ঢাকা ১১:৩৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
চট্টগ্রামে উপদেষ্টা সাখাওয়াত হোসেন

দেশের সব জায়গায় চাঁদাবাজি হচ্ছে

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম
  • সর্বশেষ আপডেট ০৩:২০:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ নভেম্বর ২০২৫
  • / 77

উপদেষ্টা সাখাওয়াত হোসেন

নৌপরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, দেশের সব জায়গায় চাঁদাবাজি হচ্ছে, শুধু পরিবহন টার্মিনাল নয়। তবে তিনি সরাসরি বলেননি কে এই চাঁদাবাজি করছে। তিনি উল্লেখ করেছেন, “আমরা তো অনুসন্ধান করি না, অনুসন্ধান করেন সাংবাদিকরা।”

সোমবার (১০ নভেম্বর) বেলা পৌনে ১১টায় চট্টগ্রাম বন্দরের বে টার্মিনালে নতুন পরিবহন টার্মিনাল উদ্বোধনের পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

এর আগে সকাল সাড়ে ৯টায় তিনি লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল উদ্বোধন করেন। এ সময় তিনি বলেন, দেশের স্বার্থ ক্ষতি করে কাউকে বন্দর অপারেশন করতে দেওয়া হবে না।

বন্দর ট্যারিফ সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “ট্যারিফ বাড়ানোর আগে ব্যবসায়ীসহ বন্দরের সব স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। শ্রমিকদের সঙ্গেও কথা হয়েছে। কিন্তু এখন শ্রমিকরা বলছেন, তাদের সঙ্গে কথা হয়নি।”

উপদেষ্টা আরও জানান, “১৯৮৪ সালের ট্যারিফের ভিত্তিতে ৪০ বছর ধরে বন্দর চলছিল। ৪০ বছর পর বন্দর কর্তৃপক্ষ ট্যারিফ হালনাগাদ করেছে। তারপরও ব্যবসায়ীদের অভিযোগ এসেছে, সেই বিষয়গুলো পর্যালোচনার জন্য বন্দর কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।”

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

চট্টগ্রামে উপদেষ্টা সাখাওয়াত হোসেন

দেশের সব জায়গায় চাঁদাবাজি হচ্ছে

সর্বশেষ আপডেট ০৩:২০:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ নভেম্বর ২০২৫

নৌপরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, দেশের সব জায়গায় চাঁদাবাজি হচ্ছে, শুধু পরিবহন টার্মিনাল নয়। তবে তিনি সরাসরি বলেননি কে এই চাঁদাবাজি করছে। তিনি উল্লেখ করেছেন, “আমরা তো অনুসন্ধান করি না, অনুসন্ধান করেন সাংবাদিকরা।”

সোমবার (১০ নভেম্বর) বেলা পৌনে ১১টায় চট্টগ্রাম বন্দরের বে টার্মিনালে নতুন পরিবহন টার্মিনাল উদ্বোধনের পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

এর আগে সকাল সাড়ে ৯টায় তিনি লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল উদ্বোধন করেন। এ সময় তিনি বলেন, দেশের স্বার্থ ক্ষতি করে কাউকে বন্দর অপারেশন করতে দেওয়া হবে না।

বন্দর ট্যারিফ সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “ট্যারিফ বাড়ানোর আগে ব্যবসায়ীসহ বন্দরের সব স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। শ্রমিকদের সঙ্গেও কথা হয়েছে। কিন্তু এখন শ্রমিকরা বলছেন, তাদের সঙ্গে কথা হয়নি।”

উপদেষ্টা আরও জানান, “১৯৮৪ সালের ট্যারিফের ভিত্তিতে ৪০ বছর ধরে বন্দর চলছিল। ৪০ বছর পর বন্দর কর্তৃপক্ষ ট্যারিফ হালনাগাদ করেছে। তারপরও ব্যবসায়ীদের অভিযোগ এসেছে, সেই বিষয়গুলো পর্যালোচনার জন্য বন্দর কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।”