ঢাকা ০৫:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নেহা কক্করের নামে লাখ টাকার প্রতারণা

বিনোদন ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০১:৫৯:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ নভেম্বর ২০২৫
  • / 66

ভারতের জনপ্রিয় শিল্পী নেহা কক্কর। ছবি: সংগৃহীত

বলিউডের জনপ্রিয় গায়িকা নেহা কক্করের নাম ব্যবহার করে বড় ধরনের প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে মুম্বাইয়ে। ভুয়া অনলাইন ট্রেডিং প্ল্যাটফর্মের প্রলোভনে পড়ে এক আইনজীবী হারিয়েছেন পাঁচ লাখ রুপিরও বেশি।

মুম্বাইয়ের ওরলি থানায় অভিযোগ করেছেন আইনজীবী শবনম মুহাম্মদ হুসেন সায়েদ (৪৫)। পুলিশের বরাতে জানা যায়, চলতি বছরের জুন মাসে সামাজিক মাধ্যমে একটি তথাকথিত আন্তর্জাতিক ট্রেডিং প্ল্যাটফর্মের বিজ্ঞাপন দেখেন তিনি। বিজ্ঞাপনে নেহা কক্করকে ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে দেখানো হয় এবং প্ল্যাটফর্মটিকে নির্ভরযোগ্য বিনিয়োগ মাধ্যম হিসেবে প্রচার করা হয়।

ওই ভিডিও দেখে বিশ্বাস করেন শবনম। পরে তিনি প্ল্যাটফর্মটির প্রতিনিধিদের সঙ্গে টেলিগ্রাম, জুম ও ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করেন। বিজয় ও জিমি ডিসুজা নামে দুই ব্যক্তি তাকে বিনিয়োগের পরামর্শ দেন এবং মোটা অঙ্কের মুনাফার প্রতিশ্রুতি দেন। জুন থেকে অক্টোবরের মধ্যে শবনম ধাপে ধাপে পাঁচ লাখ টাকার বেশি অর্থ পাঠান বিভিন্ন অ্যাকাউন্টে।

কিন্তু বিনিয়োগের পর কোনো রিটার্ন না পেয়ে তিনি বুঝতে পারেন প্রতারণার শিকার হয়েছেন। এরপরই থানায় মামলা করেন। পুলিশ ভারতীয় দণ্ডবিধি ও তথ্যপ্রযুক্তি আইন অনুযায়ী তদন্ত শুরু করেছে। অভিযুক্তদের খুঁজে বের করতে অনলাইন লেনদেন, কল রেকর্ড ও জুম মিটিংয়ের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

নেহা কক্করের নামে লাখ টাকার প্রতারণা

সর্বশেষ আপডেট ০১:৫৯:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ নভেম্বর ২০২৫

বলিউডের জনপ্রিয় গায়িকা নেহা কক্করের নাম ব্যবহার করে বড় ধরনের প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে মুম্বাইয়ে। ভুয়া অনলাইন ট্রেডিং প্ল্যাটফর্মের প্রলোভনে পড়ে এক আইনজীবী হারিয়েছেন পাঁচ লাখ রুপিরও বেশি।

মুম্বাইয়ের ওরলি থানায় অভিযোগ করেছেন আইনজীবী শবনম মুহাম্মদ হুসেন সায়েদ (৪৫)। পুলিশের বরাতে জানা যায়, চলতি বছরের জুন মাসে সামাজিক মাধ্যমে একটি তথাকথিত আন্তর্জাতিক ট্রেডিং প্ল্যাটফর্মের বিজ্ঞাপন দেখেন তিনি। বিজ্ঞাপনে নেহা কক্করকে ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে দেখানো হয় এবং প্ল্যাটফর্মটিকে নির্ভরযোগ্য বিনিয়োগ মাধ্যম হিসেবে প্রচার করা হয়।

ওই ভিডিও দেখে বিশ্বাস করেন শবনম। পরে তিনি প্ল্যাটফর্মটির প্রতিনিধিদের সঙ্গে টেলিগ্রাম, জুম ও ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করেন। বিজয় ও জিমি ডিসুজা নামে দুই ব্যক্তি তাকে বিনিয়োগের পরামর্শ দেন এবং মোটা অঙ্কের মুনাফার প্রতিশ্রুতি দেন। জুন থেকে অক্টোবরের মধ্যে শবনম ধাপে ধাপে পাঁচ লাখ টাকার বেশি অর্থ পাঠান বিভিন্ন অ্যাকাউন্টে।

কিন্তু বিনিয়োগের পর কোনো রিটার্ন না পেয়ে তিনি বুঝতে পারেন প্রতারণার শিকার হয়েছেন। এরপরই থানায় মামলা করেন। পুলিশ ভারতীয় দণ্ডবিধি ও তথ্যপ্রযুক্তি আইন অনুযায়ী তদন্ত শুরু করেছে। অভিযুক্তদের খুঁজে বের করতে অনলাইন লেনদেন, কল রেকর্ড ও জুম মিটিংয়ের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে।