ঢাকা ০৯:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নেত্রকোণায় ভ্রাম্যমাণ আদালতে বাধা, ইউপি চেয়ারম্যান বরখাস্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক, নেত্রকোণা (ময়মনসিংহ)
  • সর্বশেষ আপডেট ১২:৪৬:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 39

ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রমে বাধা প্রদান এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) শাসানোর অভিযোগে নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার লেংগুড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. সাইদুর রহমান ভূইয়াকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে সরকার। তিনি কলমাকান্দা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক। রোববার (১৮ জানুয়ারি) স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

নেত্রকোণা স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপ-পরিচালক মো. আরিফুল ইসলাম সরদার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্বশীল আচরণ ও প্রশাসনকে সহযোগিতা করার পরিবর্তে চেয়ারম্যান মো. সাইদুর রহমান ভূইয়া ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি করেন। আদালত চলাকালে তিনি ম্যাজিস্ট্রেটের প্রতি বিরূপ মন্তব্য করেন এবং আদালত অবমাননাকর আচরণ প্রদর্শন করেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) এর উপস্থিতিতে পরিচালিত মোবাইল কোর্টে বাধা প্রদান ও অসম্মান করে তিনি ক্ষমতার অপব্যবহার ও অসদাচরণ করেছেন।

প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়, এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তাঁর দ্বারা ইউনিয়ন পরিষদের ক্ষমতা প্রয়োগ প্রশাসনিক দৃষ্টিকোণ থেকে আইন বহির্ভূত এবং জনস্বার্থের পরিপন্থি। এ কারণে স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন অনুযায়ী তাঁকে স্বীয় পদ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

এর আগে, ভ্রাম্যমাণ আদালত চলাকালে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন ইউপি চেয়ারম্যান মো. সাইদুর রহমান ভূইয়া। এ সময় উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে তাঁর বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে তিনি ইউএনওকে উদ্দেশ করে বলেন, আপনি কেন মোবাইল কোর্টে আসলেন? কার অনুমতিতে এসেছেন? আমাকে জানিয়ে এসেছেন? এমন বক্তব্যের মাধ্যমে প্রশাসনিক কাজে হস্তক্ষেপ ও কর্তৃত্ব দেখানোর অভিযোগ ওঠে।

এ বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান মো. সাইদুর রহমান ভূইয়া বলেন, ‘জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে কী হচ্ছে, তা জানার অধিকার আমার আছে। কিন্তু প্রশাসনের পক্ষ থেকে আমাকে কোনো তথ্য জানানো হয়নি। যাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তাদের আগে কোনো নোটিশ দেওয়া হয়নি। আমাকে যে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে, সে বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানি না।’

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

নেত্রকোণায় ভ্রাম্যমাণ আদালতে বাধা, ইউপি চেয়ারম্যান বরখাস্ত

সর্বশেষ আপডেট ১২:৪৬:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬

ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রমে বাধা প্রদান এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) শাসানোর অভিযোগে নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার লেংগুড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. সাইদুর রহমান ভূইয়াকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে সরকার। তিনি কলমাকান্দা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক। রোববার (১৮ জানুয়ারি) স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

নেত্রকোণা স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপ-পরিচালক মো. আরিফুল ইসলাম সরদার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্বশীল আচরণ ও প্রশাসনকে সহযোগিতা করার পরিবর্তে চেয়ারম্যান মো. সাইদুর রহমান ভূইয়া ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি করেন। আদালত চলাকালে তিনি ম্যাজিস্ট্রেটের প্রতি বিরূপ মন্তব্য করেন এবং আদালত অবমাননাকর আচরণ প্রদর্শন করেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) এর উপস্থিতিতে পরিচালিত মোবাইল কোর্টে বাধা প্রদান ও অসম্মান করে তিনি ক্ষমতার অপব্যবহার ও অসদাচরণ করেছেন।

প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়, এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তাঁর দ্বারা ইউনিয়ন পরিষদের ক্ষমতা প্রয়োগ প্রশাসনিক দৃষ্টিকোণ থেকে আইন বহির্ভূত এবং জনস্বার্থের পরিপন্থি। এ কারণে স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন অনুযায়ী তাঁকে স্বীয় পদ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

এর আগে, ভ্রাম্যমাণ আদালত চলাকালে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন ইউপি চেয়ারম্যান মো. সাইদুর রহমান ভূইয়া। এ সময় উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে তাঁর বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে তিনি ইউএনওকে উদ্দেশ করে বলেন, আপনি কেন মোবাইল কোর্টে আসলেন? কার অনুমতিতে এসেছেন? আমাকে জানিয়ে এসেছেন? এমন বক্তব্যের মাধ্যমে প্রশাসনিক কাজে হস্তক্ষেপ ও কর্তৃত্ব দেখানোর অভিযোগ ওঠে।

এ বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান মো. সাইদুর রহমান ভূইয়া বলেন, ‘জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে কী হচ্ছে, তা জানার অধিকার আমার আছে। কিন্তু প্রশাসনের পক্ষ থেকে আমাকে কোনো তথ্য জানানো হয়নি। যাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তাদের আগে কোনো নোটিশ দেওয়া হয়নি। আমাকে যে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে, সে বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানি না।’