ঢাকা ০৫:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়েও দলকে জেতাতে পারলেন না সাকিব

ক্রীড়া ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১১:২০:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৫
  • / 130

নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়েও দলকে জেতাতে পারলেন না সাকিব

আগের ম্যাচে অলরাউন্ড নৈপুণ্যে ম্যাচসেরা হয়েছিলেন সাকিব আল হাসান। তবে পরের ম্যাচেই ফের ব্যাট হাতে ব্যর্থ হন তিনি। তবে বোলিংয়ে প্রথমবারের মতো ৪ ওভারের কোটা পূরণ করতে পেরেছেন সাবেক এই বাংলাদেশ অধিনায়ক। এক উইকেট নেওয়ার পাশাপাশি সাকিব নিয়ন্ত্রিত বোলিংও করেছেন। তবুও জিততে পারেনি অ্যান্টিগা ও বারবুডা ফ্যালকন্স।

বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) তারুবার ব্রায়ান লারা স্টেডিয়ামে ক্যারিবীয় প্রিমিয়ার লিগের (সিপিএল) ম্যাচে ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে নেমে বেশি রান করতে পারেনি অ্যান্টিগা। টস হেরে খেলতে নেমে নির্ধারিত ওভারে ৭ উইকেটে ১৪৬ রান তোলে তারা। লক্ষ্য তাড়ায় নেমে ৮ বল এবং ৮ উইকেট হাতে রেখে বড় জয় পেয়েছে নাইট রাইডার্স।

এদিন টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে অ্যান্টিগার শুরুটা ছিল বিপর্যস্ত। দলীয় রানের খাতা খোলার আগেই রাকিম কর্নওয়াল ও করিমা গোরকে হারায় দলটি। এরপর আরেক ওপেনার জুয়েল অ্যান্ড্রুর ব্যাটে এগিয়ে যায় তারা। তবে দলীয় ৪৬ রানের মাথায় এই ব্যাটার ৩১ বলে ৩ চার ও ২ ছক্কায় ৪০ রান করে বিদায় নেন। মাঝে সাকিব ১৪ বলে খেলেন ১৩ রানের একটি ইনিংস।

এদিকে অধিনায়ক ইমাদ ওয়াসিম ২৫ বলে অপরাজিত ৩৭ রান করেন। তার সঙ্গে উসামা মিরের ব্যাট থেকে আসে ২৬ বলে ঝড়ো ৩৪ রান। ১৫ ওভার শেষেও তিন অঙ্ক ছুঁতে না পারা ফ্যালকন্স যে শেষমেশ দেড়শ ছুঁইছুঁই পুঁজি পেয়েছিল, তা এই দুজনের ব্যাটের কল্যাণে। ত্রিনবাগোর পক্ষে মোহাম্মদ আমির ৩টি এবং আন্দ্রে রাসেল ও আকিল হোসেন ২টি করে উইকেট নেন।

লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ত্রিনবাগোর ব্যাটাররা শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করতে থাকেন। ১০ বলে ৯ রান করা কলিন মানরোকে আউট করে প্রতি আক্রমণের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন সাকিব। কিন্তু এরপর আর চাপ তৈরি করতে পারেনি ফ্যালকন্স। কেসি কার্টি ও অ্যালেক্স হেলসের ৮৭ রানের জুটিতেই আসলে নাইট রাইডার্সের জয় নিশ্চিত হয়।

ক্যারিয়ারের ৮৮তম টি-টোয়েন্টি ফিফটি পেয়েছেন হেলস, যা সর্বোচ্চ ফিফটি করা ব্যাটসম্যানদের তালিকায় ষষ্ঠ। এই ডানহাতি ব্যাটার শেষ পর্যন্ত ৪৬ বলে ৫৫ রান করে অপরাজিত থাকেন। কার্টি ৪৫ বলে ৬০ রান করে ম্যাচের জয় নিশ্চিত করেন। শেষ দিকে অধিনায়ক নিকোলাস পুরান মাত্র ১১ বলে ২৩ রান করে দলকে ৮ বল হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন।

অ্যান্টিগার হয়ে সাকিব ছাড়া একটি উইকেট নেন জেইডেন সিলস। এই হারের পরও ৭ ম্যাচে ৩টি করে জয়-পরাজয়ে (একটি ম্যাচে ফল হয়নি) ৭ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষেই আছে সাকিবের অ্যান্টিগা। তবে বাকি দলগুলো তাদের চেয়ে কম ম্যাচ খেলেছে। চতুর্থ ম্যাচে তৃতীয় জয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে চার নম্বর থেকে দুইয়ে উঠে এসেছে নিকোলাস পুরানের ত্রিনবাগো।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়েও দলকে জেতাতে পারলেন না সাকিব

