ঢাকা ০৮:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ধর্ম উপদেষ্টা

নির্বাচনের পরে হবে বিশ্ব ইজতেমা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০১:২৬:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ নভেম্বর ২০২৫
  • / 120

বিশ্ব ইজতেমা

ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ. ফ. ম. খালিদ হোসেন জানিয়েছেন, নির্বাচনের কারণে ভোট প্রক্রিয়া নিরাপদ ও সুষ্ঠু রাখতে তাবলীগ জামাতের দুই পক্ষের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে ইজতেমা আয়োজন নির্বাচন পরবর্তী সময়ে করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দুই পক্ষই এই সিদ্ধান্তে সম্মতি দিয়েছে। তিনি রোববার (২ নভেম্বর) সচিবালয়ে এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।

ড. খালিদ হোসেন বলেন, নির্বাচনের দিকে মনোনিবেশ করা হয়েছে এবং সরকার সুষ্ঠু ও অবাধ ভোটের প্রস্তুতি নিচ্ছে। আপাতত নির্বাচন পেছানোর কোনো লক্ষণ বা পরিকল্পনা নেই। রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা চলমান রয়েছে এবং কোনো বড় ভুল বোঝাবুঝি হয়নি।

এনিসিপির জুলাই সনদে সই না করার বিষয়টি নিয়ে তিনি জানান, দলটির সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে; দরজা বন্ধ থাকলেও খুব বেশি সময় লাগবে না খুলতে।

ড. জাকির নায়েকে বাংলাদেশে আনার বিষয়টি নিয়ে তিনি বলেন, এটি ধর্ম মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নয়, বরং পররাষ্ট্র ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিষয়। বিদেশি অতিথি সংক্রান্ত বিষয়গুলো এই দুই মন্ত্রণালয় দেখভাল করে। তাঁর ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দ এখানে প্রাসঙ্গিক নয়।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ধর্ম উপদেষ্টা

নির্বাচনের পরে হবে বিশ্ব ইজতেমা

সর্বশেষ আপডেট ০১:২৬:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ নভেম্বর ২০২৫

ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ. ফ. ম. খালিদ হোসেন জানিয়েছেন, নির্বাচনের কারণে ভোট প্রক্রিয়া নিরাপদ ও সুষ্ঠু রাখতে তাবলীগ জামাতের দুই পক্ষের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে ইজতেমা আয়োজন নির্বাচন পরবর্তী সময়ে করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দুই পক্ষই এই সিদ্ধান্তে সম্মতি দিয়েছে। তিনি রোববার (২ নভেম্বর) সচিবালয়ে এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।

ড. খালিদ হোসেন বলেন, নির্বাচনের দিকে মনোনিবেশ করা হয়েছে এবং সরকার সুষ্ঠু ও অবাধ ভোটের প্রস্তুতি নিচ্ছে। আপাতত নির্বাচন পেছানোর কোনো লক্ষণ বা পরিকল্পনা নেই। রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা চলমান রয়েছে এবং কোনো বড় ভুল বোঝাবুঝি হয়নি।

এনিসিপির জুলাই সনদে সই না করার বিষয়টি নিয়ে তিনি জানান, দলটির সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে; দরজা বন্ধ থাকলেও খুব বেশি সময় লাগবে না খুলতে।

ড. জাকির নায়েকে বাংলাদেশে আনার বিষয়টি নিয়ে তিনি বলেন, এটি ধর্ম মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নয়, বরং পররাষ্ট্র ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিষয়। বিদেশি অতিথি সংক্রান্ত বিষয়গুলো এই দুই মন্ত্রণালয় দেখভাল করে। তাঁর ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দ এখানে প্রাসঙ্গিক নয়।