ঢাকা ০১:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
কুমিল্লায় প্রেস সচিব

নির্বাচন বানচালের জন্য জ্বালাও–পোড়াও চালাচ্ছে আ. লীগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, কুমিল্লা
  • সর্বশেষ আপডেট ০২:১৭:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫
  • / 59

কুমিল্লায় প্রেস সচিব

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, আসন্ন জাতীয় নির্বাচন বানচালের উদ্দেশ্যে আওয়ামী লীগ পরিকল্পিতভাবে দেশে জ্বালাও–পোড়াও ঘটাচ্ছে। তবে ফেব্রুয়ারির প্রথম ভাগেই সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, দেশি বা বিদেশি কোনো শক্তিই তা বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না।

মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) সকালে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার কুলিয়ারা উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রেস সচিব বলেন, “আওয়ামী লীগের এক-দুটি ককটেল বা কোনো দেশি-বিদেশি শক্তি দিয়ে নির্বাচন বানচাল করা সম্ভব নয়। বাংলাদেশের জনগণ একটি মুক্ত, সুষ্ঠু ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচন দেখতে পাবে। ভোট হবে উৎসবমুখর পরিবেশে।”

তিনি আরও বলেন, “১৩ তারিখকে সামনে রেখে আওয়ামী লীগ এক ধরনের সহিংস কর্মকাণ্ডে নেমেছে। ইতোমধ্যে সাতটি বাসে আগুন দেওয়া হয়েছে। আমাদের ধারণা, এসব ঘটনাই আওয়ামী লীগ ও তাদের অঙ্গসংগঠনের সদস্যদের দ্বারা সংঘটিত। পুলিশ সতর্ক অবস্থায় আছে, এবং যারা এসব করছে তাদের কঠোরভাবে দমন করা হবে।”

শফিকুল আলম ময়মনসিংহে বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় এক ঘুমন্ত চালকের মৃত্যুর প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বলেন, “এই মর্মান্তিক ঘটনাগুলো দেখেই বোঝা যায়, নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগই এসব করছে। তাদের এই কর্মকাণ্ডই প্রমাণ করে কেন তাদেরকে সবাই ফ্যাসিস্ট বলে এবং কেন তাদের সংগঠন নিষিদ্ধ করা হয়েছিল।”

তিনি জানান, “নির্বাচনের কাউন্টডাউন শুরু হয়েছে। ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহেই ভোট হবে। এটা হবে একটি সুন্দর, শান্তিপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন। জনগণ নিজেরাই ভোট দেবে এবং একটি উৎসবমুখর পরিবেশে নিজেদের পছন্দের প্রার্থী বেছে নেবে।”

রাজনৈতিক মতপার্থক্য প্রসঙ্গে প্রেস সচিব বলেন, “রাজনীতিতে মতভেদ থাকতেই পারে, এটাকে আমরা নেতিবাচকভাবে দেখছি না। ঐক্যমত কমিশনের সঙ্গে গত নয় মাসে দেশের বড় বড় রাজনৈতিক দলগুলো সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে আলোচনা করেছে। কিছু বিষয়ে মতানৈক্য থাকলেও সবাই নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে।”

তিনি আরও জানান, বিএনপি ইতোমধ্যে ২৩৭টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে এবং জামায়াতে ইসলামীও বিভিন্ন আসনে প্রার্থী দিচ্ছে। অন্যান্য বড় দলও নির্বাচনমুখী। ফলে এবারের নির্বাচন হবে প্রতিযোগিতাপূর্ণ, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

কুমিল্লায় প্রেস সচিব

নির্বাচন বানচালের জন্য জ্বালাও–পোড়াও চালাচ্ছে আ. লীগ

সর্বশেষ আপডেট ০২:১৭:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, আসন্ন জাতীয় নির্বাচন বানচালের উদ্দেশ্যে আওয়ামী লীগ পরিকল্পিতভাবে দেশে জ্বালাও–পোড়াও ঘটাচ্ছে। তবে ফেব্রুয়ারির প্রথম ভাগেই সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, দেশি বা বিদেশি কোনো শক্তিই তা বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না।

মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) সকালে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার কুলিয়ারা উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রেস সচিব বলেন, “আওয়ামী লীগের এক-দুটি ককটেল বা কোনো দেশি-বিদেশি শক্তি দিয়ে নির্বাচন বানচাল করা সম্ভব নয়। বাংলাদেশের জনগণ একটি মুক্ত, সুষ্ঠু ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচন দেখতে পাবে। ভোট হবে উৎসবমুখর পরিবেশে।”

তিনি আরও বলেন, “১৩ তারিখকে সামনে রেখে আওয়ামী লীগ এক ধরনের সহিংস কর্মকাণ্ডে নেমেছে। ইতোমধ্যে সাতটি বাসে আগুন দেওয়া হয়েছে। আমাদের ধারণা, এসব ঘটনাই আওয়ামী লীগ ও তাদের অঙ্গসংগঠনের সদস্যদের দ্বারা সংঘটিত। পুলিশ সতর্ক অবস্থায় আছে, এবং যারা এসব করছে তাদের কঠোরভাবে দমন করা হবে।”

শফিকুল আলম ময়মনসিংহে বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় এক ঘুমন্ত চালকের মৃত্যুর প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বলেন, “এই মর্মান্তিক ঘটনাগুলো দেখেই বোঝা যায়, নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগই এসব করছে। তাদের এই কর্মকাণ্ডই প্রমাণ করে কেন তাদেরকে সবাই ফ্যাসিস্ট বলে এবং কেন তাদের সংগঠন নিষিদ্ধ করা হয়েছিল।”

তিনি জানান, “নির্বাচনের কাউন্টডাউন শুরু হয়েছে। ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহেই ভোট হবে। এটা হবে একটি সুন্দর, শান্তিপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন। জনগণ নিজেরাই ভোট দেবে এবং একটি উৎসবমুখর পরিবেশে নিজেদের পছন্দের প্রার্থী বেছে নেবে।”

রাজনৈতিক মতপার্থক্য প্রসঙ্গে প্রেস সচিব বলেন, “রাজনীতিতে মতভেদ থাকতেই পারে, এটাকে আমরা নেতিবাচকভাবে দেখছি না। ঐক্যমত কমিশনের সঙ্গে গত নয় মাসে দেশের বড় বড় রাজনৈতিক দলগুলো সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে আলোচনা করেছে। কিছু বিষয়ে মতানৈক্য থাকলেও সবাই নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে।”

তিনি আরও জানান, বিএনপি ইতোমধ্যে ২৩৭টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে এবং জামায়াতে ইসলামীও বিভিন্ন আসনে প্রার্থী দিচ্ছে। অন্যান্য বড় দলও নির্বাচনমুখী। ফলে এবারের নির্বাচন হবে প্রতিযোগিতাপূর্ণ, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী।