ঢাকা ১০:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নামাজের সময় মসজিদে ড্রোন হামলায় নিহত ৭৮

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১০:৪৪:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 65

নামাজের সময় মসজিদে ড্রোন হামলায় নিহত ৭৮

সুদানের দারফুর অঞ্চলের এল-ফাশির শহরে নামাজের সময় ভয়াবহ ড্রোন হামলায় কমপক্ষে ৭৮ জন নিহত হয়েছেন, আহত হয়েছেন আরও ২০ জন। স্থানীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ভোরে এই হামলার ঘটনা ঘটে। খবর বিবিসির।

প্রতিবেদনে বলা হয়, সুদানে দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে সেনাবাহিনী ও আধাসামরিক বাহিনী আরএসএফের মধ্যে সংঘাত চলছে। দারফুরে সেনাবাহিনীর শেষ ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত এল-ফাশির শহর দখলের জন্য আরএসএফ ক্রমেই অগ্রসর হচ্ছে। বর্তমানে সেখানকার তিন লাখের বেশি বেসামরিক মানুষ লড়াইয়ের মধ্যে আটকা পড়েছেন।

চলতি সপ্তাহে আরএসএফ নতুন করে শহরটিতে হামলা শুরু করেছে। শহরের বাইরে অবস্থিত বাস্তুচ্যুতদের শিবিরেও ভয়াবহ আক্রমণের খবর পাওয়া গেছে। ইয়েল ইউনিভার্সিটির হিউম্যানিটারিয়ান রিসার্চ ল্যাবের (এইচআরএল) স্যাটেলাইট বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ওই শিবিরের বড় অংশ এখন আরএসএফের নিয়ন্ত্রণে।

মানবাধিকারকর্মী ও বিশ্লেষকরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, সাধারণ নাগরিকরা আরএসএফের টার্গেটে পরিণত হতে পারেন। কারণ গোষ্ঠীটির কাছে স্থানীয় অ-আরব জনগোষ্ঠী শত্রুপক্ষ হিসেবে বিবেচিত।

জাতিসংঘ সতর্ক করে বলেছে, সুদানের এই সংঘাত ক্রমেই জাতিগত সহিংসতায় রূপ নিচ্ছে। প্রতিপক্ষকে সহযোগিতার অভিযোগে উভয় পক্ষই সাধারণ মানুষের ওপর হামলা চালাচ্ছে। আন্তর্জাতিক সংস্থার নথিতে দেখা গেছে, দখলকৃত এলাকায় অ-আরব সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে জাতিগত নির্মূল অভিযান চালাচ্ছে আরএসএফ।

সম্প্রতি ডক্টরস উইদাউট বর্ডার্স জানিয়েছে, এল-ফাশির শহরকে অ-আরব জনগোষ্ঠীমুক্ত করার পরিকল্পনার কথা প্রকাশ্যে ঘোষণা করেছে আরএসএফ। তবে এসব অভিযোগ বরাবরই অস্বীকার করে আসছে গোষ্ঠীটি। তাদের দাবি, কোনো জাতিগত সংঘাতে তারা জড়িত নয়।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

নামাজের সময় মসজিদে ড্রোন হামলায় নিহত ৭৮

সর্বশেষ আপডেট ১০:৪৪:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

সুদানের দারফুর অঞ্চলের এল-ফাশির শহরে নামাজের সময় ভয়াবহ ড্রোন হামলায় কমপক্ষে ৭৮ জন নিহত হয়েছেন, আহত হয়েছেন আরও ২০ জন। স্থানীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ভোরে এই হামলার ঘটনা ঘটে। খবর বিবিসির।

প্রতিবেদনে বলা হয়, সুদানে দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে সেনাবাহিনী ও আধাসামরিক বাহিনী আরএসএফের মধ্যে সংঘাত চলছে। দারফুরে সেনাবাহিনীর শেষ ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত এল-ফাশির শহর দখলের জন্য আরএসএফ ক্রমেই অগ্রসর হচ্ছে। বর্তমানে সেখানকার তিন লাখের বেশি বেসামরিক মানুষ লড়াইয়ের মধ্যে আটকা পড়েছেন।

চলতি সপ্তাহে আরএসএফ নতুন করে শহরটিতে হামলা শুরু করেছে। শহরের বাইরে অবস্থিত বাস্তুচ্যুতদের শিবিরেও ভয়াবহ আক্রমণের খবর পাওয়া গেছে। ইয়েল ইউনিভার্সিটির হিউম্যানিটারিয়ান রিসার্চ ল্যাবের (এইচআরএল) স্যাটেলাইট বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ওই শিবিরের বড় অংশ এখন আরএসএফের নিয়ন্ত্রণে।

মানবাধিকারকর্মী ও বিশ্লেষকরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, সাধারণ নাগরিকরা আরএসএফের টার্গেটে পরিণত হতে পারেন। কারণ গোষ্ঠীটির কাছে স্থানীয় অ-আরব জনগোষ্ঠী শত্রুপক্ষ হিসেবে বিবেচিত।

জাতিসংঘ সতর্ক করে বলেছে, সুদানের এই সংঘাত ক্রমেই জাতিগত সহিংসতায় রূপ নিচ্ছে। প্রতিপক্ষকে সহযোগিতার অভিযোগে উভয় পক্ষই সাধারণ মানুষের ওপর হামলা চালাচ্ছে। আন্তর্জাতিক সংস্থার নথিতে দেখা গেছে, দখলকৃত এলাকায় অ-আরব সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে জাতিগত নির্মূল অভিযান চালাচ্ছে আরএসএফ।

সম্প্রতি ডক্টরস উইদাউট বর্ডার্স জানিয়েছে, এল-ফাশির শহরকে অ-আরব জনগোষ্ঠীমুক্ত করার পরিকল্পনার কথা প্রকাশ্যে ঘোষণা করেছে আরএসএফ। তবে এসব অভিযোগ বরাবরই অস্বীকার করে আসছে গোষ্ঠীটি। তাদের দাবি, কোনো জাতিগত সংঘাতে তারা জড়িত নয়।