প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে তাজউদ্দীন পরিবার
নতুন সম্পর্কের বার্তা নাকি অন্যকিছু?
- সর্বশেষ আপডেট ০৯:২৪:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ জুলাই ২০২৫
- / 129
মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক এবং বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের জন্ম শতবার্ষিকী উপলক্ষে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানিয়েছে তাজউদ্দীন আহমদের পরিবার।
আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এ উপলক্ষে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। তাজউদ্দীনের জ্যেষ্ঠ কন্যা শারমিন আহমদ ও পুত্র তানজিম আহমেদ সোহেল তাজ প্রধান উপদেষ্টার হাতে জন্ম শতবার্ষিকীর আমন্ত্রণপত্র তুলে দেন। সাক্ষাৎকালে শারমিন আহমদ তাঁর রচিত গ্রন্থ “তাজউদ্দীন আহমদ : নেতা ও পিতা” প্রধান উপদেষ্টাকে উপহার দেন।
সাক্ষাতে তাজউদ্দীন পরিবার ৩ নভেম্বর জেলহত্যা দিবস উপলক্ষে প্রধান উপদেষ্টার উদ্দেশ্যে পূর্বে পাঠানো একটি চিঠির প্রসঙ্গও স্মরণ করিয়ে দেন। সেই চিঠিতে তারা জাতীয় চার নেতা হত্যার পেছনে থাকা ইতিহাস, বিচারপ্রক্রিয়ার সীমাবদ্ধতা এবং ঘটনার প্রকৃত তথ্য উদঘাটনে একটি পূর্ণাঙ্গ, স্বাধীন কমিশন গঠনের আহ্বান জানিয়েছিলেন। তাতে বলা হয়েছিল, বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় ইতিহাসের একটি ভয়াবহ কলঙ্কময় অধ্যায় হিসেবে এই হত্যাকাণ্ডের যথাযথ তদন্ত ও দায়ীদের চিহ্নিত না করলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে জবাবদিহি করা কঠিন হয়ে পড়বে।

তাজউদ্দীন পরিবার বিশ্বাস করে, প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সত্য, ন্যায় ও জবাবদিহির পথে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারে এবং এ ধরনের কমিশন গঠনের মধ্য দিয়ে জাতিকে একটি নির্ভরযোগ্য ঐতিহাসিক ভিত্তি উপহার দিতে পারে।
এ দিনের সাক্ষাৎকে রাষ্ট্রীয় ও রাজনৈতিক অঙ্গনে এক নতুন সম্পর্কের সূচনা হিসেবেও দেখা হচ্ছে, যেখানে ইতিহাস, ন্যায়বিচার ও সম্মানের প্রশ্নে অভিন্ন অবস্থান গড়ে তোলার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।































