ঢাকা ০৪:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
নগদে স্ত্রী-আত্মীয়দের চাকরি

নাহিদের সাবেক পিএর বিরুদ্ধে ১৫০ কোটি টাকা বেহাতের অভিযোগ

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৪:০৮:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ মে ২০২৫
  • / 277

নাহিদের সাবেক পিএর বিরুদ্ধে ১৫০ কোটি টাকা বেহাতের অভিযোগ

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়ক ও সাবেক তথ্য উপদেষ্টা নাহিদ ইসলামের সাবেক ব্যক্তিগত সহকারী (পিএ) আতিক মোর্শেদের বিরুদ্ধে মোবাইল ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠান নগদ থেকে ১৫০ কোটি টাকা বেহাতের অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে নিজের স্ত্রী ও নিকট আত্মীয়দের প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে।

এই বিষয়ে গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান শুক্রবার (৩০ মে) দুপুরে নিজের ফেসবুক পেজে একটি পোস্ট দেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন— আতিক মোর্শেদের এসব কর্মকাণ্ডে কি নাহিদ ইসলামের পরোক্ষ মদদ ছিল?

রাশেদ খান অভিযোগ করেন, “তথ্য উপদেষ্টা থাকাকালে আতিক মোর্শেদের বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগ এলেও নাহিদ ইসলাম কখনো কোনো ব্যবস্থা নেননি কিংবা তদন্তও করেননি। ফলে প্রশ্ন ওঠে, তিনি কি এসব কর্মকাণ্ড সম্পর্কে জানতেন না, না কি নীরব সম্মতি ছিল তার?”

একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত সংবাদের বরাত দিয়ে রাশেদ খান জানান, নগদের ডেপুটি সিইও মুয়ীজ নাসনিম ত্বকির সঙ্গে মিলে আতিক মোর্শেদ প্রায় ১৫০ কোটি টাকা সরিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

তিনি আরও বলেন, “১৮ মে রাতে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) মুয়ীজ ত্বকিকে তার বেইলি রোডের বাসা থেকে আটক করে। অথচ পরদিন বিকেলেই তাকে কারাগারে না পাঠিয়ে ডিবি থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। জানা গেছে, এই সিদ্ধান্তের পেছনে ছিল আতিক মোর্শেদের সরাসরি প্রভাব।”

রাশেদ খান বলেন, “প্রশ্ন হচ্ছে— কে এখনো আতিক মোর্শেদকে এই ধরনের ক্ষমতা প্রয়োগের সুযোগ করে দিচ্ছে? কে তাকে নগদের নীতিনির্ধারণী কাজে জড়িত রেখেছে, যখন কিনা তিনি প্রতিষ্ঠানটির কোনো বৈধ কর্মকর্তা নন?”

অভিযোগ আরও রয়েছে, আতিক মোর্শেদ নিয়মিত নগদের ছয়তলার একটি কক্ষে বসে অফিস করছেন। অথচ তার কোনো পদ নেই প্রতিষ্ঠানটিতে। উপরন্তু, তিনি নিজের স্ত্রী জাকিয়া সুলতানা জুঁইকে ‘ম্যানেজার, কমপ্লায়েন্স’ পদে নিয়োগ দিয়েছেন। একই সঙ্গে নিয়োগ দিয়েছেন একাধিক আত্মীয়-স্বজনকেও।

রাশেদ খান বলেন, “নাহিদ ইসলামের একটা কথা সবসময় কানে বাজে— ‘ধনীরা আমাদের ডোনেট করে।’ এখন প্রশ্ন— সেই ধনীরা কারা? তারা কি এসব দুর্নীতির আড়ালে নাহিদ ও তার ঘনিষ্ঠদের মদদ দিচ্ছে?”

