ঢাকা ০২:২১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দ্বন্দ্বপূর্ণ আসন নিয়ে গুলশান কার্যালয়ে দিকনির্দেশনা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৩:৫৬:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ অক্টোবর ২০২৫
  • / 120

বিএনপি

বিএনপি তৃণমূল নেতাদের জানিয়েছে, যদি আসনভিত্তিক একক প্রার্থীকে দ্রুত ‘সবুজ সংকেত’ না দেওয়া হয়, তাহলে অনেক স্থানে দ্বন্দ্ব ও গ্রুপিং বাড়তে পারে। এই শঙ্কা কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নজরে আসার পর নীতিনির্ধারকরা তড়িঘড়ি তৃণমূল নেতাদের ডেকে নির্দেশনা দিয়েছেন। যারা এই নির্দেশনা মানবেন না, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে।

দল সূত্রে জানা গেছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে একক প্রার্থী বাছাই প্রক্রিয়া চলছে। তফশিল ঘোষণা হওয়ার আগে ৩০০ আসনের মধ্যে অন্তত ৭০ শতাংশ আসনে একক প্রার্থীকে মাঠে কাজ করার জন্য ‘সবুজ সংকেত’ দিতে চায় বিএনপি। কেন্দ্র থেকে একক প্রার্থীকে সবুজ সংকেত দেওয়া হলে অন্য মনোনয়নপ্রত্যাশীরা তাকে সমর্থন করে ঐক্যবদ্ধভাবে গণসংযোগ করবেন।

দলীয় নীতিনির্ধারকরা জানিয়েছেন, যেসব আসনে বেশি প্রার্থী বা জটিলতা বেশি, সেখানে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের গুলশান কার্যালয়ে ডেকে বিস্তারিত দিকনির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। একক প্রার্থী নির্ধারণে বেশ কয়েকটি মানদণ্ড দেখা হচ্ছে।

যেসব আসনে দুই বা ততোধিক মনোনয়নপ্রত্যাশী জনপ্রিয়, সেসব ক্ষেত্রে একক প্রার্থী ঠিক করা কিছুটা জটিল হতে পারে। তবে একজনকে সবুজ সংকেত দিয়ে বাকিদেরও মূল্যায়ন করা হবে। এজন্য একক প্রার্থী বাছাইয়ে বড় অসুবিধা হবে না বলে মনে করছে বিএনপি নেতৃত্ব।

দলীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, শিগগিরই আসনভিত্তিক একক প্রার্থীকে মাঠে কাজ করার জন্য সবুজ সংকেত দেওয়া হবে। তবে চূড়ান্ত মনোনয়ন তফশিল ঘোষণার পর পার্লামেন্টারি বোর্ডের মাধ্যমে দেওয়া হবে। তিনি বলেন, “প্রতিটি আসনে একাধিক যোগ্য প্রার্থী আছেন। অনেক আসনে পাঁচ, সাত বা দশজন প্রার্থী আছে। তাই প্রক্রিয়াগতভাবে বাছাই করতে হবে।”

দলীয় সূত্র জানায়, আসন্ন নির্বাচনে মনোনয়ন প্রক্রিয়া সরাসরি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেখভাল করছেন। তিনি বলছেন, কোনো এলাকা থেকে এমন একজন প্রার্থীকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে, যিনি এলাকার মানুষের সঙ্গে সম্পৃক্ত, সমস্যা সমাধানে সক্ষম এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন।

বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, “আগামী নির্বাচনের জন্য বিএনপি পুরোপুরি প্রস্তুত। একক প্রার্থীর তালিকা তৈরি হচ্ছে। সবুজ সংকেত দেওয়ার সময়সূচি নিয়েও আলোচনা চলছে। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও নেতৃত্ব শিগগিরই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন।”

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

দ্বন্দ্বপূর্ণ আসন নিয়ে গুলশান কার্যালয়ে দিকনির্দেশনা

সর্বশেষ আপডেট ০৩:৫৬:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ অক্টোবর ২০২৫

বিএনপি তৃণমূল নেতাদের জানিয়েছে, যদি আসনভিত্তিক একক প্রার্থীকে দ্রুত ‘সবুজ সংকেত’ না দেওয়া হয়, তাহলে অনেক স্থানে দ্বন্দ্ব ও গ্রুপিং বাড়তে পারে। এই শঙ্কা কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নজরে আসার পর নীতিনির্ধারকরা তড়িঘড়ি তৃণমূল নেতাদের ডেকে নির্দেশনা দিয়েছেন। যারা এই নির্দেশনা মানবেন না, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে।

দল সূত্রে জানা গেছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে একক প্রার্থী বাছাই প্রক্রিয়া চলছে। তফশিল ঘোষণা হওয়ার আগে ৩০০ আসনের মধ্যে অন্তত ৭০ শতাংশ আসনে একক প্রার্থীকে মাঠে কাজ করার জন্য ‘সবুজ সংকেত’ দিতে চায় বিএনপি। কেন্দ্র থেকে একক প্রার্থীকে সবুজ সংকেত দেওয়া হলে অন্য মনোনয়নপ্রত্যাশীরা তাকে সমর্থন করে ঐক্যবদ্ধভাবে গণসংযোগ করবেন।

দলীয় নীতিনির্ধারকরা জানিয়েছেন, যেসব আসনে বেশি প্রার্থী বা জটিলতা বেশি, সেখানে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের গুলশান কার্যালয়ে ডেকে বিস্তারিত দিকনির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। একক প্রার্থী নির্ধারণে বেশ কয়েকটি মানদণ্ড দেখা হচ্ছে।

যেসব আসনে দুই বা ততোধিক মনোনয়নপ্রত্যাশী জনপ্রিয়, সেসব ক্ষেত্রে একক প্রার্থী ঠিক করা কিছুটা জটিল হতে পারে। তবে একজনকে সবুজ সংকেত দিয়ে বাকিদেরও মূল্যায়ন করা হবে। এজন্য একক প্রার্থী বাছাইয়ে বড় অসুবিধা হবে না বলে মনে করছে বিএনপি নেতৃত্ব।

দলীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, শিগগিরই আসনভিত্তিক একক প্রার্থীকে মাঠে কাজ করার জন্য সবুজ সংকেত দেওয়া হবে। তবে চূড়ান্ত মনোনয়ন তফশিল ঘোষণার পর পার্লামেন্টারি বোর্ডের মাধ্যমে দেওয়া হবে। তিনি বলেন, “প্রতিটি আসনে একাধিক যোগ্য প্রার্থী আছেন। অনেক আসনে পাঁচ, সাত বা দশজন প্রার্থী আছে। তাই প্রক্রিয়াগতভাবে বাছাই করতে হবে।”

দলীয় সূত্র জানায়, আসন্ন নির্বাচনে মনোনয়ন প্রক্রিয়া সরাসরি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেখভাল করছেন। তিনি বলছেন, কোনো এলাকা থেকে এমন একজন প্রার্থীকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে, যিনি এলাকার মানুষের সঙ্গে সম্পৃক্ত, সমস্যা সমাধানে সক্ষম এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন।

বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, “আগামী নির্বাচনের জন্য বিএনপি পুরোপুরি প্রস্তুত। একক প্রার্থীর তালিকা তৈরি হচ্ছে। সবুজ সংকেত দেওয়ার সময়সূচি নিয়েও আলোচনা চলছে। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও নেতৃত্ব শিগগিরই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন।”