ঢাকা ০৪:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নিখোঁজের ৭ দিন পর কুয়াকাটায় জেলের মরদেহ উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক, কুয়াকাটা (পটুয়াখালী)
  • সর্বশেষ আপডেট ০৬:৪৯:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ অগাস্ট ২০২৫
  • / 275

নিখোঁজের ৭ দিন পর কুয়াকাটায় জেলের মরদেহ উদ্ধার

পটুয়াখালীর কলাপাড়া সংলগ্ন গভীর সমুদ্রে মাছ শিকারে গিয়ে ট্রলার ডুবে নিখোঁজের ৭ দিন পর মো. নজরুল ইসলাম (৬০) নামের এক জেলের মরদেহ ভেসে এসেছে।

শুক্রবার (১ আগস্ট) সকালের জোয়ারে কুয়াকাটা সৈকতের মীরাবাড়ি এলাকায় এই মরদেহ ভেসে আসে। মরদেহটি অর্ধগলিত হওয়ায় তার ছেলে নশা হাওলাদার মরদেহের গায়ে থাকা রেইনকোট দেখে তার বাবার লাশ শনাক্ত করেন।

নিহত নজরুল ইসলাম উপজেলার লালুয়া ইউনিয়নের চর-চান্দু পাড়া গ্রামের মৃত তাজেম আলী হাওলাদারের ছেলে। তিনি এফবি সাগরকন্যা নামের একটি মাছ ধরার ট্রলারে জেলের কাজ করতেন।

নিহতের ছেলে নশা হাওলাদার বলেন, “আমার বাবা জেলের কাজ করতেন। গত ২৩ জুলাই মাছ ধরার জন্য গভীর সমুদ্রে গিয়েছিলেন। এ সময় তাদের ট্রলার ডুবে গেলে তিনি নিখোঁজ হন। এতদিন পর আজ সকালে একটি মরদেহ ভেসে এসেছে শুনে চলে আসি, এসে দেখি আমার বাবার মরদেহ।”

ঘটনাস্থলে উপস্থিত কুয়াকাটা নৌ পুলিশের ফাঁড়ির উপপরিদর্শক মনিরুল ইসলাম জানান, “আমরা খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে মরদেহ উদ্ধার করেছি। নিহতের আত্মীয়স্বজনরা এসেছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।”

উল্লেখ্য, গত ২৩ জুলাই উপজেলার মহিপুর মৎস্য বন্দর থেকে এফবি সাগরকন্যা নামের একটি মাছ ধরার ট্রলার ১৫ জন জেলে নিয়ে গভীর সমুদ্রে যায়। যাওয়ার একদিন পর বৈরী আবহাওয়ার কারণে ট্রলারটি ডুবে গেলে সব জেলে নিখোঁজ হন। নিখোঁজের ৪ দিন পর বিভিন্নভাবে ১০ জেলেকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হলেও ৫ জনের কোনো খোঁজ মেলেনি। তাঁদের একজন নজরুলের মরদেহ পাওয়া গেলেও এখনো ৪ জন জেলে নিখোঁজ রয়েছেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

নিখোঁজের ৭ দিন পর কুয়াকাটায় জেলের মরদেহ উদ্ধার

সর্বশেষ আপডেট ০৬:৪৯:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ অগাস্ট ২০২৫

পটুয়াখালীর কলাপাড়া সংলগ্ন গভীর সমুদ্রে মাছ শিকারে গিয়ে ট্রলার ডুবে নিখোঁজের ৭ দিন পর মো. নজরুল ইসলাম (৬০) নামের এক জেলের মরদেহ ভেসে এসেছে।

শুক্রবার (১ আগস্ট) সকালের জোয়ারে কুয়াকাটা সৈকতের মীরাবাড়ি এলাকায় এই মরদেহ ভেসে আসে। মরদেহটি অর্ধগলিত হওয়ায় তার ছেলে নশা হাওলাদার মরদেহের গায়ে থাকা রেইনকোট দেখে তার বাবার লাশ শনাক্ত করেন।

নিহত নজরুল ইসলাম উপজেলার লালুয়া ইউনিয়নের চর-চান্দু পাড়া গ্রামের মৃত তাজেম আলী হাওলাদারের ছেলে। তিনি এফবি সাগরকন্যা নামের একটি মাছ ধরার ট্রলারে জেলের কাজ করতেন।

নিহতের ছেলে নশা হাওলাদার বলেন, “আমার বাবা জেলের কাজ করতেন। গত ২৩ জুলাই মাছ ধরার জন্য গভীর সমুদ্রে গিয়েছিলেন। এ সময় তাদের ট্রলার ডুবে গেলে তিনি নিখোঁজ হন। এতদিন পর আজ সকালে একটি মরদেহ ভেসে এসেছে শুনে চলে আসি, এসে দেখি আমার বাবার মরদেহ।”

ঘটনাস্থলে উপস্থিত কুয়াকাটা নৌ পুলিশের ফাঁড়ির উপপরিদর্শক মনিরুল ইসলাম জানান, “আমরা খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে মরদেহ উদ্ধার করেছি। নিহতের আত্মীয়স্বজনরা এসেছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।”

উল্লেখ্য, গত ২৩ জুলাই উপজেলার মহিপুর মৎস্য বন্দর থেকে এফবি সাগরকন্যা নামের একটি মাছ ধরার ট্রলার ১৫ জন জেলে নিয়ে গভীর সমুদ্রে যায়। যাওয়ার একদিন পর বৈরী আবহাওয়ার কারণে ট্রলারটি ডুবে গেলে সব জেলে নিখোঁজ হন। নিখোঁজের ৪ দিন পর বিভিন্নভাবে ১০ জেলেকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হলেও ৫ জনের কোনো খোঁজ মেলেনি। তাঁদের একজন নজরুলের মরদেহ পাওয়া গেলেও এখনো ৪ জন জেলে নিখোঁজ রয়েছেন।