সর্বশেষ আপডেট ১১:২০:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৫

আগের ম্যাচে অলরাউন্ড নৈপুণ্যে ম্যাচসেরা হয়েছিলেন সাকিব আল হাসান। তবে পরের ম্যাচেই ফের ব্যাট হাতে ব্যর্থ হন তিনি। তবে বোলিংয়ে প্রথমবারের মতো ৪ ওভারের কোটা পূরণ করতে পেরেছেন সাবেক এই বাংলাদেশ অধিনায়ক। এক উইকেট নেওয়ার পাশাপাশি সাকিব নিয়ন্ত্রিত বোলিংও করেছেন। তবুও জিততে পারেনি অ্যান্টিগা ও বারবুডা ফ্যালকন্স।

বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) তারুবার ব্রায়ান লারা স্টেডিয়ামে ক্যারিবীয় প্রিমিয়ার লিগের (সিপিএল) ম্যাচে ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে নেমে বেশি রান করতে পারেনি অ্যান্টিগা। টস হেরে খেলতে নেমে নির্ধারিত ওভারে ৭ উইকেটে ১৪৬ রান তোলে তারা। লক্ষ্য তাড়ায় নেমে ৮ বল এবং ৮ উইকেট হাতে রেখে বড় জয় পেয়েছে নাইট রাইডার্স।

এদিন টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে অ্যান্টিগার শুরুটা ছিল বিপর্যস্ত। দলীয় রানের খাতা খোলার আগেই রাকিম কর্নওয়াল ও করিমা গোরকে হারায় দলটি। এরপর আরেক ওপেনার জুয়েল অ্যান্ড্রুর ব্যাটে এগিয়ে যায় তারা। তবে দলীয় ৪৬ রানের মাথায় এই ব্যাটার ৩১ বলে ৩ চার ও ২ ছক্কায় ৪০ রান করে বিদায় নেন। মাঝে সাকিব ১৪ বলে খেলেন ১৩ রানের একটি ইনিংস।

এদিকে অধিনায়ক ইমাদ ওয়াসিম ২৫ বলে অপরাজিত ৩৭ রান করেন। তার সঙ্গে উসামা মিরের ব্যাট থেকে আসে ২৬ বলে ঝড়ো ৩৪ রান। ১৫ ওভার শেষেও তিন অঙ্ক ছুঁতে না পারা ফ্যালকন্স যে শেষমেশ দেড়শ ছুঁইছুঁই পুঁজি পেয়েছিল, তা এই দুজনের ব্যাটের কল্যাণে। ত্রিনবাগোর পক্ষে মোহাম্মদ আমির ৩টি এবং আন্দ্রে রাসেল ও আকিল হোসেন ২টি করে উইকেট নেন।

লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ত্রিনবাগোর ব্যাটাররা শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করতে থাকেন। ১০ বলে ৯ রান করা কলিন মানরোকে আউট করে প্রতি আক্রমণের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন সাকিব। কিন্তু এরপর আর চাপ তৈরি করতে পারেনি ফ্যালকন্স। কেসি কার্টি ও অ্যালেক্স হেলসের ৮৭ রানের জুটিতেই আসলে নাইট রাইডার্সের জয় নিশ্চিত হয়।

ক্যারিয়ারের ৮৮তম টি-টোয়েন্টি ফিফটি পেয়েছেন হেলস, যা সর্বোচ্চ ফিফটি করা ব্যাটসম্যানদের তালিকায় ষষ্ঠ। এই ডানহাতি ব্যাটার শেষ পর্যন্ত ৪৬ বলে ৫৫ রান করে অপরাজিত থাকেন। কার্টি ৪৫ বলে ৬০ রান করে ম্যাচের জয় নিশ্চিত করেন। শেষ দিকে অধিনায়ক নিকোলাস পুরান মাত্র ১১ বলে ২৩ রান করে দলকে ৮ বল হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন।

অ্যান্টিগার হয়ে সাকিব ছাড়া একটি উইকেট নেন জেইডেন সিলস। এই হারের পরও ৭ ম্যাচে ৩টি করে জয়-পরাজয়ে (একটি ম্যাচে ফল হয়নি) ৭ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষেই আছে সাকিবের অ্যান্টিগা। তবে বাকি দলগুলো তাদের চেয়ে কম ম্যাচ খেলেছে। চতুর্থ ম্যাচে তৃতীয় জয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে চার নম্বর থেকে দুইয়ে উঠে এসেছে নিকোলাস পুরানের ত্রিনবাগো।