ঢাকা ১১:৩৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দেব-সোহিনী জুটি আসছে? সোহিনীর খোলামেলা জবাব

বিনোদন ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১১:৩০:৫৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ নভেম্বর ২০২৫
  • / 67

দেব-সোহিনী জুটি আসছে? সোহিনীর খোলামেলা জবাব

চিত্রনায়ক দেবের বিপরীতে এবার নাচ-গানের ছবিতে দেখা যাবে সোহিনী সরকারকে—এই খবর সামনে আসার পর থেকেই নতুন জুটির গুঞ্জন তুঙ্গে। তবে অভিনেত্রী নিজেই এ বিষয়ে যা বললেন, তা তুলে ধরা হলো।

সোহিনী জানান, জুটি হওয়া-না-হওয়া সম্পূর্ণভাবে প্রযোজকদের সিদ্ধান্ত। তবুও যদি দেব-সোহিনী জুটি তৈরি হয়, তাতে তিনি খুশি হবেন। সোহিনী মনে করেন ইন্ডাস্ট্রিতে পুরনো জুটি বদলে নতুন মিশ্রণ এলে সিনেমায় ভিন্ন স্বাদের কাহিনী ও পরিধান দেখা যাবে — উদাহরণ হিসেবে তিনি ইধিকা-আবীর, অঙ্কুশ-রুক্মিণী, জিত-ইশা ইত্যাদি জানালেন।

দেবের সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্ক সম্পর্কিত জল্পনায় সোহিনী স্পষ্টতই জানালেন, তাদের সম্পর্ক পেশাগত মাত্রার। তিনি বললেন, “ওর সঙ্গে পরিচয় ছিল; ওর জন্মদিনেও গিয়েছি। পূর্বে দু’বার কাজের প্রস্তাব এসেছিল, কিন্তু চরিত্র পছন্দ না হওয়ায় গ্রহণ করিনি। ‘রঘু ডাকাত’-এর সময় দেব মজা করে বলেছিল, ‘তুই তো আমায় না করেছিলি’ — তখনই বুঝতে পেরেছি ও আমার সিদ্ধান্তকে সম্মান করে। আমরা দুজনেই একজন শিল্পী হিসাবে একে অপরকে সম্মান করি; তাই ‘দেবের ঘরে প্রবেশ’ বলাটা ঠিক মনে হয় না।”

দুর্গাপুজোর সময় ছবির মুক্তি নির্দিষ্ট করে প্রযোজকদের মধ্যে যে প্রতিযোগিতা দেখা যায় তা নিয়েও মত দিয়েছেন সোহিনী। তিনি বলেন, এসব দৃশ্য আগেও দেখেছেন এবং পরবর্তী দিন দেখেছেন সেই মানুষেরাই আবার একসঙ্গে বসে চা খাচ্ছে—এটাই তাঁর কাছে বিস্ময়ের বিষয়। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, দর্শক যদি বাংলা ছবির পাশে থাকে, তাহলে ইন্ডাস্ট্রির মানুষদের কি নিজেদের মধ্যেই ঐক্যবদ্ধ থাকা উচিত না? তাঁর বক্তব্য — আগে আমাদের নিজেদের মধ্যে ঐক্য প্রয়োজন, তা না হলে দর্শক কতটা পাশে থাকবে সন্দেহ রয়েছে।

ব্যক্তিগতভাবে এখন আশ্চর্যজনকভাবে বেশি শান্ত দেখাচ্ছেন—এমন মন্তব্যের জবাবে সোহিনী বললেন, আগে তিনি বেশ ভাবেগো ছিলেন; পরে নিজের ভুলগুলি উপলব্ধি করেছেন। সবসময় কথা বললে অন্যের কথাই শোনা হয় না, মাঝে চুপ থেকেও মূল্য আছে—আর তিনি রাজনীতিবিদ নন, যদিও মাঝে মাঝে রাজনৈতিক লেবেল দেওয়া হয়।

বামপন্থী নেত্রী দীপ্সিতা ধরের ননদ হিসেবে যে ধরনের সমালোচনার মুখে পড়েছেন, তাতেও তাঁর তেমন কোনও প্রভাব নেই বললেন সোহিনী। তিনি স্পষ্ট করলেন, কোনও দলের সদস্য নন — সাধারণ মানুষের মতোই নিজের ব্যপারে সিদ্ধান্ত নেন এবং দলভুক্ত না থাকার কারণে কোনো রাজনৈতিক আশ্রয়ের ওপর নির্ভর করেন না।

অরূপ বিশ্বাসের ভাইফোঁটার অনুষ্ঠানে না যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন হলে সোহিনী হেসে বললেন, “আমাকে নিমন্ত্রণ করা হয়নি, তাই যাইনি। নিমন্ত্রণ না থাকলে কেউ অন্যের বাড়ি যায় না।” তিনি আরও যোগ করেন, সবাই নিজেকে টিকে রাখার লড়াই করছে; পরিচিতি থাকলে সবকিছু করা যায় না — যদি কেউ সরকারি হাসপাতালে বেড জোগাড় করে দিতে বলে, তিনি তা করতে পারবেন না, তাতে পরিচিতির কোনো বড় উপকার হয় না।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

