ঢাকা ০৯:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দীঘিনালায় কঠিন চীবরদান উপলক্ষে বৌদ্ধ বিহার পরিদর্শন

নিজস্ব প্রতিবেদক, দীঘিনালা
  • সর্বশেষ আপডেট ০৯:৩৮:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর ২০২৫
  • / 291

দীঘিনালায় কঠিন চীবরদান উপলক্ষে বৌদ্ধ বিহার পরিদর্শন

কঠিন চীবরদান উৎসবকে শান্তিপূর্ণ ও সম্প্রীতির পরিবেশে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে দীঘিনালার বিভিন্ন বৌদ্ধ বিহার পরিদর্শন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুহাম্মদ ইনামুল হাছান এবং খাগড়াছড়ি সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. কামরুল ইসলাম।

বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) সকাল ১১টায় তারা দীঘিনালা উপজেলার বোয়ালখালী সার্বজনীন শালবন বৌদ্ধ বিহার, দীঘিনালা বনবিহার এবং কামাকুছড়া ধর্মাংকুর ধলাইমা বৌদ্ধ বিহার পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শনকালে ইউএনও ইনামুল হাছান ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. কামরুল ইসলাম বিহারের প্রধান ভান্তেদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এবং কঠিন চীবরদান উপলক্ষে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে মতবিনিময় করেন।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কামরুল ইসলাম বলেন, “কঠিন চীবরদান উৎসব যেন শান্তি ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখে উদযাপিত হয়, সে লক্ষ্যে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে। কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় থানায় জানাতে হবে।”

এ সময় উপস্থিত ছিলেন দীঘিনালা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জাকারিয়া এবং দীঘিনালা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মো. সোহেল রানা।

উল্লেখ্য, এবছর দীঘিনালা উপজেলায় ৮টি বনবিহার ও ৩৯টি বৌদ্ধ বিহারে কঠিন চীবরদান উৎসব পালিত হবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

দীঘিনালায় কঠিন চীবরদান উপলক্ষে বৌদ্ধ বিহার পরিদর্শন

সর্বশেষ আপডেট ০৯:৩৮:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর ২০২৫

কঠিন চীবরদান উৎসবকে শান্তিপূর্ণ ও সম্প্রীতির পরিবেশে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে দীঘিনালার বিভিন্ন বৌদ্ধ বিহার পরিদর্শন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুহাম্মদ ইনামুল হাছান এবং খাগড়াছড়ি সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. কামরুল ইসলাম।

বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) সকাল ১১টায় তারা দীঘিনালা উপজেলার বোয়ালখালী সার্বজনীন শালবন বৌদ্ধ বিহার, দীঘিনালা বনবিহার এবং কামাকুছড়া ধর্মাংকুর ধলাইমা বৌদ্ধ বিহার পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শনকালে ইউএনও ইনামুল হাছান ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. কামরুল ইসলাম বিহারের প্রধান ভান্তেদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এবং কঠিন চীবরদান উপলক্ষে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে মতবিনিময় করেন।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কামরুল ইসলাম বলেন, “কঠিন চীবরদান উৎসব যেন শান্তি ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখে উদযাপিত হয়, সে লক্ষ্যে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে। কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় থানায় জানাতে হবে।”

এ সময় উপস্থিত ছিলেন দীঘিনালা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জাকারিয়া এবং দীঘিনালা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মো. সোহেল রানা।

উল্লেখ্য, এবছর দীঘিনালা উপজেলায় ৮টি বনবিহার ও ৩৯টি বৌদ্ধ বিহারে কঠিন চীবরদান উৎসব পালিত হবে।