তিনি আরও বলেন, “নাহিদ ইসলাম যদি নিজেকে দায়মুক্ত রাখতে চান, তবে তার উচিত আজই আতিক মোর্শেদকে আইনের হাতে তুলে দেওয়া। কারণ, তার বিশেষ সহকারীর এমন দুর্নীতির দায় তিনি এড়াতে পারেন না— অন্তত সুষ্ঠু তদন্ত না হওয়া পর্যন্ত।”

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

নগদে স্ত্রী-আত্মীয়দের চাকরি

নাহিদের সাবেক পিএর বিরুদ্ধে ১৫০ কোটি টাকা বেহাতের অভিযোগ

সর্বশেষ আপডেট ০৪:০৮:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ মে ২০২৫

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়ক ও সাবেক তথ্য উপদেষ্টা নাহিদ ইসলামের সাবেক ব্যক্তিগত সহকারী (পিএ) আতিক মোর্শেদের বিরুদ্ধে মোবাইল ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠান নগদ থেকে ১৫০ কোটি টাকা বেহাতের অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে নিজের স্ত্রী ও নিকট আত্মীয়দের প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে।

এই বিষয়ে গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান শুক্রবার (৩০ মে) দুপুরে নিজের ফেসবুক পেজে একটি পোস্ট দেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন— আতিক মোর্শেদের এসব কর্মকাণ্ডে কি নাহিদ ইসলামের পরোক্ষ মদদ ছিল?

রাশেদ খান অভিযোগ করেন, “তথ্য উপদেষ্টা থাকাকালে আতিক মোর্শেদের বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগ এলেও নাহিদ ইসলাম কখনো কোনো ব্যবস্থা নেননি কিংবা তদন্তও করেননি। ফলে প্রশ্ন ওঠে, তিনি কি এসব কর্মকাণ্ড সম্পর্কে জানতেন না, না কি নীরব সম্মতি ছিল তার?”

একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত সংবাদের বরাত দিয়ে রাশেদ খান জানান, নগদের ডেপুটি সিইও মুয়ীজ নাসনিম ত্বকির সঙ্গে মিলে আতিক মোর্শেদ প্রায় ১৫০ কোটি টাকা সরিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

তিনি আরও বলেন, “১৮ মে রাতে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) মুয়ীজ ত্বকিকে তার বেইলি রোডের বাসা থেকে আটক করে। অথচ পরদিন বিকেলেই তাকে কারাগারে না পাঠিয়ে ডিবি থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। জানা গেছে, এই সিদ্ধান্তের পেছনে ছিল আতিক মোর্শেদের সরাসরি প্রভাব।”

রাশেদ খান বলেন, “প্রশ্ন হচ্ছে— কে এখনো আতিক মোর্শেদকে এই ধরনের ক্ষমতা প্রয়োগের সুযোগ করে দিচ্ছে? কে তাকে নগদের নীতিনির্ধারণী কাজে জড়িত রেখেছে, যখন কিনা তিনি প্রতিষ্ঠানটির কোনো বৈধ কর্মকর্তা নন?”

অভিযোগ আরও রয়েছে, আতিক মোর্শেদ নিয়মিত নগদের ছয়তলার একটি কক্ষে বসে অফিস করছেন। অথচ তার কোনো পদ নেই প্রতিষ্ঠানটিতে। উপরন্তু, তিনি নিজের স্ত্রী জাকিয়া সুলতানা জুঁইকে ‘ম্যানেজার, কমপ্লায়েন্স’ পদে নিয়োগ দিয়েছেন। একই সঙ্গে নিয়োগ দিয়েছেন একাধিক আত্মীয়-স্বজনকেও।

রাশেদ খান বলেন, “নাহিদ ইসলামের একটা কথা সবসময় কানে বাজে— ‘ধনীরা আমাদের ডোনেট করে।’ এখন প্রশ্ন— সেই ধনীরা কারা? তারা কি এসব দুর্নীতির আড়ালে নাহিদ ও তার ঘনিষ্ঠদের মদদ দিচ্ছে?”

তিনি আরও বলেন, “নাহিদ ইসলাম যদি নিজেকে দায়মুক্ত রাখতে চান, তবে তার উচিত আজই আতিক মোর্শেদকে আইনের হাতে তুলে দেওয়া। কারণ, তার বিশেষ সহকারীর এমন দুর্নীতির দায় তিনি এড়াতে পারেন না— অন্তত সুষ্ঠু তদন্ত না হওয়া পর্যন্ত।”