ঢাকা ০৯:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নেতানিয়াহু ‘হিটলারের আত্মীয়’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৮:৪৭:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 59

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগান।

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগান ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে ‘হিটলারের আত্মীয়স্বরূপ’ আখ্যা দিয়েছেন।

 

তিনি বলেন, আলোচক দলের ওপর হামলা ছিল আন্তর্জাতিক শৃঙ্খলা ও আইনকে প্রকাশ্য চ্যালেঞ্জ। তার ভাষায়, ইসরাইলের নেতৃত্ব তাদের উগ্র মতাদর্শকে ‘ফ্যাসিবাদী হত্যাযজ্ঞের নেটওয়ার্কে’ রূপ দিয়েছে।

 

মঙ্গলবার দোহা থেকে ফেরার পথে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, যেভাবে হিটলার নিজের পরাজয়ের পূর্বাভাস দিতে পারেননি, নেতানিয়াহুও একই পরিণতির মুখোমুখি হবেন।

 

এ সময়, গত সপ্তাহে কাতারে হামাসের আলোচক দলের ওপর ইসরাইলের হামলার তীব্র নিন্দা জানান এরদোগান।

 

পশ্চিমা দেশগুলোর ফিলিস্তিন স্বীকৃতিকে স্বাগত জানিয়ে এরদোগান বলেন, এতে ইসরাইলের ওপর চাপ বাড়বে।

 

তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের আসন্ন অধিবেশনে এ বিষয়টি আবারও উত্থাপন করবেন।

 

এরদোগান লিবিয়া প্রসঙ্গেও কথা বলেন। তিনি বলেন, তুরস্ক শুরু থেকেই ত্রিপোলির বৈধ সরকারকে সমর্থন দিয়ে আসছে। পাশাপাশি পূর্ব লিবিয়ার সঙ্গেও কূটনৈতিক চ্যানেল খোলার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। এরদোগানের ভাষায়, এটি আঙ্কারার ‘বহুমাত্রিক কূটনীতি, আঞ্চলিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং শান্তির প্রতিশ্রুতির’ প্রতিফলন।

 

তিনি আরও জানান, বেনগাজি প্রশাসন যদি ত্রিপোলির সঙ্গে স্বাক্ষরিত সমুদ্রসীমা চুক্তিকে অনুমোদন করে, তবে তা আন্তর্জাতিক আইনের দৃষ্টিকোণ থেকে ‘একটি বড় অর্জন’ হবে।

 

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

নেতানিয়াহু ‘হিটলারের আত্মীয়’

সর্বশেষ আপডেট ০৮:৪৭:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগান ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে ‘হিটলারের আত্মীয়স্বরূপ’ আখ্যা দিয়েছেন।

 

তিনি বলেন, আলোচক দলের ওপর হামলা ছিল আন্তর্জাতিক শৃঙ্খলা ও আইনকে প্রকাশ্য চ্যালেঞ্জ। তার ভাষায়, ইসরাইলের নেতৃত্ব তাদের উগ্র মতাদর্শকে ‘ফ্যাসিবাদী হত্যাযজ্ঞের নেটওয়ার্কে’ রূপ দিয়েছে।

 

মঙ্গলবার দোহা থেকে ফেরার পথে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, যেভাবে হিটলার নিজের পরাজয়ের পূর্বাভাস দিতে পারেননি, নেতানিয়াহুও একই পরিণতির মুখোমুখি হবেন।

 

এ সময়, গত সপ্তাহে কাতারে হামাসের আলোচক দলের ওপর ইসরাইলের হামলার তীব্র নিন্দা জানান এরদোগান।

 

পশ্চিমা দেশগুলোর ফিলিস্তিন স্বীকৃতিকে স্বাগত জানিয়ে এরদোগান বলেন, এতে ইসরাইলের ওপর চাপ বাড়বে।

 

তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের আসন্ন অধিবেশনে এ বিষয়টি আবারও উত্থাপন করবেন।

 

এরদোগান লিবিয়া প্রসঙ্গেও কথা বলেন। তিনি বলেন, তুরস্ক শুরু থেকেই ত্রিপোলির বৈধ সরকারকে সমর্থন দিয়ে আসছে। পাশাপাশি পূর্ব লিবিয়ার সঙ্গেও কূটনৈতিক চ্যানেল খোলার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। এরদোগানের ভাষায়, এটি আঙ্কারার ‘বহুমাত্রিক কূটনীতি, আঞ্চলিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং শান্তির প্রতিশ্রুতির’ প্রতিফলন।

 

তিনি আরও জানান, বেনগাজি প্রশাসন যদি ত্রিপোলির সঙ্গে স্বাক্ষরিত সমুদ্রসীমা চুক্তিকে অনুমোদন করে, তবে তা আন্তর্জাতিক আইনের দৃষ্টিকোণ থেকে ‘একটি বড় অর্জন’ হবে।