ঢাকা ১২:১০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নিরাপত্তা উদ্বেগে বাংলাদেশ ভারতস্থ ম্যাচ স্থানান্তরের আবেদন করেছিল, আয়োজক শ্রীলঙ্কা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৯:৫৫:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 4

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬ ঘিরে বাংলাদেশ ও আইসিসির (ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল) চলমান বিতর্ক প্রায় তিন সপ্তাহ ধরে চলার পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দিয়েছে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা। নিরাপত্তার উদ্বেগ তুলে বাংলাদেশ ভারতস্থ ম্যাচগুলো অন্যত্র সরানোর আবেদন জানিয়েছিল।

প্রাথমিক সূচি অনুযায়ী, টুর্নামেন্টের শুরুতে কলকাতা ও মুম্বাইয়ে চারটি ম্যাচ খেলার কথা ছিল বাংলাদেশের। তবে নিরাপত্তার পরিস্থিতি অনুকূলে না থাকায় বাংলাদেশ ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় স্থানান্তরের অনুরোধ করে। এ আবেদন আসে মুস্তাফিজুর রহমানের আইপিএল থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘটনার পরপরই।

আইসিসি বাংলাদেশের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করলেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাতে ২৪ ঘণ্টার সময় রেখেছিল। বাংলাদেশ অনড় থাকায় শেষ পর্যন্ত তাদের টুর্নামেন্ট থেকে বাদ দেওয়া হয়। বাংলাদেশের জায়গায় বাছাইপর্বে ব্যর্থ দলগুলোর মধ্যে শীর্ষ র্যাঙ্কধারী স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

ঘটনার পর পাকিস্তানও বাংলাদেশকে সমর্থন জানিয়ে টুর্নামেন্ট বর্জনের কথা ভাবতে পারে অথবা ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ না খেলার সিদ্ধান্ত নিতে পারে, এমন আলোচনা শুরু হয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে দীর্ঘদিন নীরব ছিল আয়োজক শ্রীলঙ্কা। ভারতের সঙ্গে যৌথভাবে টুর্নামেন্ট আয়োজনের কারণে কলম্বোর নীরবতা নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়। অবশেষে শ্রীলঙ্কা স্পষ্ট অবস্থান নিয়েছে।

শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটের সেক্রেটারি বান্দুলা ডিসানায়ে এএফপিকে বলেন, “ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে চলমান রাজনৈতিক বিরোধে আমরা নিরপেক্ষ থাকব। এরা আমাদের বন্ধুপ্রতিম দেশ।” তিনি আরও যোগ করেন, ভবিষ্যতে যে কোনো দেশের জন্য শ্রীলঙ্কা টুর্নামেন্ট আয়োজন করতে প্রস্তুত।

এদিকে, রাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে ভারত ও পাকিস্তান বর্তমানে একে অপরের বিপক্ষে নিরপেক্ষ ভেন্যুতে খেলছে। তাই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এ পাকিস্তান তাদের সব ম্যাচ শ্রীলঙ্কায় খেলবে, যার মধ্যে ভারতের বিপক্ষেও ম্যাচ রয়েছে।

শ্রীলঙ্কার ক্রীড়ামন্ত্রী সুনীল কুমারা গামাগে এএফপিকে জানিয়েছেন, টুর্নামেন্ট নির্বিঘ্নে আয়োজন করাই তাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। তিনি বলেন, বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচগুলোতে।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬ শুরু হবে ৭ ফেব্রুয়ারি, এবং ফাইনাল হবে ৮ মার্চ।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

নিরাপত্তা উদ্বেগে বাংলাদেশ ভারতস্থ ম্যাচ স্থানান্তরের আবেদন করেছিল, আয়োজক শ্রীলঙ্কা

সর্বশেষ আপডেট ০৯:৫৫:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬ ঘিরে বাংলাদেশ ও আইসিসির (ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল) চলমান বিতর্ক প্রায় তিন সপ্তাহ ধরে চলার পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দিয়েছে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা। নিরাপত্তার উদ্বেগ তুলে বাংলাদেশ ভারতস্থ ম্যাচগুলো অন্যত্র সরানোর আবেদন জানিয়েছিল।

প্রাথমিক সূচি অনুযায়ী, টুর্নামেন্টের শুরুতে কলকাতা ও মুম্বাইয়ে চারটি ম্যাচ খেলার কথা ছিল বাংলাদেশের। তবে নিরাপত্তার পরিস্থিতি অনুকূলে না থাকায় বাংলাদেশ ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় স্থানান্তরের অনুরোধ করে। এ আবেদন আসে মুস্তাফিজুর রহমানের আইপিএল থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘটনার পরপরই।

আইসিসি বাংলাদেশের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করলেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাতে ২৪ ঘণ্টার সময় রেখেছিল। বাংলাদেশ অনড় থাকায় শেষ পর্যন্ত তাদের টুর্নামেন্ট থেকে বাদ দেওয়া হয়। বাংলাদেশের জায়গায় বাছাইপর্বে ব্যর্থ দলগুলোর মধ্যে শীর্ষ র্যাঙ্কধারী স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

ঘটনার পর পাকিস্তানও বাংলাদেশকে সমর্থন জানিয়ে টুর্নামেন্ট বর্জনের কথা ভাবতে পারে অথবা ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ না খেলার সিদ্ধান্ত নিতে পারে, এমন আলোচনা শুরু হয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে দীর্ঘদিন নীরব ছিল আয়োজক শ্রীলঙ্কা। ভারতের সঙ্গে যৌথভাবে টুর্নামেন্ট আয়োজনের কারণে কলম্বোর নীরবতা নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়। অবশেষে শ্রীলঙ্কা স্পষ্ট অবস্থান নিয়েছে।

শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটের সেক্রেটারি বান্দুলা ডিসানায়ে এএফপিকে বলেন, “ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে চলমান রাজনৈতিক বিরোধে আমরা নিরপেক্ষ থাকব। এরা আমাদের বন্ধুপ্রতিম দেশ।” তিনি আরও যোগ করেন, ভবিষ্যতে যে কোনো দেশের জন্য শ্রীলঙ্কা টুর্নামেন্ট আয়োজন করতে প্রস্তুত।

এদিকে, রাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে ভারত ও পাকিস্তান বর্তমানে একে অপরের বিপক্ষে নিরপেক্ষ ভেন্যুতে খেলছে। তাই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এ পাকিস্তান তাদের সব ম্যাচ শ্রীলঙ্কায় খেলবে, যার মধ্যে ভারতের বিপক্ষেও ম্যাচ রয়েছে।

শ্রীলঙ্কার ক্রীড়ামন্ত্রী সুনীল কুমারা গামাগে এএফপিকে জানিয়েছেন, টুর্নামেন্ট নির্বিঘ্নে আয়োজন করাই তাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। তিনি বলেন, বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচগুলোতে।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬ শুরু হবে ৭ ফেব্রুয়ারি, এবং ফাইনাল হবে ৮ মার্চ।