দেব-সোহিনী জুটি আসছে? সোহিনীর খোলামেলা জবাব

সর্বশেষ আপডেট ১১:৩০:৫৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ নভেম্বর ২০২৫

চিত্রনায়ক দেবের বিপরীতে এবার নাচ-গানের ছবিতে দেখা যাবে সোহিনী সরকারকে—এই খবর সামনে আসার পর থেকেই নতুন জুটির গুঞ্জন তুঙ্গে। তবে অভিনেত্রী নিজেই এ বিষয়ে যা বললেন, তা তুলে ধরা হলো।

সোহিনী জানান, জুটি হওয়া-না-হওয়া সম্পূর্ণভাবে প্রযোজকদের সিদ্ধান্ত। তবুও যদি দেব-সোহিনী জুটি তৈরি হয়, তাতে তিনি খুশি হবেন। সোহিনী মনে করেন ইন্ডাস্ট্রিতে পুরনো জুটি বদলে নতুন মিশ্রণ এলে সিনেমায় ভিন্ন স্বাদের কাহিনী ও পরিধান দেখা যাবে — উদাহরণ হিসেবে তিনি ইধিকা-আবীর, অঙ্কুশ-রুক্মিণী, জিত-ইশা ইত্যাদি জানালেন।

দেবের সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্ক সম্পর্কিত জল্পনায় সোহিনী স্পষ্টতই জানালেন, তাদের সম্পর্ক পেশাগত মাত্রার। তিনি বললেন, “ওর সঙ্গে পরিচয় ছিল; ওর জন্মদিনেও গিয়েছি। পূর্বে দু’বার কাজের প্রস্তাব এসেছিল, কিন্তু চরিত্র পছন্দ না হওয়ায় গ্রহণ করিনি। ‘রঘু ডাকাত’-এর সময় দেব মজা করে বলেছিল, ‘তুই তো আমায় না করেছিলি’ — তখনই বুঝতে পেরেছি ও আমার সিদ্ধান্তকে সম্মান করে। আমরা দুজনেই একজন শিল্পী হিসাবে একে অপরকে সম্মান করি; তাই ‘দেবের ঘরে প্রবেশ’ বলাটা ঠিক মনে হয় না।”

দুর্গাপুজোর সময় ছবির মুক্তি নির্দিষ্ট করে প্রযোজকদের মধ্যে যে প্রতিযোগিতা দেখা যায় তা নিয়েও মত দিয়েছেন সোহিনী। তিনি বলেন, এসব দৃশ্য আগেও দেখেছেন এবং পরবর্তী দিন দেখেছেন সেই মানুষেরাই আবার একসঙ্গে বসে চা খাচ্ছে—এটাই তাঁর কাছে বিস্ময়ের বিষয়। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, দর্শক যদি বাংলা ছবির পাশে থাকে, তাহলে ইন্ডাস্ট্রির মানুষদের কি নিজেদের মধ্যেই ঐক্যবদ্ধ থাকা উচিত না? তাঁর বক্তব্য — আগে আমাদের নিজেদের মধ্যে ঐক্য প্রয়োজন, তা না হলে দর্শক কতটা পাশে থাকবে সন্দেহ রয়েছে।

ব্যক্তিগতভাবে এখন আশ্চর্যজনকভাবে বেশি শান্ত দেখাচ্ছেন—এমন মন্তব্যের জবাবে সোহিনী বললেন, আগে তিনি বেশ ভাবেগো ছিলেন; পরে নিজের ভুলগুলি উপলব্ধি করেছেন। সবসময় কথা বললে অন্যের কথাই শোনা হয় না, মাঝে চুপ থেকেও মূল্য আছে—আর তিনি রাজনীতিবিদ নন, যদিও মাঝে মাঝে রাজনৈতিক লেবেল দেওয়া হয়।

বামপন্থী নেত্রী দীপ্সিতা ধরের ননদ হিসেবে যে ধরনের সমালোচনার মুখে পড়েছেন, তাতেও তাঁর তেমন কোনও প্রভাব নেই বললেন সোহিনী। তিনি স্পষ্ট করলেন, কোনও দলের সদস্য নন — সাধারণ মানুষের মতোই নিজের ব্যপারে সিদ্ধান্ত নেন এবং দলভুক্ত না থাকার কারণে কোনো রাজনৈতিক আশ্রয়ের ওপর নির্ভর করেন না।

অরূপ বিশ্বাসের ভাইফোঁটার অনুষ্ঠানে না যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন হলে সোহিনী হেসে বললেন, “আমাকে নিমন্ত্রণ করা হয়নি, তাই যাইনি। নিমন্ত্রণ না থাকলে কেউ অন্যের বাড়ি যায় না।” তিনি আরও যোগ করেন, সবাই নিজেকে টিকে রাখার লড়াই করছে; পরিচিতি থাকলে সবকিছু করা যায় না — যদি কেউ সরকারি হাসপাতালে বেড জোগাড় করে দিতে বলে, তিনি তা করতে পারবেন না, তাতে পরিচিতির কোনো বড় উপকার হয় না।