ঢাকা ০৯:৫৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নিধির আর্তি শুনে কাঁদলেন তারেক রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৮:১৩:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ জুলাই ২০২৫
  • / 181

নিধির আর্তি শুনে কাঁদলেন তারেক রহমান

গুম হওয়া ছাত্রদল নেতা পারভেজের কিশোরী কন্যা নিধির হৃদয়বিদারক বক্তব্যে অশ্রুসিক্ত হলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দীর্ঘদিন ধরে নিখোঁজ বাবার স্মৃতি ও প্রতীক্ষার বেদনা নিয়ে নিধি যখন বলছিলেন, “আমি আর আমার ভাই বাবাকে কি কোনোদিন জড়িয়ে ধরতে পারবো না?”—সেই প্রশ্নে স্তব্ধ হয়ে যায় পুরো মিলনায়তন।

মঙ্গলবার (১ জুলাই) রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ‘জাতীয় ঐক্য ও গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা’ শীর্ষক এক বিশেষ আলোচনা সভার আয়োজন করে বিএনপি। এই আয়োজনটি ছিল ‘জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান’ স্মরণে শহীদ ও গুম হওয়া ব্যক্তিদের পরিবারের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের উপলক্ষ।

আলোচনা সভায় জায়ান্ট স্ক্রিনে তারেক রহমানকে চোখের পানি মুছতে দেখা যায়। নিধির কষ্ট ও আকুতির সঙ্গে সহমর্মিতা জানিয়ে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন তিনি। নিধি ছাড়াও সভায় সারাদেশ থেকে আসা অনেক নির্যাতিত ব্যক্তি ও তাদের স্বজনরা নিজ নিজ জীবনের করুণ অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন—স্বজন হারানো, আর্থিক কষ্ট ও অনিশ্চিত ভবিষ্যতের কথা জানান।

গুম হওয়া ব্যক্তিদের নিয়ে কাজ করা সংগঠন ‘মায়ের ডাক’-এর সমন্বয়ক সানজিদা ইসলাম তুলি বলেন, “সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা থেকে শুরু করে যেসব আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা গুমের সঙ্গে জড়িত, তাদের সবার বিচার নিশ্চিত করতে হবে।”

এ ধরনের মানবিক ঘটনা নতুন করে প্রশ্ন তোলে—স্বজনহারা এই মানুষগুলো আদৌ কখনো সুবিচার পাবে কি না, কিংবা তারা আর কখনো প্রিয়জনকে ফিরে পাবে কি না

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

নিধির আর্তি শুনে কাঁদলেন তারেক রহমান

সর্বশেষ আপডেট ০৮:১৩:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ জুলাই ২০২৫

গুম হওয়া ছাত্রদল নেতা পারভেজের কিশোরী কন্যা নিধির হৃদয়বিদারক বক্তব্যে অশ্রুসিক্ত হলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দীর্ঘদিন ধরে নিখোঁজ বাবার স্মৃতি ও প্রতীক্ষার বেদনা নিয়ে নিধি যখন বলছিলেন, “আমি আর আমার ভাই বাবাকে কি কোনোদিন জড়িয়ে ধরতে পারবো না?”—সেই প্রশ্নে স্তব্ধ হয়ে যায় পুরো মিলনায়তন।

মঙ্গলবার (১ জুলাই) রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ‘জাতীয় ঐক্য ও গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা’ শীর্ষক এক বিশেষ আলোচনা সভার আয়োজন করে বিএনপি। এই আয়োজনটি ছিল ‘জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান’ স্মরণে শহীদ ও গুম হওয়া ব্যক্তিদের পরিবারের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের উপলক্ষ।

আলোচনা সভায় জায়ান্ট স্ক্রিনে তারেক রহমানকে চোখের পানি মুছতে দেখা যায়। নিধির কষ্ট ও আকুতির সঙ্গে সহমর্মিতা জানিয়ে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন তিনি। নিধি ছাড়াও সভায় সারাদেশ থেকে আসা অনেক নির্যাতিত ব্যক্তি ও তাদের স্বজনরা নিজ নিজ জীবনের করুণ অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন—স্বজন হারানো, আর্থিক কষ্ট ও অনিশ্চিত ভবিষ্যতের কথা জানান।

গুম হওয়া ব্যক্তিদের নিয়ে কাজ করা সংগঠন ‘মায়ের ডাক’-এর সমন্বয়ক সানজিদা ইসলাম তুলি বলেন, “সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা থেকে শুরু করে যেসব আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা গুমের সঙ্গে জড়িত, তাদের সবার বিচার নিশ্চিত করতে হবে।”

এ ধরনের মানবিক ঘটনা নতুন করে প্রশ্ন তোলে—স্বজনহারা এই মানুষগুলো আদৌ কখনো সুবিচার পাবে কি না, কিংবা তারা আর কখনো প্রিয়জনকে ফিরে পাবে কি না