ঢাকা ০৫:০৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পদত্যাগ করছেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৩:০২:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 85

জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিগেরু ইশিবা

জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিগেরু ইশিবা ক্ষমতাসীন দলের বিভাজন এড়াতে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানা গেছে।

 

রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) দেশটির গণমাধ্যমে বিষয়টি প্রকাশিত হলেও, প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের একজন মুখপাত্র তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেননি। তবে ইশিবা স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টায় সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিস্তারিত ঘোষণা করবেন।

 

শিগেরু ইশিবা গত বছরের সেপ্টেম্বরে ক্ষমতায় আসার পর থেকে জোট সংসদের উভয় কক্ষের নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছেন। ভোটারদের মধ্যে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির ক্ষোভ তার জনপ্রিয়তায় প্রভাব ফেলেছে।

 

চলতি বছরের জুলাইয়ে উচ্চকক্ষ নির্বাচনে হারের পর দলের ভেতর থেকে পদত্যাগের আহ্বান উঠলেও তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেছিলেন।

 

রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার প্রভাবে গত সপ্তাহে ইয়েন ও জাপানি সরকারি বন্ডের বাজারে বড় ধস নামতে দেখা গেছে। বুধবার ৩০ বছরের বন্ডের ফলন ইতিহাসে সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছেছে।

 

এদিকে, ক্ষমতাসীন লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি (এলডিপি) সোমবার নেতৃত্ব নির্বাচনের জন্য বিশেষ ভোট আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেয়ার পর ইশিবার ভবিষ্যৎ নিয়ে জল্পনা আরও বেড়ে গেছে। বাজার বিশেষ করে ইশিবার স্থলাভিষিক্ত হিসেবে তুলনামূলক শিথিল আর্থিক ও মুদ্রানীতি সমর্থনকারী নেতাদের দিকে নজর দিচ্ছে। বিশেষ করে সানায়ে তাকাইচি এই প্রার্থী হিসেবে সমালোচিত, যিনি ব্যাংক অব জাপানের সুদ বৃদ্ধির পদক্ষেপের কঠোর সমালোচক।

 

এলডিপির নেতৃত্ব নির্বাচনের শেষ রাউন্ডে ইশিবা তাকাইচিকে অল্প ব্যবধানে পরাজিত করেছিলেন। যদি ইশিবা পদত্যাগ করেন, তবে তার শেষ কাজ হবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত সাম্প্রতিক বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করা। এই চুক্তির অধীনে জাপান ৫৫০ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে এবং বিনিময়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জাপানের গাড়ি শিল্পে শুল্ক কমানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

পদত্যাগ করছেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী

সর্বশেষ আপডেট ০৩:০২:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিগেরু ইশিবা ক্ষমতাসীন দলের বিভাজন এড়াতে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানা গেছে।

 

রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) দেশটির গণমাধ্যমে বিষয়টি প্রকাশিত হলেও, প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের একজন মুখপাত্র তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেননি। তবে ইশিবা স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টায় সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিস্তারিত ঘোষণা করবেন।

 

শিগেরু ইশিবা গত বছরের সেপ্টেম্বরে ক্ষমতায় আসার পর থেকে জোট সংসদের উভয় কক্ষের নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছেন। ভোটারদের মধ্যে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির ক্ষোভ তার জনপ্রিয়তায় প্রভাব ফেলেছে।

 

চলতি বছরের জুলাইয়ে উচ্চকক্ষ নির্বাচনে হারের পর দলের ভেতর থেকে পদত্যাগের আহ্বান উঠলেও তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেছিলেন।

 

রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার প্রভাবে গত সপ্তাহে ইয়েন ও জাপানি সরকারি বন্ডের বাজারে বড় ধস নামতে দেখা গেছে। বুধবার ৩০ বছরের বন্ডের ফলন ইতিহাসে সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছেছে।

 

এদিকে, ক্ষমতাসীন লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি (এলডিপি) সোমবার নেতৃত্ব নির্বাচনের জন্য বিশেষ ভোট আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেয়ার পর ইশিবার ভবিষ্যৎ নিয়ে জল্পনা আরও বেড়ে গেছে। বাজার বিশেষ করে ইশিবার স্থলাভিষিক্ত হিসেবে তুলনামূলক শিথিল আর্থিক ও মুদ্রানীতি সমর্থনকারী নেতাদের দিকে নজর দিচ্ছে। বিশেষ করে সানায়ে তাকাইচি এই প্রার্থী হিসেবে সমালোচিত, যিনি ব্যাংক অব জাপানের সুদ বৃদ্ধির পদক্ষেপের কঠোর সমালোচক।

 

এলডিপির নেতৃত্ব নির্বাচনের শেষ রাউন্ডে ইশিবা তাকাইচিকে অল্প ব্যবধানে পরাজিত করেছিলেন। যদি ইশিবা পদত্যাগ করেন, তবে তার শেষ কাজ হবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত সাম্প্রতিক বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করা। এই চুক্তির অধীনে জাপান ৫৫০ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে এবং বিনিময়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জাপানের গাড়ি শিল্পে শুল্ক কমানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।