ঢাকা ০৫:১৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দুই জেলায় চাঞ্চল্যকর হত্যা: প্রধান দুই আসামি গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৫:৪৮:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৫
  • / 87

দুই জেলায় চাঞ্চল্যকর হত্যা: প্রধান দুই আসামি গ্রেপ্তার

দুই জেলায় সংঘটিত আলোচিত হত্যা মামলার প্রধান আসামিদের গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)। সোমবার (১৮ আগস্ট) মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানায় র‍্যাব-১০।

র‍্যাব জানায়, ঢাকার দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জে তফুরা খাতুনের ছেলে রাকিবুল সরদার (১৪) হত্যার ঘটনায় তার সৎপিতা মো. আজহারুল সরদারকে (৩৬) গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তফুরা খাতুন প্রথম স্বামী খায়রুল সরদারের মৃত্যুর পর দুই বছর আগে আজহারুলকে বিয়ে করেন। তবে নির্যাতনের শিকার হয়ে তিনি প্রায় ৬ মাস আগে আদালতের মাধ্যমে তালাক নেন। এরপর থেকেই আজহারুল নিয়মিত হুমকি দিয়ে আসছিলেন। গত ১৪ আগস্ট রাকিবুল কাজে বের হয়ে আর বাসায় ফেরেনি। পরে ১৬ আগস্ট সকালে আজহারুলের ভাড়া বাড়ি থেকে রাকিবুলের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের মা বাদী হয়ে দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলা দায়েরের মাত্র ৬ ঘণ্টার মধ্যে তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে খুলনার হরিণটানা থানাধীন জিরো পয়েন্ট মোড়ে অভিযান চালিয়ে আসামি আজহারুলকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে রাকিবুলকে শ্বাসরোধে হত্যার কথা স্বীকার করেছে।

অন্যদিকে ফরিদপুরের ভাঙ্গায় বিল থেকে বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় নিহত মো. রেদুয়ান (২৮) হত্যা মামলার প্রধান আসামি মো. জহুরুল মুন্সী ওরফে সুলতান জাহিরকে (২৫) গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব-১০।

রেদুয়ান ১৩ আগস্ট বিকালে মোটরসাইকেল নিয়ে বের হয়ে নিখোঁজ হন। কয়েকদিন পর স্থানীয়রা বিল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে। নিহতের মা রাবেয়া বেগম বাদী হয়ে ভাঙ্গা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে র‍্যাব-১০ এর একটি আভিযানিক দল ১৮ আগস্ট গভীর রাতে ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গায় অভিযান চালিয়ে আসামি জহুরুলকে গ্রেপ্তার করে। তার বাড়ি থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি, রক্তমাখা জামাকাপড়, ভিকটিমের ব্যাংক কার্ড, মানিব্যাগ, পাদুকা ইত্যাদি উদ্ধার করা হয়। এছাড়া মাদারীপুর জেলার শিবচর থেকে নিহতের মোটরসাইকেলও উদ্ধার করা হয়েছে।

র‍্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামি জহুরুল স্বীকার করেছে যে, পূর্বের সম্পর্কের জের ধরে ক্ষিপ্ত হয়ে সে রেদুয়ানকে ছুরি দিয়ে হত্যা করে এবং মরদেহ বিলে ফেলে দেয়।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

দুই জেলায় চাঞ্চল্যকর হত্যা: প্রধান দুই আসামি গ্রেপ্তার

সর্বশেষ আপডেট ০৫:৪৮:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৫

দুই জেলায় সংঘটিত আলোচিত হত্যা মামলার প্রধান আসামিদের গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)। সোমবার (১৮ আগস্ট) মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানায় র‍্যাব-১০।

র‍্যাব জানায়, ঢাকার দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জে তফুরা খাতুনের ছেলে রাকিবুল সরদার (১৪) হত্যার ঘটনায় তার সৎপিতা মো. আজহারুল সরদারকে (৩৬) গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তফুরা খাতুন প্রথম স্বামী খায়রুল সরদারের মৃত্যুর পর দুই বছর আগে আজহারুলকে বিয়ে করেন। তবে নির্যাতনের শিকার হয়ে তিনি প্রায় ৬ মাস আগে আদালতের মাধ্যমে তালাক নেন। এরপর থেকেই আজহারুল নিয়মিত হুমকি দিয়ে আসছিলেন। গত ১৪ আগস্ট রাকিবুল কাজে বের হয়ে আর বাসায় ফেরেনি। পরে ১৬ আগস্ট সকালে আজহারুলের ভাড়া বাড়ি থেকে রাকিবুলের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের মা বাদী হয়ে দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলা দায়েরের মাত্র ৬ ঘণ্টার মধ্যে তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে খুলনার হরিণটানা থানাধীন জিরো পয়েন্ট মোড়ে অভিযান চালিয়ে আসামি আজহারুলকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে রাকিবুলকে শ্বাসরোধে হত্যার কথা স্বীকার করেছে।

অন্যদিকে ফরিদপুরের ভাঙ্গায় বিল থেকে বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় নিহত মো. রেদুয়ান (২৮) হত্যা মামলার প্রধান আসামি মো. জহুরুল মুন্সী ওরফে সুলতান জাহিরকে (২৫) গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব-১০।

রেদুয়ান ১৩ আগস্ট বিকালে মোটরসাইকেল নিয়ে বের হয়ে নিখোঁজ হন। কয়েকদিন পর স্থানীয়রা বিল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে। নিহতের মা রাবেয়া বেগম বাদী হয়ে ভাঙ্গা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে র‍্যাব-১০ এর একটি আভিযানিক দল ১৮ আগস্ট গভীর রাতে ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গায় অভিযান চালিয়ে আসামি জহুরুলকে গ্রেপ্তার করে। তার বাড়ি থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি, রক্তমাখা জামাকাপড়, ভিকটিমের ব্যাংক কার্ড, মানিব্যাগ, পাদুকা ইত্যাদি উদ্ধার করা হয়। এছাড়া মাদারীপুর জেলার শিবচর থেকে নিহতের মোটরসাইকেলও উদ্ধার করা হয়েছে।

র‍্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামি জহুরুল স্বীকার করেছে যে, পূর্বের সম্পর্কের জের ধরে ক্ষিপ্ত হয়ে সে রেদুয়ানকে ছুরি দিয়ে হত্যা করে এবং মরদেহ বিলে ফেলে দেয়।