ঢাকা ০৬:৩৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নেসলে বাংলাদেশের এমডি ও কর্মকর্তা বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৭:০৪:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৫
  • / 44

নেসলে বাংলাদেশের এমডি ও কর্মকর্তা বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

নিম্নমানের কিটক্যাট চকলেট বাজারজাতের অভিযোগে নেসলে বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক দিপাল আবে বিক্রমা ও পাবলিক পলিসি ম্যানেজার রিয়াসাদ জামানের বিরুদ্ধে নিরাপদ খাদ্য আদালত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে।

সোমবার (২৪ নভেম্বর) ম্যাজিস্ট্রেট নুসরাত সাহারা বীথি এই আদেশ দেন। আবেদনটি করেছিলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক কামরুল হাসান। মামলার পরবর্তী শুনানি ১৫ ডিসেম্বর নির্ধারিত হয়েছে।

এর আগে নিম্নমানের কিটক্যাট চকলেটের বিরুদ্ধে নেসলে বাংলাদেশের আমদানি করা কিটক্যাটের আমদানিকারক সুমাইয়া এন্টারপ্রাইজের মালিক মো. মোজাম্মেল হোসাইনকে আসামি করে মামলা করা হয়েছিল। তার বিরুদ্ধে নিরাপদ খাদ্য আইনে গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি হয়েছে।

তদন্তে চকলেটটি ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষায় দেখা যায়, চকলেটে দুধের কঠিন অংশের মান ৯.৩১ শতাংশ, যা ১২–১৪ শতাংশের চেয়ে কম। এছাড়া দুগ্ধচর্বির মান ১.২৩ শতাংশ, যা নির্ধারিত মানের চেয়ে কম। বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ ও নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ এই রিপোর্ট প্রদান করেছে।

পরবর্তীতে স্যানিটারি ইন্সপেক্টর কামরুল হাসান সম্পূরক চার্জশিট দাখিল করেন। আদালত শুনানির পর দিপাল আবে বিক্রমা ও রিয়াসাদ জামানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

নেসলে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, কিটক্যাট পণ্যটি আমদানি করা হয় এবং আমদানির সময় মান পরীক্ষা করা হয়। তবে কিটক্যাট চকলেট-কোটেড ওয়েফার হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ, যার জন্য বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের (বিএসটিআই) নির্দিষ্ট কোনো মানদণ্ড নেই। খাদ্য নিরাপত্তা আইনের অধীনে মানুষের জন্য এটি নিরাপদ বলে বিবেচনা করা হয়েছে।

স্যানিটারি ইন্সপেক্টর কামরুল হাসান বলেন, “১০ নভেম্বর স্বপ্ন এসিআই লজিস্টিক থেকে চকলেটের নমুনা সংগ্রহ করে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়। পরীক্ষায় কোনোটিই মান যথাযথ পাওয়া যায়নি। এজন্য মামলা দায়ের করা হয়েছে।”

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

নেসলে বাংলাদেশের এমডি ও কর্মকর্তা বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

সর্বশেষ আপডেট ০৭:০৪:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৫

নিম্নমানের কিটক্যাট চকলেট বাজারজাতের অভিযোগে নেসলে বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক দিপাল আবে বিক্রমা ও পাবলিক পলিসি ম্যানেজার রিয়াসাদ জামানের বিরুদ্ধে নিরাপদ খাদ্য আদালত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে।

সোমবার (২৪ নভেম্বর) ম্যাজিস্ট্রেট নুসরাত সাহারা বীথি এই আদেশ দেন। আবেদনটি করেছিলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক কামরুল হাসান। মামলার পরবর্তী শুনানি ১৫ ডিসেম্বর নির্ধারিত হয়েছে।

এর আগে নিম্নমানের কিটক্যাট চকলেটের বিরুদ্ধে নেসলে বাংলাদেশের আমদানি করা কিটক্যাটের আমদানিকারক সুমাইয়া এন্টারপ্রাইজের মালিক মো. মোজাম্মেল হোসাইনকে আসামি করে মামলা করা হয়েছিল। তার বিরুদ্ধে নিরাপদ খাদ্য আইনে গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি হয়েছে।

তদন্তে চকলেটটি ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষায় দেখা যায়, চকলেটে দুধের কঠিন অংশের মান ৯.৩১ শতাংশ, যা ১২–১৪ শতাংশের চেয়ে কম। এছাড়া দুগ্ধচর্বির মান ১.২৩ শতাংশ, যা নির্ধারিত মানের চেয়ে কম। বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ ও নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ এই রিপোর্ট প্রদান করেছে।

পরবর্তীতে স্যানিটারি ইন্সপেক্টর কামরুল হাসান সম্পূরক চার্জশিট দাখিল করেন। আদালত শুনানির পর দিপাল আবে বিক্রমা ও রিয়াসাদ জামানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

নেসলে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, কিটক্যাট পণ্যটি আমদানি করা হয় এবং আমদানির সময় মান পরীক্ষা করা হয়। তবে কিটক্যাট চকলেট-কোটেড ওয়েফার হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ, যার জন্য বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের (বিএসটিআই) নির্দিষ্ট কোনো মানদণ্ড নেই। খাদ্য নিরাপত্তা আইনের অধীনে মানুষের জন্য এটি নিরাপদ বলে বিবেচনা করা হয়েছে।

স্যানিটারি ইন্সপেক্টর কামরুল হাসান বলেন, “১০ নভেম্বর স্বপ্ন এসিআই লজিস্টিক থেকে চকলেটের নমুনা সংগ্রহ করে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়। পরীক্ষায় কোনোটিই মান যথাযথ পাওয়া যায়নি। এজন্য মামলা দায়ের করা হয়েছে।”