ঢাকা ০৮:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নীলফামারীতে শ্রমিকদের সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত ১

নিজস্ব প্রতিবেদক, নীলফামারী
  • সর্বশেষ আপডেট ০২:৪৩:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 88

নীলফামারীতে শ্রমিকদের সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত ১

নীলফামারীর উত্তরা ইপিজেডে শ্রমিকদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতের নাম হাবিব ইসলাম (৩২)। তিনি নীলফামারী সদরের সংগলশী ইউনিয়নের কাজীরহাট এলাকার দুলাল হোসেনের ছেলে।

শ্রমিকরা জানান, উত্তরা ইপিজেডের এভারগ্রিন নামের একটি প্রতিষ্ঠানে ছাঁটাই বন্ধসহ বিভিন্ন দাবিতে দুই দিন ধরে আন্দোলন চলছিল। সোমবার রাতে হঠাৎ করে প্রতিষ্ঠান বন্ধের নোটিশ টানানো হলে শ্রমিকরা আরও ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। মঙ্গলবার সকালে ইপিজেডের মূল ফটকে তালা ঝুলিয়ে দিলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

একপর্যায়ে শ্রমিকদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। এতে এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। এ সময় এক শ্রমিক নিহত হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে বিক্ষোভ আরও তীব্র হয় এবং নীলফামারী-সৈয়দপুর সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তানজিরুল ইসলাম ফারহান বলেন, নিহত হাবিবকে মৃত অবস্থায় আনা হয়েছিল। তার বুকে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। পোস্টমর্টেম ছাড়া মৃত্যুর সঠিক কারণ বলা সম্ভব নয়। এছাড়া আরও আটজন আহত শ্রমিক হাসপাতালে ভর্তি আছেন।

নীলফামারী সদর থানার ওসি এম আর সাঈদ জানান, তারা এখনো ঘটনাস্থলে অবস্থান করছেন। একজন মারা যাওয়ার খবর শোনা গেলেও আনুষ্ঠানিকভাবে তা নিশ্চিত হওয়া বাকি।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

নীলফামারীতে শ্রমিকদের সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত ১

সর্বশেষ আপডেট ০২:৪৩:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৫

নীলফামারীর উত্তরা ইপিজেডে শ্রমিকদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতের নাম হাবিব ইসলাম (৩২)। তিনি নীলফামারী সদরের সংগলশী ইউনিয়নের কাজীরহাট এলাকার দুলাল হোসেনের ছেলে।

শ্রমিকরা জানান, উত্তরা ইপিজেডের এভারগ্রিন নামের একটি প্রতিষ্ঠানে ছাঁটাই বন্ধসহ বিভিন্ন দাবিতে দুই দিন ধরে আন্দোলন চলছিল। সোমবার রাতে হঠাৎ করে প্রতিষ্ঠান বন্ধের নোটিশ টানানো হলে শ্রমিকরা আরও ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। মঙ্গলবার সকালে ইপিজেডের মূল ফটকে তালা ঝুলিয়ে দিলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

একপর্যায়ে শ্রমিকদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। এতে এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। এ সময় এক শ্রমিক নিহত হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে বিক্ষোভ আরও তীব্র হয় এবং নীলফামারী-সৈয়দপুর সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তানজিরুল ইসলাম ফারহান বলেন, নিহত হাবিবকে মৃত অবস্থায় আনা হয়েছিল। তার বুকে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। পোস্টমর্টেম ছাড়া মৃত্যুর সঠিক কারণ বলা সম্ভব নয়। এছাড়া আরও আটজন আহত শ্রমিক হাসপাতালে ভর্তি আছেন।

নীলফামারী সদর থানার ওসি এম আর সাঈদ জানান, তারা এখনো ঘটনাস্থলে অবস্থান করছেন। একজন মারা যাওয়ার খবর শোনা গেলেও আনুষ্ঠানিকভাবে তা নিশ্চিত হওয়া বাকি।