ঢাকা ০১:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নাটোরে পৌঁছেছে হত্যার শিকার মা-মেয়ের মরদেহ, দুপুরে দাফন

নিজস্ব প্রতিবেদক, নাটোর
  • সর্বশেষ আপডেট ১২:০৫:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 91

ঢাকার মোহাম্মদপুরে হত্যার শিকার মা লায়লা আফরোজ ও তার মেয়ে নাফিসা বিনতে আজিজের মরদেহ নাটোরের গ্রামের বাড়িতে পৌঁছেছে। মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) ভোরে শহরের বড়গাছা এলাকায় মরদেহ এসে পৌঁছায়। এ ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহতরা একই এলাকার আজিজুল ইসলামের স্ত্রী-মেয়ে।

সোমবার (৮ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকার শাহজাহান রোডের বাসা থেকে মা-মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ধারণা করা হচ্ছে বাসার গৃহকর্মী আয়েশা তাদের হত্যা করে পালিয়ে যায়।

পুলিশ জানায়, গৃহকর্মী আয়েশা নামে পরিচয় দিয়েছিলেন এবং হত্যার পর নাফিসার স্কুলের পোশাক পরে বাসা থেকে পালিয়ে যান।

নাফিসা মোহাম্মদপুরের প্রিপারেটরি স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। নাফিসার বাবা আজিজুল ইসলাম, উত্তরার সানবিমস স্কুলে শিক্ষকতা করেন।

মা মেয়ের মরদেহ নাটোরের বাড়ি বড়গাছায় এসে পৌঁছালে এক হৃদয়বিদারক অবস্থার সৃষ্টি হয়। পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে জোহরের নামাজের পরে তাদের জানাজা শেষে দাফন করা হবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

নাটোরে পৌঁছেছে হত্যার শিকার মা-মেয়ের মরদেহ, দুপুরে দাফন

সর্বশেষ আপডেট ১২:০৫:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৫

ঢাকার মোহাম্মদপুরে হত্যার শিকার মা লায়লা আফরোজ ও তার মেয়ে নাফিসা বিনতে আজিজের মরদেহ নাটোরের গ্রামের বাড়িতে পৌঁছেছে। মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) ভোরে শহরের বড়গাছা এলাকায় মরদেহ এসে পৌঁছায়। এ ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহতরা একই এলাকার আজিজুল ইসলামের স্ত্রী-মেয়ে।

সোমবার (৮ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকার শাহজাহান রোডের বাসা থেকে মা-মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ধারণা করা হচ্ছে বাসার গৃহকর্মী আয়েশা তাদের হত্যা করে পালিয়ে যায়।

পুলিশ জানায়, গৃহকর্মী আয়েশা নামে পরিচয় দিয়েছিলেন এবং হত্যার পর নাফিসার স্কুলের পোশাক পরে বাসা থেকে পালিয়ে যান।

নাফিসা মোহাম্মদপুরের প্রিপারেটরি স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। নাফিসার বাবা আজিজুল ইসলাম, উত্তরার সানবিমস স্কুলে শিক্ষকতা করেন।

মা মেয়ের মরদেহ নাটোরের বাড়ি বড়গাছায় এসে পৌঁছালে এক হৃদয়বিদারক অবস্থার সৃষ্টি হয়। পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে জোহরের নামাজের পরে তাদের জানাজা শেষে দাফন করা হবে।