ঢাকা ০৫:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পটুয়াখালীর মহিপুরে ‘ভূয়া’ চিকিৎসককে কারাদন্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক, কলাপাড়া (পটুয়াখালী)
  • সর্বশেষ আপডেট ১০:০৩:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 148

ভূয়া চিকিৎসক হারুন অর রশীদ। ছবি: বাংলা অ্যাফেয়ার্স

পটুয়াখালীর মহিপুরে এক ভূয়া চিকিৎসককে এক মাসের কারাদন্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত। হারুন অর রশীদ নামের ওই ব্যক্তি সদরের এশিয়া ডেন্টাল সেবা কেন্দ্রে নিজেকে চিকিৎসক দাবি করে প্রতারণা দাবি করে আসছিলেন।

 

অভিযোগ ওঠার পর মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় অভিযান চালিয়ে বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিল আইন ২০১০-এর ২৯ ধারায় তাকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

 

কলাপাড়া উপজেলা ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইয়াসিন সাদেক বলেন, “মহিপুর সদরের এশিয়া ডেন্টাল সেন্টারে হারুন অর রশীদ নামের এক ভূয়া ডাক্তার দীর্ঘদিন ধরে রোগীদের সঙ্গে প্রতারণা করছিল। বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিল আইন অনুযায়ী তাকে এক মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।”

 

মহিপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) অনিমেষ হালদার জানান, “ভ্রাম্যমাণ আদালতের রায় ঘোষণার পর ভূয়া ডাক্তারকে থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

 

জানা যায়, হারুন অর রশীদ দীর্ঘ ছয় বছর ধরে নামের আগে “ডাক্তার” লিখে সাধারণ মানুষকে প্রতারণা করে আসছিলেন। তিনি তিনশত থেকে পাঁচশত টাকা পর্যন্ত ভিজিট নিয়ে রোগী দেখতেন। অথচ দাঁতের চিকিৎসক না হয়েও ভাইয়ের ব্যবস্থাপত্রে চোখের চিকিৎসা দিতেন। অন্যদিকে তার ভাই আব্দুল হাকিম কলাপাড়ায় দাঁতের চিকিৎসক সেজে আবার মহিপুরে চক্ষু চিকিৎসক পরিচয়ে প্রতারণা চালাতেন।

 

এর আগে গত মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে চার বছরের শিশু আদনানকে চিকিৎসা করাতে গিয়ে বিপাকে পড়েন তার পরিবার। চক্ষু সেবা কেন্দ্রের মালিক ডাক্তার আব্দুল হাকিমের কাছে রোগী নিয়ে গেলে তাকে না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা সাইনবোর্ডে দেওয়া নম্বরে যোগাযোগ করেন। ফোনে হাকিম পরিচয় দিলেও কিছুক্ষণ পর তার ভাই হারুন এসে হাকিম সেজে চিকিৎসা দেন। পরে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসলে এলাকাজুড়ে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

পটুয়াখালীর মহিপুরে ‘ভূয়া’ চিকিৎসককে কারাদন্ড

সর্বশেষ আপডেট ১০:০৩:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

পটুয়াখালীর মহিপুরে এক ভূয়া চিকিৎসককে এক মাসের কারাদন্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত। হারুন অর রশীদ নামের ওই ব্যক্তি সদরের এশিয়া ডেন্টাল সেবা কেন্দ্রে নিজেকে চিকিৎসক দাবি করে প্রতারণা দাবি করে আসছিলেন।

 

অভিযোগ ওঠার পর মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় অভিযান চালিয়ে বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিল আইন ২০১০-এর ২৯ ধারায় তাকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

 

কলাপাড়া উপজেলা ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইয়াসিন সাদেক বলেন, “মহিপুর সদরের এশিয়া ডেন্টাল সেন্টারে হারুন অর রশীদ নামের এক ভূয়া ডাক্তার দীর্ঘদিন ধরে রোগীদের সঙ্গে প্রতারণা করছিল। বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিল আইন অনুযায়ী তাকে এক মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।”

 

মহিপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) অনিমেষ হালদার জানান, “ভ্রাম্যমাণ আদালতের রায় ঘোষণার পর ভূয়া ডাক্তারকে থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

 

জানা যায়, হারুন অর রশীদ দীর্ঘ ছয় বছর ধরে নামের আগে “ডাক্তার” লিখে সাধারণ মানুষকে প্রতারণা করে আসছিলেন। তিনি তিনশত থেকে পাঁচশত টাকা পর্যন্ত ভিজিট নিয়ে রোগী দেখতেন। অথচ দাঁতের চিকিৎসক না হয়েও ভাইয়ের ব্যবস্থাপত্রে চোখের চিকিৎসা দিতেন। অন্যদিকে তার ভাই আব্দুল হাকিম কলাপাড়ায় দাঁতের চিকিৎসক সেজে আবার মহিপুরে চক্ষু চিকিৎসক পরিচয়ে প্রতারণা চালাতেন।

 

এর আগে গত মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে চার বছরের শিশু আদনানকে চিকিৎসা করাতে গিয়ে বিপাকে পড়েন তার পরিবার। চক্ষু সেবা কেন্দ্রের মালিক ডাক্তার আব্দুল হাকিমের কাছে রোগী নিয়ে গেলে তাকে না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা সাইনবোর্ডে দেওয়া নম্বরে যোগাযোগ করেন। ফোনে হাকিম পরিচয় দিলেও কিছুক্ষণ পর তার ভাই হারুন এসে হাকিম সেজে চিকিৎসা দেন। পরে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসলে এলাকাজুড়ে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়।