ঢাকা ০১:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দেশে পণ্যমূল্য বৃদ্ধির পেছনে ডলারের দাম বৃদ্ধি : এনবিআর

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৩:৫০:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 7

ফাইল ছবি

দেশে আমদানিনির্ভর পণ্যের দাম বাড়ার পেছনে কর বা শুল্ক নয়, বরং ডলারের মূল্যবৃদ্ধিই প্রধান কারণ বলে জানিয়েছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান।

এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে ডলারের দাম ব্যাপকভাবে বেড়ে যাওয়ায় আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়েছে পণ্যমূল্যের ওপর।

রোববার (২৫ জানুয়ারি) আগারগাঁওয়ে এনবিআর ভবনে আয়োজিত ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি জানান, দুই বছর আগে ডলারের দাম ছিল ৮০ থেকে ৮৫ টাকা। বর্তমানে তা বেড়ে প্রায় ১২৬ থেকে ১২৭ টাকায় দাঁড়িয়েছে, যা প্রায় ৪০ শতাংশ বৃদ্ধি।

এর ফলে বিদেশ থেকে যেকোনো পণ্য আমদানি করতে এখন অনেক বেশি খরচ হচ্ছে বলে জানান তিনি।

ফলের ওপর উচ্চ শুল্ক থাকার অভিযোগ প্রসঙ্গে এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, এ বিষয়ে অনেক ভুল তথ্য রয়েছে।

“গত দেড় বছরে ফলের ওপর কোনো শুল্ক বাড়ানো হয়নি। বরং আগে ১০ শতাংশ আয়কর ছিল, যা কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়েছে,” বলেন তিনি।

তিনি আরও জানান, খেজুর আমদানির ক্ষেত্রেও উল্লেখযোগ্য হারে শুল্ক কমানো হয়েছে।

তার মতে, আমদানিনির্ভর পণ্যের মূল্যবৃদ্ধির মূল কারণ ডলারের মূল্য বৃদ্ধি, কর বা শুল্ক নয়।

“ফল হোক বা অন্য যেকোনো পণ্য, ডলারের দাম বাড়ায় আমদানি ব্যয় বেড়েছে, সেটাই বাজারে দামের ওপর প্রভাব ফেলছে,” বলেন তিনি।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

দেশে পণ্যমূল্য বৃদ্ধির পেছনে ডলারের দাম বৃদ্ধি : এনবিআর

সর্বশেষ আপডেট ০৩:৫০:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬

দেশে আমদানিনির্ভর পণ্যের দাম বাড়ার পেছনে কর বা শুল্ক নয়, বরং ডলারের মূল্যবৃদ্ধিই প্রধান কারণ বলে জানিয়েছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান।

এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে ডলারের দাম ব্যাপকভাবে বেড়ে যাওয়ায় আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়েছে পণ্যমূল্যের ওপর।

রোববার (২৫ জানুয়ারি) আগারগাঁওয়ে এনবিআর ভবনে আয়োজিত ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি জানান, দুই বছর আগে ডলারের দাম ছিল ৮০ থেকে ৮৫ টাকা। বর্তমানে তা বেড়ে প্রায় ১২৬ থেকে ১২৭ টাকায় দাঁড়িয়েছে, যা প্রায় ৪০ শতাংশ বৃদ্ধি।

এর ফলে বিদেশ থেকে যেকোনো পণ্য আমদানি করতে এখন অনেক বেশি খরচ হচ্ছে বলে জানান তিনি।

ফলের ওপর উচ্চ শুল্ক থাকার অভিযোগ প্রসঙ্গে এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, এ বিষয়ে অনেক ভুল তথ্য রয়েছে।

“গত দেড় বছরে ফলের ওপর কোনো শুল্ক বাড়ানো হয়নি। বরং আগে ১০ শতাংশ আয়কর ছিল, যা কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়েছে,” বলেন তিনি।

তিনি আরও জানান, খেজুর আমদানির ক্ষেত্রেও উল্লেখযোগ্য হারে শুল্ক কমানো হয়েছে।

তার মতে, আমদানিনির্ভর পণ্যের মূল্যবৃদ্ধির মূল কারণ ডলারের মূল্য বৃদ্ধি, কর বা শুল্ক নয়।

“ফল হোক বা অন্য যেকোনো পণ্য, ডলারের দাম বাড়ায় আমদানি ব্যয় বেড়েছে, সেটাই বাজারে দামের ওপর প্রভাব ফেলছে,” বলেন তিনি।