ঢাকা ০১:৪৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

থাই-কম্বোডিয়া সীমান্তের ১ লাখ ২০ হাজার মানুষ ঘরছাড়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৭:২৬:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ জুলাই ২০২৫
  • / 110

থাই ও কম্বোডিয়া সীমান্তের বাসিন্দারা পালিয়ে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিয়েছে, ছবি: রয়টার্স

থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার সেনাবাহিনীর মধ্যে শুরু হওয়া সীমান্ত সংঘাত বেড়েই চলছে। এতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬ জনে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে এই সংঘাতের ফলে দুই দেশের সীমান্ত এলাকায় বসবাসরত ১ লাখ ২০ হাজার মানুষ পালিয়ে গেছে। খবর আল জাজিরা।

শুক্রবার চলমান সংঘাত দুই দিনে গড়িয়েছে। উভয় দেশই ভারী গোলাবারুদ এবং রকেট হামলা চালাচ্ছে। দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় পর দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার প্রতিবেশী দুই দেশের মধ্যে সংঘাত শুরু হয়েছে।

থাইল্যান্ডের ভারপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী ফুমথাম ওয়েচাইয়াচাই শুক্রবার (২৫ জুলাই) সাংবাদিকদের জানান, পরিস্থিতি খুবই ভয়াবহ এবং এটি যুদ্ধের দিকে যেতে পারে।

তিনি আরও বলেন, সংঘাতে ভারী অস্ত্র ব্যবহার করা হচ্ছে।

থাই সামরিক কর্মকর্তা বলেন, সীমান্তের সংঘাতপূর্ণ ১২টি স্থানে পাল্টাপাল্টি হামলা হচ্ছে। নতুন করে ছয়টি স্থানে হামলা ছড়িয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি যুদ্ধের দিকে যাচ্ছে।

থাইল্যান্ডের রিয়াল অ্যাডমিরাল সুরাসান্ত কংসিরি বলেন, কম্বোডিয়া অব্যাহতভাবে ভারী অস্ত্র ব্যবহার করছে।

থাইল্যান্ডের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হামলায় ১৩ জন বেসামরিক এবং একজন সেনা নিহত হয়েছে। অন্যকে কম্বোডিয়ার স্থানীয় প্রাদেশিক কর্মকর্তা ওডডার মেনচি বলেন, থাইল্যান্ডের হামলায় একজন নিহত এবং পাঁচজন আহত হয়েছে।

থাইল্যান্ডের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ৩০ জনের বেশি থাই বেসামরিক নাগরিক ও ১৫ জন সৈনিক আহত হয়েছেন।

এএফপি সংবাদ সংস্থা থাইল্যান্ডের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছে, কাম্বোডিয়ার সীমান্তবর্তী চারটি থাই প্রদেশ থেকে প্রায় ১ লাখ ৬৭২ জন মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

থাইল্যান্ডের চ্যানেল ৩ টেলিভিশনের খবরে বলা হয়েছে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী সচিব আর্সিত সামপান্থারাত জানিয়েছেন, সরিয়ে নেয়া মানুষের অর্ধেকের বেশি সুরিন প্রদেশের, আর বাকি অংশ শিসাকেত, বুরি রাম ও উবন রাচাথানি প্রদেশের।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

থাই-কম্বোডিয়া সীমান্তের ১ লাখ ২০ হাজার মানুষ ঘরছাড়া

সর্বশেষ আপডেট ০৭:২৬:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ জুলাই ২০২৫

থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার সেনাবাহিনীর মধ্যে শুরু হওয়া সীমান্ত সংঘাত বেড়েই চলছে। এতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬ জনে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে এই সংঘাতের ফলে দুই দেশের সীমান্ত এলাকায় বসবাসরত ১ লাখ ২০ হাজার মানুষ পালিয়ে গেছে। খবর আল জাজিরা।

শুক্রবার চলমান সংঘাত দুই দিনে গড়িয়েছে। উভয় দেশই ভারী গোলাবারুদ এবং রকেট হামলা চালাচ্ছে। দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় পর দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার প্রতিবেশী দুই দেশের মধ্যে সংঘাত শুরু হয়েছে।

থাইল্যান্ডের ভারপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী ফুমথাম ওয়েচাইয়াচাই শুক্রবার (২৫ জুলাই) সাংবাদিকদের জানান, পরিস্থিতি খুবই ভয়াবহ এবং এটি যুদ্ধের দিকে যেতে পারে।

তিনি আরও বলেন, সংঘাতে ভারী অস্ত্র ব্যবহার করা হচ্ছে।

থাই সামরিক কর্মকর্তা বলেন, সীমান্তের সংঘাতপূর্ণ ১২টি স্থানে পাল্টাপাল্টি হামলা হচ্ছে। নতুন করে ছয়টি স্থানে হামলা ছড়িয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি যুদ্ধের দিকে যাচ্ছে।

থাইল্যান্ডের রিয়াল অ্যাডমিরাল সুরাসান্ত কংসিরি বলেন, কম্বোডিয়া অব্যাহতভাবে ভারী অস্ত্র ব্যবহার করছে।

থাইল্যান্ডের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হামলায় ১৩ জন বেসামরিক এবং একজন সেনা নিহত হয়েছে। অন্যকে কম্বোডিয়ার স্থানীয় প্রাদেশিক কর্মকর্তা ওডডার মেনচি বলেন, থাইল্যান্ডের হামলায় একজন নিহত এবং পাঁচজন আহত হয়েছে।

থাইল্যান্ডের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ৩০ জনের বেশি থাই বেসামরিক নাগরিক ও ১৫ জন সৈনিক আহত হয়েছেন।

এএফপি সংবাদ সংস্থা থাইল্যান্ডের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছে, কাম্বোডিয়ার সীমান্তবর্তী চারটি থাই প্রদেশ থেকে প্রায় ১ লাখ ৬৭২ জন মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

থাইল্যান্ডের চ্যানেল ৩ টেলিভিশনের খবরে বলা হয়েছে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী সচিব আর্সিত সামপান্থারাত জানিয়েছেন, সরিয়ে নেয়া মানুষের অর্ধেকের বেশি সুরিন প্রদেশের, আর বাকি অংশ শিসাকেত, বুরি রাম ও উবন রাচাথানি প্রদেশের।