ঢাকা ০৪:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ধর্ষণ মামলার সাক্ষী হওয়ায় বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

নিজস্ব প্রতিবেদক, পটুয়াখালী
  • সর্বশেষ আপডেট ১২:২৪:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৫
  • / 67

ধর্ষণ মামলার সাক্ষী হওয়ায় বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

পটুয়াখালীর লোহালিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা ও ইউনিয়ন বিএনপির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক মফিজুল (৩৮) ২০ দিন আইসিইউতে চিকিৎসাধীন থাকার পর মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) রাত ১২টা ৩৫ মিনিটে মৃত্যু করেছেন।

পটুয়াখালী সদর থানার ওসি ইমতিয়াজ আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৮ অক্টোবর রাত ৯টার দিকে পটুয়াখালী সদর উপজেলার পালপাড়া বাজারে ধর্ষণ মামলার সাক্ষী হওয়ার কারণে মফিজুলকে কুপিয়ে জখম করা হয়। হামলাকারীরা তার সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার সময় পুলিশ সদস্যদের ওপরও হামলা হয়; এতে পাঁচ পুলিশ সদস্য আহত হন। পরবর্তীতে পুলিশ ফাঁকা গুলি ছুঁড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

গুরুতর আহত অবস্থায় মফিজুলকে প্রথমে পটুয়াখালী সদর হাসপাতাল ও পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। আইসিইউতে ২০ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর তার মৃত্যু হয়। বিকেলে তার মরদেহ বাড়িতে আনা হলে পরিবারে শোকের ছায়া নেমে আসে।

মফিজুলের স্ত্রী রাবেয়া বলেন, “আমার স্বামী অন্যায়ের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেওয়ায় ওরা তাকে হত্যা করেছে। আমার দুই মেয়ে এখন কাকে বাবা বলবে?”

ওসি ইমতিয়াজ আহমেদ জানান, ধর্ষণ মামলায় সাক্ষী দেওয়া এবং স্থানীয় আধিপত্য বিস্তারের কারণে হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। পুলিশ অভিযুক্তদের গ্রেফতারের চেষ্টা চালাচ্ছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ধর্ষণ মামলার সাক্ষী হওয়ায় বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

সর্বশেষ আপডেট ১২:২৪:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৫

পটুয়াখালীর লোহালিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা ও ইউনিয়ন বিএনপির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক মফিজুল (৩৮) ২০ দিন আইসিইউতে চিকিৎসাধীন থাকার পর মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) রাত ১২টা ৩৫ মিনিটে মৃত্যু করেছেন।

পটুয়াখালী সদর থানার ওসি ইমতিয়াজ আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৮ অক্টোবর রাত ৯টার দিকে পটুয়াখালী সদর উপজেলার পালপাড়া বাজারে ধর্ষণ মামলার সাক্ষী হওয়ার কারণে মফিজুলকে কুপিয়ে জখম করা হয়। হামলাকারীরা তার সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার সময় পুলিশ সদস্যদের ওপরও হামলা হয়; এতে পাঁচ পুলিশ সদস্য আহত হন। পরবর্তীতে পুলিশ ফাঁকা গুলি ছুঁড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

গুরুতর আহত অবস্থায় মফিজুলকে প্রথমে পটুয়াখালী সদর হাসপাতাল ও পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। আইসিইউতে ২০ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর তার মৃত্যু হয়। বিকেলে তার মরদেহ বাড়িতে আনা হলে পরিবারে শোকের ছায়া নেমে আসে।

মফিজুলের স্ত্রী রাবেয়া বলেন, “আমার স্বামী অন্যায়ের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেওয়ায় ওরা তাকে হত্যা করেছে। আমার দুই মেয়ে এখন কাকে বাবা বলবে?”

ওসি ইমতিয়াজ আহমেদ জানান, ধর্ষণ মামলায় সাক্ষী দেওয়া এবং স্থানীয় আধিপত্য বিস্তারের কারণে হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। পুলিশ অভিযুক্তদের গ্রেফতারের চেষ্টা চালাচ্ছে।