ঢাকা ০৮:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নির্বাচনে বিএনপি জিতলেও দেশ চালাতে পারবে না: এম এ আজিজ

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১০:৫৯:২৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ জুন ২০২৫
  • / 108

জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও বিশ্লেষক এম এ আজিজ

জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও বিশ্লেষক এম এ আজিজ মনে করেন, আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি বিজয়ী হলেও দেশের শাসনভার পরিচালনায় তারা ব্যর্থ হতে পারে। অর্থনৈতিক দৈন্যতা, বিনিয়োগের অভাব ও প্রবাসী আয়ের দুরবস্থা—এসব কারণেই তিনি এমন আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের টকশো অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি বলেন, “বর্তমানে দেশের অবস্থা ভয়াবহ। প্রবাসী আয়ের মাত্র ৫ শতাংশ বৈধ চ্যানেলে আসে। অর্থনীতি কার্যত বিকল হয়ে পড়েছে। ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের মতে, বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৩.৩ শতাংশে নেমে এসেছে, যা ইতিহাসে নজিরবিহীন।”

তিনি আরও বলেন, “ঈদের আগে আটটি ব্যাংক একত্রিত হয়েছে (মার্জার হয়েছে), খেলাপি ঋণের পরিমাণ বেড়েছে, উন্নয়নশীল দেশের তালিকায় যাওয়ার ফলে জিএসপি সুবিধা বাতিল হবে, বিদেশি ঋণের সুদ বেড়ে যাবে। এ পরিস্থিতিতে কেউ দেশ চালাতে পারবে না, শুধু নির্বাচনে জিতলেই হবে না।”

বিচার ব্যবস্থা, প্রশাসন ও কাঠামোগত সংস্কারহীনতার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার মতে, এসব ব্যবস্থার সংস্কার ছাড়া শাসনব্যবস্থা চালানো প্রায় অসম্ভব।

গ্রামীণ ব্যাংক প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি দাবি করেন, “ড. মুহাম্মদ ইউনূসের হাত ধরে নোবেল এলেও এখন সেই গ্রামীণ ব্যাংকের অবস্থা তলানিতে। যেখানে তিনি ব্যাংকটি শুরু করেছিলেন, সেই জোবরা গ্রামে সম্প্রতি ২৪ জন আত্মহত্যা করেছে ঋণ পরিশোধ করতে না পেরে। একটি সফল উদ্যোক্তার উদাহরণও নেই।”

তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগের পতনের পর অনেকে ড. ইউনূসের পক্ষ নিয়েছিল। কিন্তু তিনি রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব তৈরি করেছেন। জাপানে গিয়ে বলেছিলেন একটি দল ডিসেম্বরে নির্বাচন চায়। পরে ২৮টি দলের মিটিং ডেকে দেখলেন ২৫টি দল ডিসেম্বরে নির্বাচন চায়। তিনি যদি নিঃস্বার্থ হতেন, তাহলে তখনই নির্বাচনের ব্যবস্থা করতেন।”

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

নির্বাচনে বিএনপি জিতলেও দেশ চালাতে পারবে না: এম এ আজিজ

সর্বশেষ আপডেট ১০:৫৯:২৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ জুন ২০২৫

জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও বিশ্লেষক এম এ আজিজ মনে করেন, আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি বিজয়ী হলেও দেশের শাসনভার পরিচালনায় তারা ব্যর্থ হতে পারে। অর্থনৈতিক দৈন্যতা, বিনিয়োগের অভাব ও প্রবাসী আয়ের দুরবস্থা—এসব কারণেই তিনি এমন আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের টকশো অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি বলেন, “বর্তমানে দেশের অবস্থা ভয়াবহ। প্রবাসী আয়ের মাত্র ৫ শতাংশ বৈধ চ্যানেলে আসে। অর্থনীতি কার্যত বিকল হয়ে পড়েছে। ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের মতে, বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৩.৩ শতাংশে নেমে এসেছে, যা ইতিহাসে নজিরবিহীন।”

তিনি আরও বলেন, “ঈদের আগে আটটি ব্যাংক একত্রিত হয়েছে (মার্জার হয়েছে), খেলাপি ঋণের পরিমাণ বেড়েছে, উন্নয়নশীল দেশের তালিকায় যাওয়ার ফলে জিএসপি সুবিধা বাতিল হবে, বিদেশি ঋণের সুদ বেড়ে যাবে। এ পরিস্থিতিতে কেউ দেশ চালাতে পারবে না, শুধু নির্বাচনে জিতলেই হবে না।”

বিচার ব্যবস্থা, প্রশাসন ও কাঠামোগত সংস্কারহীনতার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার মতে, এসব ব্যবস্থার সংস্কার ছাড়া শাসনব্যবস্থা চালানো প্রায় অসম্ভব।

গ্রামীণ ব্যাংক প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি দাবি করেন, “ড. মুহাম্মদ ইউনূসের হাত ধরে নোবেল এলেও এখন সেই গ্রামীণ ব্যাংকের অবস্থা তলানিতে। যেখানে তিনি ব্যাংকটি শুরু করেছিলেন, সেই জোবরা গ্রামে সম্প্রতি ২৪ জন আত্মহত্যা করেছে ঋণ পরিশোধ করতে না পেরে। একটি সফল উদ্যোক্তার উদাহরণও নেই।”

তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগের পতনের পর অনেকে ড. ইউনূসের পক্ষ নিয়েছিল। কিন্তু তিনি রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব তৈরি করেছেন। জাপানে গিয়ে বলেছিলেন একটি দল ডিসেম্বরে নির্বাচন চায়। পরে ২৮টি দলের মিটিং ডেকে দেখলেন ২৫টি দল ডিসেম্বরে নির্বাচন চায়। তিনি যদি নিঃস্বার্থ হতেন, তাহলে তখনই নির্বাচনের ব্যবস্থা করতেন।”