ঢাকা ০৪:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পটুয়াখালীতে ছেলের হাতে সৎ মা ও দাদি খুন

নিজস্ব প্রতিবেদক, পটুয়াখালী
  • সর্বশেষ আপডেট ০৬:০৭:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ জুন ২০২৫
  • / 198

পটুয়াখালীতে ছেলের হাতে সৎ মা ও দাদি খুন

পটুয়াখালীতে সৎ মা সহিদা বেগম (৪৮) ও দাদি কুলসুম বিবি (১২৫)-কে দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে আল-আমিন (২৭) নামের এক মানসিক ভারসাম্যহীন যুবক।

শুক্রবার দুপুর একটার দিকে সদর উপজেলার মাদারবুনিয়া ইউনিয়নের চারাবুনিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পরপরই পলাতক রয়েছে ওই যুবক। সে ওই গ্রামের আবদুর রাজ্জাক খানের ছেলে

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বেশ কিছুদিন আগে আল-আমিন তার নিজ বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়। পরে তাকে ৩ থেকে ৪ দিন আগে খুঁজে পেয়ে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। আল-আমিনকে পাবনা মানসিক হাসপাতালে প্রেরণের জন্য দুপুরে তার বড় ভাই পরিচয়পত্র সংগ্রহে মহিলা ইউপি সদস্যের কাছে যান। এ সময় তার পিতা কাজের উদ্দেশ্যে বাইরে যান। এ সুযোগে আল-আমিন তার সৎ মা ও দাদিকে ঘরে একা পেয়ে কুপিয়ে ও জবাই করে হত্যা করে।

পটুয়াখালী জেলা পুলিশ সুপার মোঃ আনোয়ার জাহিদ বলেন, “লাশ ময়নাতদন্তে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। অভিযুক্ত আল-আমিনকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।”

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

পটুয়াখালীতে ছেলের হাতে সৎ মা ও দাদি খুন

সর্বশেষ আপডেট ০৬:০৭:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ জুন ২০২৫

পটুয়াখালীতে সৎ মা সহিদা বেগম (৪৮) ও দাদি কুলসুম বিবি (১২৫)-কে দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে আল-আমিন (২৭) নামের এক মানসিক ভারসাম্যহীন যুবক।

শুক্রবার দুপুর একটার দিকে সদর উপজেলার মাদারবুনিয়া ইউনিয়নের চারাবুনিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পরপরই পলাতক রয়েছে ওই যুবক। সে ওই গ্রামের আবদুর রাজ্জাক খানের ছেলে

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বেশ কিছুদিন আগে আল-আমিন তার নিজ বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়। পরে তাকে ৩ থেকে ৪ দিন আগে খুঁজে পেয়ে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। আল-আমিনকে পাবনা মানসিক হাসপাতালে প্রেরণের জন্য দুপুরে তার বড় ভাই পরিচয়পত্র সংগ্রহে মহিলা ইউপি সদস্যের কাছে যান। এ সময় তার পিতা কাজের উদ্দেশ্যে বাইরে যান। এ সুযোগে আল-আমিন তার সৎ মা ও দাদিকে ঘরে একা পেয়ে কুপিয়ে ও জবাই করে হত্যা করে।

পটুয়াখালী জেলা পুলিশ সুপার মোঃ আনোয়ার জাহিদ বলেন, “লাশ ময়নাতদন্তে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। অভিযুক্ত আল-আমিনকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।”