ঢাকা ০২:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

থাইল্যান্ডে বরখাস্ত পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রা

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৬:২৪:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৫
  • / 92

থাইল্যান্ডে বরখাস্ত পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রা

বিতর্কিত ফোনালাপের জেরে থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রাকে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে অপসারণের পক্ষে ভোট দিয়েছে দেশটির সাংবিধানিক আদালত।

শুক্রবার (২৯ আগস্ট) নয় সদস্যের বেঞ্চ রায়ে উল্লেখ করা হয়, তিনি নৈতিক মানদণ্ড ভেঙেছেন এবং ব্যক্তিস্বার্থকে জাতির স্বার্থের ওপরে স্থান দিয়েছেন।

ফোনালাপে পেতংতার্ন থাই সেনাবাহিনীর এক কর্মকর্তার সমালোচনা করেন এবং কম্বোডিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী হুন সেনকে ‘আংকেল’ বলে সম্বোধন করেন; যা থাইল্যান্ডের জনগণের মধ্যে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।

যদিও তিনি দাবি করেছিলেন, এটি ছিল শান্তিপূর্ণ আলোচনার একটি কৌশল। তবে আদালত তা প্রত্যাখ্যান করে জানায়, এতে দেশের সুনাম ক্ষুণ্ন হয়েছে এবং জনআস্থা নষ্ট হয়েছে।

রায়ে আরও বলা হয়, এই ফোনালাপ থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর পদমর্যাদা ক্ষুণ্ন করেছে এবং জাতির সম্মানে আঘাত হেনেছে। ফলে তাকে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

গত জুনে ফাঁস হওয়া ফোনালাপের পর থেকেই দেশজুড়ে বিক্ষোভ শুরু হয়। এর ধারাবাহিকতায় ১ জুলাই আদালতের ভোটাভুটিতে ৭-২ ভোটে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত আসে।

আদালতের রায়ের পর পেতংতার্ন গভর্নমেন্ট হাউসে সংবাদ সম্মেলন করবেন বলে জানিয়েছে বিবিসি।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

থাইল্যান্ডে বরখাস্ত পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রা

সর্বশেষ আপডেট ০৬:২৪:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৫

বিতর্কিত ফোনালাপের জেরে থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রাকে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে অপসারণের পক্ষে ভোট দিয়েছে দেশটির সাংবিধানিক আদালত।

শুক্রবার (২৯ আগস্ট) নয় সদস্যের বেঞ্চ রায়ে উল্লেখ করা হয়, তিনি নৈতিক মানদণ্ড ভেঙেছেন এবং ব্যক্তিস্বার্থকে জাতির স্বার্থের ওপরে স্থান দিয়েছেন।

ফোনালাপে পেতংতার্ন থাই সেনাবাহিনীর এক কর্মকর্তার সমালোচনা করেন এবং কম্বোডিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী হুন সেনকে ‘আংকেল’ বলে সম্বোধন করেন; যা থাইল্যান্ডের জনগণের মধ্যে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।

যদিও তিনি দাবি করেছিলেন, এটি ছিল শান্তিপূর্ণ আলোচনার একটি কৌশল। তবে আদালত তা প্রত্যাখ্যান করে জানায়, এতে দেশের সুনাম ক্ষুণ্ন হয়েছে এবং জনআস্থা নষ্ট হয়েছে।

রায়ে আরও বলা হয়, এই ফোনালাপ থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর পদমর্যাদা ক্ষুণ্ন করেছে এবং জাতির সম্মানে আঘাত হেনেছে। ফলে তাকে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

গত জুনে ফাঁস হওয়া ফোনালাপের পর থেকেই দেশজুড়ে বিক্ষোভ শুরু হয়। এর ধারাবাহিকতায় ১ জুলাই আদালতের ভোটাভুটিতে ৭-২ ভোটে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত আসে।

আদালতের রায়ের পর পেতংতার্ন গভর্নমেন্ট হাউসে সংবাদ সম্মেলন করবেন বলে জানিয়েছে বিবিসি।