ঢাকা ০৪:২৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
জেসিকা টিশের আবেগঘন পোস্ট

দিদারুলের শোকের পরিবারে নতুন প্রাণের আগমন

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১১:০৪:০২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৫
  • / 77

দিদারুলের শোকের পরিবারে নতুন প্রাণের আগমন

মিডটাউন হামলায় নিহত বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত পুলিশ কর্মকর্তা দিদারুল ইসলামকে হারানো শোকে মৃয়মান পরিবারে নতুন প্রাণের আগমন হয়েছে। দিদারুলের প্রয়াণের ২০ দিনের মাথায় শোকে স্তব্দ পরিবার আলো করে জন্ম নিলো এক পুত্র সন্তান।

রোববার (১৮ আগস্ট) তার স্ত্রী পুত্র সন্তান জন্ম দিয়েছেন। তার পুত্রের নাম আরহাম।

নিউইয়র্ক পুলিশ কমিশনার জেশিকা টিশ তার ইন্সট্রাগ্রামে দিদারুলের সদ্য জন্ম নেওয়া নবজাতকসহ তিন পুত্রের ছবি পোস্ট করে লেখেন, দুঃখের মধ্যেও এক নতুন জীবন এই পৃথিবীতে এসেছে। ডিটেকটিভ ফার্স্ট গ্রেড দিদারুল ইসলামের স্ত্রী জামিলা ইসলাম তাঁদের সুন্দর পুত্রসন্তান আরহামের জন্ম দিয়েছেন। আরহাম এখন তাঁর দুই বড় ভাই আহিয়ান এবং আজহানের সঙ্গে যুক্ত হলো। তিনি আরো লেখেন, তারা একসঙ্গে তাঁদের বাবার সেবার ও সাহসের উত্তরাধিকার বহন করে নিয়ে যাবে। যেটিকে এনওয়াইপিডি নিয়ে তাদের রক্ষা ও লালন করবে, যেমন দিদার এই সিটিকে দিয়েছিলেন। জামিলাসহ তাঁর সন্তান আহিয়ান, আজহান এবং এখন আরহাম-রা চিরকাল এনওয়াইপিডি পরিবারের অংশ হয়ে থাকবেন।

এদিকে এ খবরের পেয়ে সিটি মেয়র এরিক অ্যাডামস হাসপাতালে ছুটে যান ডিটেকটিভ দিদারুলের সদ্য জন্ম নেওয়া নবজাতক সন্তান ও পরিবারকে দেখতে গিয়ে জানান, দিদারুলের পরিবার নিউইয়র্ক সিটির অংশ, তাদের সঙ্গে আমাদের অঙ্গীকার অব্যাহত থাকবে।

গত ২৮ জুলাই ম্যানহাটনে ৩৪৫ পার্ক অ্যাভিনিউয়ের অফিস ভবনে চারজন নিহত হন, তাদের মধ্যে ছিলেন এনওয়াইপিডির কর্মকর্তা দিদারুল ইসলাম। সে সময় তার স্ত্রী আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। তার আরো দুই পুত্র সন্তান রয়েছে।

বাংলাদেশী বংশোদ্ভুত দিদারুল ইসলাম ব্রঙ্কসের বেচেস্টার এলাকায় এনওয়াইপিডির ৪৭তম প্রিসিঙ্কটে দায়িত্বরত ছিলেন। সাড়ে তিন বছরের কর্মজীবনে তিনি সহকর্মীদের কাছে ছিলেন সৎ ও নিবেদিতপ্রাণ পুলিশ কর্মকর্তা। নিউইয়র্ক সিটিতে দায়িত্ব পালনকালে নিহত প্রথম বাংলাদেশি পুলিশ সদস্য তিনি। মৃত্যুর পর তাঁকে মরণোত্তর পদোন্নতি দিয়ে ডিটেকটিভ পদে উন্নীত করা হয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

জেসিকা টিশের আবেগঘন পোস্ট

দিদারুলের শোকের পরিবারে নতুন প্রাণের আগমন

সর্বশেষ আপডেট ১১:০৪:০২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৫

মিডটাউন হামলায় নিহত বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত পুলিশ কর্মকর্তা দিদারুল ইসলামকে হারানো শোকে মৃয়মান পরিবারে নতুন প্রাণের আগমন হয়েছে। দিদারুলের প্রয়াণের ২০ দিনের মাথায় শোকে স্তব্দ পরিবার আলো করে জন্ম নিলো এক পুত্র সন্তান।

রোববার (১৮ আগস্ট) তার স্ত্রী পুত্র সন্তান জন্ম দিয়েছেন। তার পুত্রের নাম আরহাম।

নিউইয়র্ক পুলিশ কমিশনার জেশিকা টিশ তার ইন্সট্রাগ্রামে দিদারুলের সদ্য জন্ম নেওয়া নবজাতকসহ তিন পুত্রের ছবি পোস্ট করে লেখেন, দুঃখের মধ্যেও এক নতুন জীবন এই পৃথিবীতে এসেছে। ডিটেকটিভ ফার্স্ট গ্রেড দিদারুল ইসলামের স্ত্রী জামিলা ইসলাম তাঁদের সুন্দর পুত্রসন্তান আরহামের জন্ম দিয়েছেন। আরহাম এখন তাঁর দুই বড় ভাই আহিয়ান এবং আজহানের সঙ্গে যুক্ত হলো। তিনি আরো লেখেন, তারা একসঙ্গে তাঁদের বাবার সেবার ও সাহসের উত্তরাধিকার বহন করে নিয়ে যাবে। যেটিকে এনওয়াইপিডি নিয়ে তাদের রক্ষা ও লালন করবে, যেমন দিদার এই সিটিকে দিয়েছিলেন। জামিলাসহ তাঁর সন্তান আহিয়ান, আজহান এবং এখন আরহাম-রা চিরকাল এনওয়াইপিডি পরিবারের অংশ হয়ে থাকবেন।

এদিকে এ খবরের পেয়ে সিটি মেয়র এরিক অ্যাডামস হাসপাতালে ছুটে যান ডিটেকটিভ দিদারুলের সদ্য জন্ম নেওয়া নবজাতক সন্তান ও পরিবারকে দেখতে গিয়ে জানান, দিদারুলের পরিবার নিউইয়র্ক সিটির অংশ, তাদের সঙ্গে আমাদের অঙ্গীকার অব্যাহত থাকবে।

গত ২৮ জুলাই ম্যানহাটনে ৩৪৫ পার্ক অ্যাভিনিউয়ের অফিস ভবনে চারজন নিহত হন, তাদের মধ্যে ছিলেন এনওয়াইপিডির কর্মকর্তা দিদারুল ইসলাম। সে সময় তার স্ত্রী আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। তার আরো দুই পুত্র সন্তান রয়েছে।

বাংলাদেশী বংশোদ্ভুত দিদারুল ইসলাম ব্রঙ্কসের বেচেস্টার এলাকায় এনওয়াইপিডির ৪৭তম প্রিসিঙ্কটে দায়িত্বরত ছিলেন। সাড়ে তিন বছরের কর্মজীবনে তিনি সহকর্মীদের কাছে ছিলেন সৎ ও নিবেদিতপ্রাণ পুলিশ কর্মকর্তা। নিউইয়র্ক সিটিতে দায়িত্ব পালনকালে নিহত প্রথম বাংলাদেশি পুলিশ সদস্য তিনি। মৃত্যুর পর তাঁকে মরণোত্তর পদোন্নতি দিয়ে ডিটেকটিভ পদে উন্নীত করা হয়েছে।