ঢাকা ০৮:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দুর্জয়কে কাঠগড়ায় দেখে কেঁদে ফেললেন স্ত্রী, চুমু খেলেন বোন

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৮:৪৭:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 77

সাবেক এমপি নাঈমুর রহমান দুর্জয়

মানিকগঞ্জ-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য নাঈমুর রহমান দুর্জয়কে কাঠগড়ায় দেখে তার স্ত্রী ফারহানা রহমান হ্যাপি কান্নায় ভেঙে পড়েন। এ সময় তার বোন হাত ধরে চুমু দেন।

রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ সাব্বির ফয়েজের আদালতে এই দৃশ্য দেখা যায়। দুর্নীতির মামলায় হাজিরা দিতে সকাল থেকেই আদালতের প্রাঙ্গণে অপেক্ষায় ছিলেন স্ত্রী ও বোন। দুপুর ১২টার দিকে দুর্জয়কে আদালতে আনা হয়। তার মাথায় হেলমেট, গায়ে বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট এবং হাতকড়া ছিল।

কাঠগড়ায় নেওয়ার পর এসব সরানো হয়। দুর্জয়ের স্ত্রী ও বোন এগিয়ে গিয়ে তাকে দেখে কথা বলেন। ফারহানা হ্যাপি কান্নায় ভেঙে পড়েন, আর দুর্জয়ের বোন হাত ধরে চুমু দেন। পুলিশ সদস্যরা কয়েক মিনিট পর তাদের সরিয়ে দেন।

দুর্জয় আদালতের আসামিদের বেঞ্চে বসেন। মামলার শুনানি শুরু হয় দুপুর সাড়ে ১২টায়। দুর্জয়ের আইনজীবী একান্তে কথা বলার অনুমতি পান। দুদক প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেনি; আদালত আগামী ৭ জানুয়ারি প্রতিবেদন দাখিলের দিন ঠিক করেছে।

দুর্জয় অবৈধভাবে সোয়া ১১ কোটি টাকা অর্জনের অভিযোগে মামলায় অভিযুক্ত। গত ২ জুলাই ঢাকার লালমাটিয়া থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, মানিকগঞ্জ পাওয়ার জেনারেশন লিমিটেড থেকে ৪ কোটি ২২ লাখ টাকা নেয়া, ১০টি ব্যাংক হিসাব ও ৯টি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ৪৭ কোটি ১৯ লাখ টাকার লেনদেন, যার ৪৬ কোটি ৪৬ লাখ টাকা সন্দেহজনকভাবে স্থানান্তর ও হস্তান্তর করা হয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

দুর্জয়কে কাঠগড়ায় দেখে কেঁদে ফেললেন স্ত্রী, চুমু খেলেন বোন

সর্বশেষ আপডেট ০৮:৪৭:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

মানিকগঞ্জ-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য নাঈমুর রহমান দুর্জয়কে কাঠগড়ায় দেখে তার স্ত্রী ফারহানা রহমান হ্যাপি কান্নায় ভেঙে পড়েন। এ সময় তার বোন হাত ধরে চুমু দেন।

রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ সাব্বির ফয়েজের আদালতে এই দৃশ্য দেখা যায়। দুর্নীতির মামলায় হাজিরা দিতে সকাল থেকেই আদালতের প্রাঙ্গণে অপেক্ষায় ছিলেন স্ত্রী ও বোন। দুপুর ১২টার দিকে দুর্জয়কে আদালতে আনা হয়। তার মাথায় হেলমেট, গায়ে বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট এবং হাতকড়া ছিল।

কাঠগড়ায় নেওয়ার পর এসব সরানো হয়। দুর্জয়ের স্ত্রী ও বোন এগিয়ে গিয়ে তাকে দেখে কথা বলেন। ফারহানা হ্যাপি কান্নায় ভেঙে পড়েন, আর দুর্জয়ের বোন হাত ধরে চুমু দেন। পুলিশ সদস্যরা কয়েক মিনিট পর তাদের সরিয়ে দেন।

দুর্জয় আদালতের আসামিদের বেঞ্চে বসেন। মামলার শুনানি শুরু হয় দুপুর সাড়ে ১২টায়। দুর্জয়ের আইনজীবী একান্তে কথা বলার অনুমতি পান। দুদক প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেনি; আদালত আগামী ৭ জানুয়ারি প্রতিবেদন দাখিলের দিন ঠিক করেছে।

দুর্জয় অবৈধভাবে সোয়া ১১ কোটি টাকা অর্জনের অভিযোগে মামলায় অভিযুক্ত। গত ২ জুলাই ঢাকার লালমাটিয়া থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, মানিকগঞ্জ পাওয়ার জেনারেশন লিমিটেড থেকে ৪ কোটি ২২ লাখ টাকা নেয়া, ১০টি ব্যাংক হিসাব ও ৯টি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ৪৭ কোটি ১৯ লাখ টাকার লেনদেন, যার ৪৬ কোটি ৪৬ লাখ টাকা সন্দেহজনকভাবে স্থানান্তর ও হস্তান্তর করা হয়েছে।