নির্বাচনে আইনের শাসন দেখাতে চাই: সিইসি
- সর্বশেষ আপডেট ০১:৩০:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৫
- / 134
আগামী জাতীয় নির্বাচনে আইন ও শৃঙ্খলা বজায় রেখে সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দিতে চান বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন। তিনি বলেন, ‘আইনের শাসন কাকে বলে, তা দেখাতে চাই। নিরপেক্ষতা ও শৃঙ্খলা বজায় রেখে আমরা সবাই মিলে একটি সুন্দর নির্বাচন উপহার দেব, ইনশাআল্লাহ।’
শনিবার (১১ অক্টোবর) চট্টগ্রামে ভোটগ্রহণকারী কর্মকর্তাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত একটি কর্মশালায় সিইসি এসব কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য হলো একটি স্বচ্ছ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করা। প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত, নিরপেক্ষ ও দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’
সিইসি বলেন, ‘বাংলাদেশে নির্বাচনের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো নিরাপত্তা।’ তিনি প্রশাসনিক, আইনগত ও প্রযুক্তিগত নানা চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও, নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা আরও শক্তিশালী করতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
তিনি ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের আইনের মধ্যে থেকে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন। ‘ক্ষমতা প্রয়োগে গাফিলতি হলে তা দায়িত্বে অবহেলা হিসেবে গণ্য হবে,’ হুঁশিয়ারি দেন সিইসি।
তিনি জানান, ভোট প্রশিক্ষণ কার্যক্রম এমনভাবে তৈরি করতে হবে, যাতে বিভিন্ন পেশার মানুষের মধ্যে যারা কখনো ভোটগ্রহণের অভিজ্ঞতা পাননি, তারাও দক্ষ হতে পারেন। ‘ওয়ান সাইজ ফিটস অল’ পদ্ধতির পরিবর্তে অংশগ্রহণকারীদের পটভূমি বিবেচনায় প্রশিক্ষণ মডিউল তৈরি করার ওপরও তিনি জোর দেন।
এছাড়া সিইসি জানান, নির্বাচন কমিশন একটি ‘সেন্ট্রাল কো-অর্ডিনেশন সেল’ এবং ‘ইমার্জেন্সি রেসপন্স ইউনিট’ গঠন করছে, যাতে যেকোনো সময় দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়।
তিনি আরও বলেন, ‘সাফল্যের জন্য প্রিসাইডিং অফিসার, রিটার্নিং অফিসার, প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্যে কার্যকর সমন্বয় প্রয়োজন।’
সিইসি জানান, সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘ভুয়া তথ্য ও এআই-ভিত্তিক অপপ্রচার’ মোকাবেলায় নির্বাচন কমিশন একটি সেল গঠন করেছে। তবে, সেলের কার্যক্রম সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য যথাযথ প্রচার এখনো হয়নি বলে তিনি স্বীকার করেন।






































