩ সালের এপ্রিলে সুদানি সেনাবাহিনী ও আরএসএফের মধ্যে সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে দেশজুড়ে ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয় নেমে আসে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসেবে এখন পর্যন্ত অন্তত ৪০ হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন। বাস্তুচ্যুত হয়েছেন ১ কোটি ২০ লাখ। খবর আনাদোলু’র।