নোবেল পুরস্কারের জন্য ট্রাম্পের আগ্রাসী প্রচেষ্টা
- সর্বশেষ আপডেট ০১:৩০:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ অক্টোবর ২০২৫
- / 169
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেতে আগ্রহী এবং এ বিষয়টি তার বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে প্রতিফলিত হয়েছে। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনে তিনি দাবি করেন, ‘তিনি ছয়টি যুদ্ধ বন্ধ করে শান্তি প্রতিষ্ঠা করেছেন’ এবং এজন্য নোবেল পুরস্কার পাওয়ার যোগ্য। সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, নোবেলের জন্য ট্রাম্পের পক্ষ থেকে বিভিন্ন চাপও প্রয়োগ করা হয়েছে।
২০১০ সালে চীনের কারাবন্দি মানবাধিকার কর্মী লিউ জিয়াওবোকে নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি নোবেল শান্তি পুরস্কার দেওয়ার আগে বেইজিং কর্তৃপক্ষ কমিটিকে হুমকি দিয়েছিল। নরওয়েজিয়ান নোবেল ইনস্টিটিউটের পরিচালক ক্রিস্টিয়ান বার্গ হার্পভিকেন জানান, চীনা কর্তৃপক্ষ কমিটির স্বাধীনতা মেনে নিতে নারাজ ছিল। এ বারও নোবেল কমিটির স্বাধীন মনোভাবকে চ্যালেঞ্জ করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
ট্রাম্প কখনও প্রকাশ্যে, কখনও অপ্রকাশ্যে নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য আগ্রাসীভাবে লবিং করছেন। তিনি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে উল্লেখ করেন, ‘সবাই বলে আমি নোবেল পাওয়ার যোগ্য।’ তিনি দাবি করেন, ২০২০ সালে মধ্যপ্রাচ্যে আব্রাহাম চুক্তি সম্পাদনের সময় তার কৃতিত্ব পর্যাপ্তভাবে স্বীকৃত হয়নি।
হোয়াইট হাউসে এক মন্ত্রিসভার বৈঠকে ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ উল্লেখ করেন, ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ, কঙ্গো-রুয়ান্ডা সংঘাত, থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়া সংঘাত এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ থামানোর প্রচেষ্টার জন্য ট্রাম্পকে নোবেল দেওয়া উচিত। এছাড়া, ট্রাম্পের নোবেল দাবি ইউরোপীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে ব্যক্তিগত আলোচনাতেও উঠে এসেছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওও প্রেসিডেন্টের নোবেলের প্রচারণায় সক্রিয় ছিলেন।
নরওয়ের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এসপেন বার্থ এইড জানিয়েছেন, ট্রাম্পের নোবেল পাওয়া নির্ভর করে সম্পূর্ণভাবে নোবেল কমিটির ওপর। কমিটি স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নেবে।
































